বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অবিমানী শাসন আর ভালোবাসা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X আচ্ছা আপনি সবকিছু মিলিয়ে খুশিতো?আশা বলল। এই দিন দুপুরে হঠাৎ এই কথা জিজ্ঞেস করছো যে?কি ব্যাপার?তুষার বলল। না মানে,আমিতো অনেক কালো।আমাকেতো আপনি বিয়ে করতে চান নি।আপনার মা-বাবার ইচ্ছায় বিয়ে করেছেন। কে বলেছে তোমাকে এই কথা?আমি খুশী অনেক।আমার ইচ্ছায় বিয়েটা হয়েছে। সত্যি বলছেন তো আপনি? হ্যাঁ সত্যি বলছি।আচ্ছা হঠাৎ এটা কেনো মনে হলো বলতো দেখি। না মানে,গতকাল বিয়ের প্রথম রাত ছিলো।আপনি রুমে ঢুকে কোন কথাবার্তা না বলে সোজা ঘুমিয়ে পড়লেন তাই মনে হলো।আমি সারারাত এই লাল শাড়ী পড়ে আপনার জন্য জেগে ছিলাম।খুব খিদেও পেয়েছিলো আমার। আসলে খুব ক্লান্ত লেগেছিলো।তাই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।চল আমরা ছাদে যাবো।যাবে?? আপনি আমাকে নিয়ে যাবেন ছাদে,হ্যাঁ যাবো যাবো। চল তাহলে ছাদে যায় দুজন। উফফ.!!ছাদে কি গরম.!এই দুপুরে কেউ ছাদে আসে।শুধু শুধু গরমে এই উত্তপ্ত রোদে ছাদে এনেছেন কেনো। কই গরম ছাদে,আমিতো বৃষ্টি পড়ছে দেখছি।দুজন আজ বৃষ্টিতে গা ভেজাবো। আচ্ছা তাই নাকি.!আজকাল কবিতা টবিতা লেখেন নাকি আপনি?? না কবিতা লেখি না,কবিতা দেখি। কবিতা দেখেন মানে? এই যে তোমাকে দেখছি,এটাইতো কবিতা। বাহ,আপনিতো অনেক সুন্দর কথা বলতে জানেন। শুনো তুমি পাশে থাকলে দুপুর বেলাকে গৌধূলী বেলা মনে হয় আমার। হা হা হা হা....সত্যিতো? এভাবেই হাসি দুষ্টামি আর খুনসুটিতে ভালোই চলতে থাকে আশা আর তুষারের জীবন।আশা অনেক ধার্মিক পরহেজগার এক কথায় ভালো মেয়ে।মাঝে মাঝে তুষারকে বকা দিয়ে মসজিদে পাঠাই। তুষার পড়াশুনা জানা ছেলে।সে কখনো নিজ বউএর কালো চামড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেনি।শশুড় বাড়ীতে সবার সামনে সহধর্মিণীকে অত্যন্ত সুরুচিশীলভাবে উপস্থাপন করতো।আশার সুবিধা-অসুবিধার দিকে নজর রাখতো সবসময়। ৯মাস পর------ একদিন বিকালে আশা জামা-কাপড় গুছিয়ে এক এক করে ব্যাগে রাখছে। তুষার জিজ্ঞেস করলো কই যাবা তুমি? আশা অভিমানি স্বরে বলে উঠলো তাহাজ্জুদ পড়েন না আপনি,৫ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন ওয়াদা দিয়েছিলেন নামাজও পড়েন না।একসাথে খাবার খান নি কোনদিন। আমি আপনার সাথে থাকবো না আর।এই বলে আশা ব্যাগটা হাতে নিয়ে হাঁটা শুরু করলো। তুষার পিছন থেকে বউএর হাতটা ধরে বলে উঠলো এই শুনোনা, নামাজ তাহাজ্জুদ ঠিকমত পড়ি না।কিন্তু একটা সুন্নাততো প্রতিদিন পালন করি। কি সুন্নাত পালন করেন প্রতিদিন?? নবিজী আয়েশাকে খুব ভালোবাসতেন।আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি।সত্যিই ভালোবাসি। আশা মুচকি হেসে দিলো। তুষার বলে উঠলো আজকে থেকে নামাজ তাহাজ্জুদ সব পড়বো।সত্যি পড়বো।তুমি আমাকে ছেড়ে যেয়ো না। আশার মুখের মুচকি হাসিটা আরো প্রসারিত হতে লাগলো। আশা তাকে বুকে টেনে নিলো।স্বামীর বুকে স্থান পেয়ে আশা পরম আনন্দে শিহরিত হয়ে উঠলো।প্রিয় পাঠক এই আনন্দ লেখক তার লেখায় ফুটিয়ে তোলা অসম্ভব। | নোটঃ-ভালো থাকুক প্রতিটি পবিত্র সম্পর্ক।আশা আর তুষারের মত অবিমানী শাসন আর ভালোবাসায় বেঁচে থাকুক পৃথিবীর প্রতিটি টুনা-টুনির সংসার।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবিমানী শাসন আর ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now