বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মারণাস্ত্র বানানোই হয় যুদ্ধে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করবার জন্য। বস্তুত, মানুষ যুদ্ধাস্ত্রের পেছনে যে শ্রম, সময়, বুদ্ধি ও অর্থের খরচ করে তা রীতিমত বিস্ময়কর। আমাদের পরিচিত গণ্ডির বাইরেও আছে অজানা, অবিশ্বাস্য কিছু অস্ত্র, যেগুলির ধরণ-ধারণ দেখলে চোখ চড়কগাছ হয়ে যায়।
১/ বাদুড় বোমা
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জাপানীদের শায়েস্তা করবার জন্য মার্কিনদের উর্বর মস্তিষ্ক থেকে আসে এই অস্ত্রঃ বাদুড় বোমা। এ হচ্ছে বিরাট আকারের এক সিলিণ্ডার, ভেতরে ছোট ছোট খোপে হাজারখানেক বাদুড় থাকে, প্রত্যেকটির গায়ে আবার ছোট্ট একটা করে বোমা বাঁধা। পরিকল্পনা ছিল, বিমান থেকে প্যারাশুটে বেঁধে এই সিলিণ্ডার ফেলা হবে, মাটির কাছাকাছি এলে সিলিণ্ডারের মুখ খুলে যাবে। তখন ভেতরের বাদুড়গুলি বেরিয়ে[1] বাসাবাড়িতে আস্তানা করলে তাদের সাথে বাঁধা ছোট বোমাগুলি বিস্ফোরিত হবে। শহর-গ্রামে দেখা দেবে অগ্নিকাণ্ড। অবশ্য এ অস্ত্র পরীক্ষামূলক পর্যায়েই থেকে গিয়েছে।
২/ ছাতা বন্দুক
বিখ্যাত বুলগেরীয় লেখক মার্কভকে খুন করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল ছাতা বন্দুক। গুপ্তহত্যায় পূর্ব ইউরোপীয়দের বিশেষ সুনাম আছে। ছাতা বন্দুক মূলত একটি ছাতা, মেলে ধরবার সময় এর থেকে ছুটে বার হয় রেসিন নামক মারাত্মক বিষ ভর্তি ছোট্ট একটা ধাতুর গুলি। হুল ফোটার মত যন্ত্রণা হলেও বোঝার উপায় থাকে না। পরে ঐ ধাতব গুলি থেকে রেসিন সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে, ঘটে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু।
৩/ লাফিয়ে চলা বোমা
এটির উদ্ভাবক জার্মানরা। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় বিমান থেকে পানিতে ফেলা হত লাফিয়ে চলা এই বোমা। একটা বলের মত পানির ওপর ড্রপ খেত এই বোমা, কোন জাহাজ বা সাবমেরিনের সংস্পর্শে আসলেই ঘটতো বিস্ফোরণ।
৪/ শিকারী ডলফিন
১৯৬০ এর দিকে সোভিয়েতরা ডলফিনের গায়ে বোমা বেঁধে সেগুলি দিয়ে বিপক্ষের সাবমেরিনে হামলা চালাবার এই কৌশল হাতে নেয়। মার্কিনদেরও নিজস্ব শিকারী ডলফিন ছিল। সমস্যা হচ্ছে, ডলফিন তো কোন সাবমেরিন শত্রূর আর কোনটি মিত্রপক্ষের, তা আলাদা করতে পারে না, তাই পরে এই প্ল্যান বাদ দেওয়া হয়।
৫/ অতিকায় কামান
কানাডীয় অস্ত্র নির্মাতা জেরাল্ড বুলের উদ্ভাবন। বিগ ব্যাবিলন নামক এই ৫১২ ফিট লম্বা ব্যারেলের এই মহাকায় কামান দিয়ে তিনি মহাশূণ্যে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মতলব করেছিলেন।
[ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত হয়েছে]
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now