বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গল্প:অবশেষে ফিরা
আজ আমি চলে যাচ্ছি অনেক দূরে যেখান হয়তোও যাওয়া যায় এবং আসাও যায় কিন্তু ফিরে আসার কোন ইচ্ছা নেই।ভাবছেন কোথায় যাচ্ছি, কেনো যাচ্ছি সেটা বলার জন্য গল্পটা লেখা
আমি নিলয় আর ও পাখি।আমি অনেক শান্ত স্বাভাবের আর পাখি ছিলো তার উল্টা।উল্টা বলতে একটা রাগী মেয়ে শুধু অল্পোতে রেগে যায়।আর যদি একবার রেগে যাই সেটা না বলাই ভালো ।ভাবছেন এই রাগী মেয়ে সাথে আমার বন্ধুত্ব কেমনে হলো।তার একটা বিশাল কাহিনী রয়েছে। স্কুলে সবাই আমার সাথে অনেক মজা করতো কারণ আমি দুর্বল বলে।তাই বন্ধুরা সবাই দুষ্টিমী করতো সেই দুষ্টুমীর ফল আমাকে পেতে হয়তো।একবার বন্ধুরা মজা করে পাখি গায়ে রং ছিটিয়ে দিয়েছিলো কি করা সেই দোষ্টা আমার গায়ে এসে পরলো।পাখি হঠাৎ আমার কাছে এসেই দুইটা থাপ্পোর মরেই পাখি হাতে থাকা অবশিষ্ট রং আমার শার্টে ঢেলে দিয়ে চলে গেলো আর আমি যে কথা বলবো তার কোন সুযোগ ছিলো না।তার পরে দিন ক্লাসে ডুকতেই পাখী এসেই বলছে থাপ্পোরটা অনেক জড়ে লেগেছে তাই না সেই জন্যে আমি অনেক দুঃখিত।সেই দিন থেকে আমাদের বন্ধুত্বটা শুরু হয়।আজ আমারা ইন্টারে প্রথম ইয়ারে পড়াশুনা করছি কিন্তু বন্ধুত্বা ঠিক তেমনি রয়েছে আর বড়ে গেছে রাগী মেয়েটর শাস্তি দেওয়া ধরণটা।সেই শাস্তি থেকে কখন যে পাখিকে ভালোবেসে ফেলেছি তা বুঝতে পারিনি।কিন্তু শাস্তি ভয়ে তে কিছু বলা হয়নি যদি বড় শাস্তি দিয়ে চলে যায় আমার কাছ থেকে যে রাগী মেয়ে বলা তো যাই না।
→দেখতে দেখতে দশটা বছর কেঁটে গেলো তাই না রে।(নিলয়)
>>হুম(পাখি)
→আচ্ছা তুই কাউকে ভালোবাসিস পাখি?
>>হা বাসি তো
→তা আগে বলিস নি কেনো?
>>প্রয়োজন মনে করিনি তাই।
→তা ভাগ্যবান ব্যাক্তিটি কে?
>>আমার মা-বাবা।
→ধুর, মথা মোটা তোর বিএফ কথা বলছি।
>>তোকে বলবো কেনো?
→থাকলে তো বলবি।তুই যে রকম মেয়ে তোর সাথে কে প্রেম করবে।আমি তোর সাথে থাকি সেটা তোর কপাল।
>>যা তোকে একদিন সারপ্রাইজ দিবো তুই ভাবতেও পারবি না
→দেখবো নি
>>দেখিস সেই দিন চেয়ে। আর তোকে তো কোন দিন দেখলাম না আমি ছাড়া কারও সাথে ঘুরতে
→তোর চোঁখ আছে দেখতে পারবি যে
>>কি বললি আমার চোঁখ নেই।আচ্ছা মেয়েটা কে?
→বলবোনা আগে তুই বল
>>মিথ্যা কথা দেখি ভালোই বলতে পারিস
→এক দিন ঠিক বুঝতেই পারবি?
>>দেখা যাবে।চল বাসায় যায়
→চল
তার পরে দিন পাখি এই ভাবে আমাকে সারপ্রাইজ দিবে আমি কখনো কল্পনা করতে পারিনি।ভাবছেন সারপ্রাইজ টা কি তা বলা মতো তখন ভাষা ছিলো না তবু বলছি পাখি এবং একটা ছেলে হতা ধরে ঘুরছে আমার সামনে সত্যিই পাখি আজ আমি অনেক সারপ্রাইজ পেলাম তা ভুলার মতো না তাই আজ দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছি।না হয় তার স্মৃতি নিয়ে বাঁকিটা জীবন কাঁটাবো।যা ডায়রিটা ফেলেই চলে এলাম।কপাল খারপ হলে যা হয়।
দেখতে দেখতে পাঁচতা বছর কেঁটে গেলো।
আজ পাঁচটি বছর পর দেশে ফিরছি।অনেক ভালো লাগছে কিন্তু তার মধ্যে অনেক কষ্ট লুকিয়ে আছে। আবার হয়তো পাখি সাথে দেখা হবে।ভাবতে ভাবতে দেশে মাটিতে আবার পা রাখলাম।
বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে শুয়ে পরলাম এক বুঁক কষ্ট নিয়ে।হঠাৎ কে যেনো মথায় হাত বুলাতে লাগলো।মা হাত বুলাতে হবে না।তুমি যাও
এই তুই অ্যান্টি আর আমার ছোঁয়ার পাথর্ক্য বুঝতে পারিস না।এতটা বদলে গেছিস।
→না মানে।তুই এখানে(নিলয়)
>>অনেক দিন হলো তোকে দেখিনি।তাই দেখতে এলাম(পাখি)
→ভালো
>>যাওয়ার আগে কেনো বলে যাসনি।একবার তো বলে দেখতে পারতি
→কি বলবো তোকে?
