বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সুহান বলল,
বৃত্ত আমার গার্লফ্রেন্ড!
বৃত্ত আর কোনো কথা বলছেনা, স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে! তার পৃথিবীটা এখনই অন্ধকার হয়ে আসছে। কি ভেবেছিল আর কি হয়ে গেল?? কোনোকিছু ভেবে পাচ্ছিল না। কোনোরকম দুজনকে অভিনন্দন জানাল। দরকার আছে বলে চলে আসলো সেখান থেকে। বাসায় এসে কোনো কিছু ভালো লাগছেনা বৃত্তের। এখন কি করবে সে?
একদিকে তার বন্ধুত্ব আর অন্যদিকে তার জীবন!
অর্পিকে ছাড়া এখন একমিনিট থাকাটা তার জন্য সবচেয়ে বেশি কষ্টের!
না এ হতে পারেনা! অর্পিকে অন্যকারো হতে দেয়া যাবেনা। প্রয়োজনে বন্ধুত্ব শেষ করবে, তারপরও অর্পিকে তার চাই-ই-চাই!
অর্পিতো এখন আমাকে মেনে নিবে না। এখন কি করবো? বৃত্ত কোনো কিছু ভেবে না পেয়ে ফোন দিল ফুফাতো ভাই অমিকে!
অমিকে বিস্তারিত সবকিছু বলল। অমি কিছুক্ষণ ভেবে বলল, অর্পিকে চাইলে অনেক বিশাল একটা কাজ করতে হবে, যা তোমার দ্বারা সম্ভব না। সুতরাং অর্পি আশা ছেড়ে দিয়ে নিজের পরিবারের দিকে মন দাও।
বৃত্ত বলল, আমি অর্পিকে পেতে পৃথিবীর যেকোনো কাজ করতে রাজি আছি। বল সেটা কি?(বৃত্ত)
বললে তুই করতে পারবি?(সুহান)
হ্যা করতে পারবো! বল? (বৃত্ত)
অর্পিকে পেতে হলে সুহানকে পৃথিবীবিদায় করে দিতে হবে! এছাড়া অর্পিকে পাওয়া সম্ভব না। (অমি)
এ কি বলিস তুই, সুহানকে খুন করবো? (বৃত্ত)
আমি তো আগেই বলেছি , তোর দ্বারা এইসব কখনও সম্ভব না। সুতরাং অর্পির আশা ছেড়ে দেয় ( অমি)
আচ্ছা এখন ফোন রাখি, পরে দরকার হলে তোকে ফোন দিবো! (বৃত্ত)
বৃত্ত ফোন রেখে আবারো দুঃচিন্তায় পড়ে গেল। এখন কি করবে সে? একদিকে তার বন্ধুত্ব , অন্যদিকে অর্পি! অর্পিকে ছাড়া তার বেঁচে থাকাটাও সম্ভব না!
বৃত্ত ভাবতে লাগল, না আমিতো মরতে পারিনা। বন্ধুত্ব না হয় শেষই করে দিলাম! বিদায় করে দিব সুহানকে! তবুও অর্পিকে আমার চাই! বৃত্ত আবার ফোন করলো অমিকে। সে সবকিছু করতে রাজি! অমির কাছে জানতে চাইলো কিভাবে এসব করতে হবে। অমি তাকে সবকিছু বুঝিয়ে দিল।
বৃত্ত ফোন রেখে শুধু অর্পিকে চিন্তা করছে আর ফুসছে।
আর এইদিকে অর্পি আর সুহান প্রেমের রোমাঞ্চ নিয়ে ব্যস্ততম সময় কাটাচ্ছে। দুজনের মনে আঁকা বিভিন্ন স্বপ্ন, আশা, ভরসা একজন আরেকজনের কাছে শেয়ার করছে। সারারাত তারা এভাবেই কাটিয়ে দিল। প্রেমেজর্জর দুজনা সারারাত্রিতে ঘুমের দেখা পেল না। চারদিকে যখন ফজরের আজান দিচ্ছে, তখন দুজনই কিছুটা ক্লান্তি অনুভব করলো।
বিদায় নিয়ে দুজনই নামাজ আদায় করে শুয়ে পড়লো।
বেলা ১১ টায় ঘুম থেকে উঠলো সুহান।
ফোন দিল বৃত্তকে।
বৃত্ত ফোন ধরল একদম স্বাভাবিকভাবে!
সুহান বৃত্তকে ভার্সটিতে আসতে বলল, বৃত্তের ইচ্ছা না থাকা স্বত্বেও ভার্সিটির দিকে চলল। বসে আছে বেঞ্চে। অর্পি আর সুহান একসাথে গেটের দিকে প্রবেশ করছে! বৃত্ত আর ঠিক থাকতে পারেনি। হাতের কাছে মোবাইল ছিল , নিজের সব শক্তি দিয়ে মারলো এক আছাড়!
মোবাইল ভেঙ্গে গেছে কিন্তু তার ক্ষোভ কমছে না। সুহান আর অর্পি দুজনই বৃত্তের দিকে আসছে! বৃত্তের এখানে থাকার কোনো ইচ্ছা নেই তবুও মনকে অনেক শক্ত করলো। নিচের দিকে চেয়ে বসে আছে!
সুহান আর অর্পি দুজনই বৃত্তের সামনে এসে দাঁড়ালো। সুহান মিটমিটে হাসছে, বৃত্ত ততই সাপের মত ফুসছে!
বৃত্ত নিজেকে সংযত করে স্বাভাবিকভাবে তাদের সাথে কথা বলল! আড্ডা দিল প্রায় ১ঘন্টার মত! তারপর চলল বাসার দিকে!
সুহান আর অর্পি দুজনই সারা ভার্সিটিকে মাতিয়ে তোলেছে। দুজনের মনে আজ প্রেমের ঝড়! এদিকে বৃত্ত সুহানকে মেরে ফেলার ছক কসছে! সে এমনভাবে সুহানকে মারবে, যাতে অর্পি বুঝতে না পারে! অর্পি যদি বুঝে যায় তাহলে কোনোভাবেই বৃত্তকে মেনে নিবে না।
বৃত্ত অমিকে ফোন দিল! অমির কাছে জানতে চাইলো, কিভাবে সুহানকে খুন করতে হবে? যাতে অর্পি কিছু টের না পায়!
অমি বৃত্তকে আবার সব নির্দেশনা বুঝিয়ে দিল।
বৃত্ত ফোন রেখে প্রস্তুতি নিতে লাগল। সুহানকে আগামীকালই দুনিয়াতে থেকে বিদায় করে দিবে! তারপর অর্পি হয়ে যাবে বৃত্তের! এখন বৃত্ত অনেক খুশি!
হাসছে আর মদের গ্লাসে চুমুক দিচ্ছে!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now