বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক:শারমিন আকতার মিম।
আমি যখন ক্লাস এইটে পড়ি তখন আমার সাথে এক ভয়ানক ঘটনা ঘটেছিল।এই ঘটনার সম্মখীন আমি নানুবাড়িতে হয়েছিলাম।
আসলে আমি নানুবাড়িতে যাওয়াআসা তেমন পছন্দ করতাম না। কারণ ওখানে আমার সাথে সময় কাটানোর জন্য কেউ ছিলনা। কিন্তু খালাতো ও মামাতো ভাই-বোন যখন একসাথে নানুবাড়িতে আসে তখন আমিও যাই মজা করতে।এমনি হয়েছিল একদিন।
সবাই নানুবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল।সিয়াম,মুনিকা,অনিক ভাইয়া,অনন্যা আপু,ইরা আপু,আইরিন আপু,হাবীবা আপু আরো অনেকে।আসলে আমরা খালাতো-মামাতো ভাই-বোন ২০জনেরও বেশী।তাই সবার নাম লেখা সম্ভব নয়।সেইদিন আমরা সবাই খাওয়া দাওয়া করে দুপুরে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সন্ধ্যায় ঘুম থেকে উঠে শুনি সবাই দোতালার ঘরে পড়তে বসেছে।তাই আমিও সেখানে গেলাম পড়তে।
আমাদের নানুবাড়িটা অনেক বড় আর ফাঁকা। একদিকে মাটির দোতালা আর অন্যদিকে পাকা দালান। আর এই বাড়ীর সামনে রয়েছে কবরস্থান।যাই হোক আমি দোতালায় যাওয়ামাত্র অনন্যা আপু আমায় বলে উঠল,
অনন্যা:মিম তুই এসেছিস?
আমি:হ্যাঁ,আমি।
অনন্যা:পড়বি?
আমি:হ্যাঁ
অনন্যা:পড় কিন্তু দেখিস এখানে ভূতের উপদ্রব আছে।
আমি:উফফ.......তুমিও না।আমি ভূত আছে বলে বিশ্বাস করি না।
এই বলে পড়তে বসলাম।আসলে আমি খুব জেদী মেয়ে।তাই আমাকে আর কেউ কিছু বলল না।
প্রায় ১ঘন্টা পর আমাদের নিচে ডাকল। আমি একটু পর যাচ্ছি বলে থেকে গেলাম। সবাই নিচে গেলে হঠাৎ লাইট বন্ধ হয়ে গেল। তারপর শুনতে পেলাম কেউ কাঁদছে।আমার শরীর শিউরে উঠল। তাও আমি সাহস করে পেছন ঘুরে দেখি একজন মহিলা যার পেটে ছুরি বসানো।আর সেখান থেকে অজস্র রক্ত ঝরছে। তিনি আমার দিকে এগিয়ে আসছে।তারপর আমি চিৎকার করে হুঁশ হারিয়ে ফেলি।
যখন আমি হুঁশ ফিরে পাই তখন নানু বলল কবরস্থানে নাকি এক মহিলাকে খুন করা হয়েছিল।তারপর থেকে নাকি ওনার আত্না দোতালায় ঘুরে বেড়ায়। আর মামা কোরআন শরীফ পাঠ করলে নাকি সেই আত্না অনেক শব্দ করে।।
এসব কথা শুনে আমি সেখানে আর যাই নি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now