>>আর ন্যাকামি করতে হবেনা,
→তোর কথা মানে আমি কিছুই বুঝছি না
>>দেখতো এটা চিনতে পারছিস
→এটা কি
>>ভালো করে দেখ
→এই আমার ডায়রি তুই কোথায় পেলি?এত সুন্দর করে সাজানো বুঝার কোন উপায় ছিলো না
>>বলবো না
→চোর, মানুষের ডায়রি পরতে এতোই ভালো লাগে তোর
>>হা।তুই এখন কি আমায় ভালোবাসিস
→তোকে ভালোবাসতে যাবো কেন দুঃখে আর তোকে তো ভালোবাসার মানুষ অনেক অাছে,
>>তুই এই ছেলটার কথা বলছিস ওটা তো আমার চাচাত ভাই হয়।সেই দিন ওকে নিয়ে বেরিয়ে ছিলাম।
→তার কাছে চলে যা
>>গেলে এখনে আসতাম না।বলনা আমাকে ভালোবাসিস?
→স্যারি।আমি অন্য একজন কে ভালোবাসি।
>>তাহলে ডায়রি সব কথা মিথ্যা ছিলো বল।
→ডায়রি কথাগুলো মিথ্যা না কিন্তু বিদেশ অন্য একটা মেয়েকে আমি ভালোবেসে ফেলেছি
>> ও।ভালো থাক।আমি আজ আসি রে।
→এই কই যাবি আমার জিএফ ছবি দেখবি না।
>>না রে আজ থাক কোন একদিন দেখবো।
→না দেখে কোথায় যাবি।এইনি দেখ,
>>এই হারামি এটা তো আমার ছবি
→দেখতেই তো পারছিস। কেমনে ভাবলি তোকে ছাড়া অন্য কাউ কে ভালো বাসবো আমি।
>>কাঁন্না কাঁন্না শুরে।আমাকে কাঁদতে তোর এতোই ভালো লাগে
→তুই যখন কাঁদিস তোকে না অনেক সুন্দর লাগে
>>তার মনে তুই আমাকে রোজ কাঁদাবি?
→হুম
>>তাহলে কিন্তু আমি অনেক দূরে চলে যাবো,
→আমায় ছেঁড়ে কোথায় যাবি।একবার যে দেখনা তার পা ভেঙ্গে দিবো
>>এই রকম করলে দেখবি আমি মরে যাবো,
→চুপ আর এই রকম কথা বলবি না।এই কাঁনে ধরছি তোকে আর কাঁদাবো না
>>গুড় বয়।
→জানি।একটা কথা বলি
>>বল
→আমাকে প্রপোজ করবি তুই
>>মিস্টার ওটা আমার কাজ না ওটা তোর কাজ
→করবি না
>>না।না।না
→থাক আমি চলে যাচ্ছি আর আসবো না।
>>এই কোথায় যাছিস আমাকে ছেড়ে। ঠিক আছে আমি প্রপোজ করছি।কিন্তু একটা শর্ত আছে
→আবার কি শর্ত
>>আগে প্রপোজ করি।তার পর বলি
→ওকে মহারাণী,
>>আই লাভ ইউ নিলয়
→কিছুই তো শুনতে পারলাম না।একটু জড়ে বলতে পারিস না
>>আই লাভ ইউ নিলয়
→এই বার থাম
>>কেউ কিছু বলে তার উওর দিতে হয় জানিস না।
→আমি তোকে ভালোবাসি না,পাগলী
>>আমার কানে ধরে বলো কি বললি একবার বল হারামি,
→এই ছাড় আমায় কাঁনে লাগছে তো
>>লাগোগ। কি বল হারামি বল।
→না মানে।আমি তোকে অনেক ভালোবাসি পাগলি ।এই বার ছাড়
>>ওকে ছাড়লাম
→এই বার বল কি শর্ত
>>আমাকে কোলে করে ছাঁদে নিয়ে যতে হবে
→তোর মাথা খারপ।এখন তোকে কোলে করে ছাঁদে নিয়ে যেতে হবে, আমি পারবো না বাবা
>>অ্যান্টি কে ডাকবো কিন্তু
→ডাক।জড়ে
>>অ্যান্টি তোমার ছেলে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে,
→এই চুপ কর হারামি।
>>চুপ করলাম,এবার আমাকে কোলে নি তাহলে।
→এই তুই কি খাইস এত ভারি কেন রে
>>অ্যান্টিকে ডাকবো আবার
→→এই না
যদি কোন ভুল হয়ে থাকে তাহলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টতে দেখবেন
লেখক: প্রসনজিত চন্দ্র দাশ(দেব দাস মন)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now