বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সজিব এর মামা বাসায় পৌছে দেখি বাসাটা বিশাল।পুরো রাজবাড়ির মত।সজিবের থেকে শুনছিলাম যে এখানে জমিদার বাড়ি ছিল বহুবছর আগে।আর তারা মামা তাকে সেই জমিদার এর ই বংশধর দাবি করেন।আগের যেই জমিদার বাড়ির যেটুকু অংশ টিকে ছিল সেটা ভেঙ্গে কিছুটা ওই আলোকেই নতুন করে বাড়ি করছে তার মামা।যাই হোক আমরা পৌছানোর পর দেখি বাড়ি থেকে এক লোক বেড়িয়ে আসলো।এবং বললো আপনারা এসে গেছেন।আপনাদের মধ্যে রহমান সাহেব এর ভাগ্নে কোনটা?
সজিব:-এইতো আমি আপনার রহমান সাহেবের ভাগ্নে?
লোকটি বললো:- আসেন আপনারা ভিতরে আসেন।আমি আপনাদের মালপাত্র ভিতরে নিয়ে যাই।সাহেব আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছেন।
রোদেলা:-আপনে কি উনাদের কেউ হোন?কোনো আত্মীয়?
লোকটি বললো:-আমার নাম করিম।আমি এই বাসার একজন কেয়ারটেকার।ওনাদের খেয়াল রাখি আর সকল কাজেই প্রায় আমাকে লাগে রহমান সাহেব এর।আপনারা ভিতরে আসেন অনেক ক্লান্ত লাগছে আপনাদের।
বাড়িত ভিতর ঢুকতে ঢুকতে সজিব এর মাথায় একটা চাটি মেরে বললাম কিরে তোর মামার নাম তো বলিস নাই আমাদের।আর বাড়ি এমন জমিদার বাসার মতো এটা তো বলিস নি।আমারর সাথে বাকিরাও তাই জিজ্ঞেস করলো।
সজিব:-আরেহ ভুলে গেছি দোস্ত।এখন চলতো সবাই ভিতরে ঢুকি।
ভিতরে ঢুকে তো চোখ ছানাবাড়া আমার এত সুন্দর বাড়ি দেখে।দেখে মনে হচ্ছে কোনো এক রাজপ্রাসাদে প্রবেশ করেছি আমরা।তারপর দেখি এক মধ্যবয়সি ভদ্রলোক এগিয়ে আসলেন।দেখে মনে হলো ৫০ বছর এর মতো হবে বয়স।লোকটির সাথে তার স্ত্রী ও আসলেন।সজিব চিনতে পারলো মনে হলো মামা বলে এগিয়ে গেলো তিনি তাকে জরিয়ে ধরলেন।মহিলাটাও জরিয়ে ধরলো।আমাদের বুঝতে আর বাকি রইলো না যে এরাই সজিবের মামা,মামি।তারপর সজিবের মামা আমাদের দিকে ঘুরে বললেন হেয় কেমন আছো তোমরা?আমার নাম রহমান খন্দকার।আর ইনি আমার স্তী জামেলা বেগম।তারপর আমরা সবাই তাদের সাথে পরিচিত হলাম।তিনি আরো বললেন আমি শুধু সজিবের মামা এমন ভাববে না আমি তোমদের ও মামা।আমাদের তোমরা মামা, মামি বলে ডাকবে ওকে।আমরা সবাই বললাম ঠিক আছে বলবো।তারপর আমাদের সকলকে শরবত দিলেন জামেলা মামি।
রহমান মামা:-তোমাদের অনেক ক্লান্ত দেখাচ্ছে।তোমদের সবার ঘর প্রস্তুত করা আছে।তোমারা গিয়ে বিশ্রাম নাও।করিম ওদের ঘরে নিয়ে যাও?
করিম:-ওকে সাহেব।আপনারা আসেন আমার সাথে।
আমরা সত্যি অনেক ক্লান্ত ছিলাম।প্রায় ৮ ঘন্টার জার্নি এখানে পৌছাতে বিকেল হয়ে গেছে।তোহ কেয়ারটেকার এর সাথে গেলাম উপরে দিকে পাঁচটা ঘর পাশাপাশি আমাদের জন্য ঠিক করা হয়েছে।অনেক বড় বাড়ি আর কেউ থাকে না মনে হলো।উনাদের দুই ছেলেমেয়ে আছে তারা বিদেশে থাকে সজিব বলছিল।তোহ আর কিছু না ভেবে যে যার রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।রুমটাও অনেক সুন্দর আর সুন্দরভাবে সাজানো।আমি রুমেই গিয়েই ঘুমিয়ে পড়লাম।
ঘুম থেকে জাগা পেয়ে দেখি রাত ৮ টা বাজে।এতক্ষণ ঘুমিয়ে পড়ছি বুঝতে পারি নি। যাই নিচে যাই তার আগে সবার ঘরে গিয়ে দেখি সবাই কি করছে।তারপর যাইয়া দেখি কেউ রুমে নাই।ভাবলাম নিচে মনে হয় মামা,মামির সাথে গল্প করছে।নিচে গিয়ে দেখি সজিব,রায়হান,রোদেলা ও সুমি মামা মামির সাথে গল্প করছে।
আমি নিচে যেতে রহমান মামা বললো আবির ঘুম কেমন হলো।অনেক ঘুমালে দেখছি।
সুমি:-তোকে ডাকতে তোর ঘরে গেলাম কিন্তু দেখলাম তুই ঘুমাচ্ছিস তাই আর ডাকি নি।
আমি বললাম:-আসলে অনেক কান্ত ছিলামতো তাই..........
আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে
মামি বললো:-ঠিক আছে অনেক দূর থেকে জার্নি করে এসেছো ক্লান্ত থাকাটা স্বাভাবিক।তোমার জন্য অপেক্ষা করছিলাম তাই এখনো কেউ ডিনার করি নাই আসো খেতে বসো খাবার টেবিল এ।
খেতে বসে দেখি এলাহি কাণ্ড।মাছ,ডিম,মাংশ আরো কত কি।সে কি এলাহি কাণ্ড।আমাদের মধ্যে সজিব আর রোদেলা সেই খেতে পারে।তারা তো বসেই খাওয়া শুরে করে দিছে কে কি খাইতে পারে।মামি নিজের হাতে আমাদের খাবার বেড়ে দিলেন।চাকরও ছিল সাহায্য করে দিচ্ছিল তারা।তোহ খেতে খেতে মামা অনেক কথা বলতে লাগলেন।এখানকার ইতিহাস।এই জায়গায় আগের জমিদার এর ব্যাপারে অনেক কিছু বললেন।তাদের ছেলেমেয়েদের কথা বললেন।গ্রামের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বললেন।মামা আরো বললেন সিলেটের চা বাগান সহ আরো দেখার মতো জায়গা আছে তোমরা ঘুরে বেড়াইও।কিন্তু আমার বাড়ির পিছনে একটা আমবাগান আছে তার সাথে আরো একটা ছোট পুরাতন জমিদার বাড়ি আছে।সেখানে ভূলেও যেয়ো না।ওখানে দিনের বেলাতেও কেউ যেতে সাহস করে না।
আমার অনেক কৌতুহল হলো আমি মামাকে বললাম মামা কেনো জায়গাটা ভৌতুক।কোনো পুরাতন কাহিণি থাকলে বলেন।
এবার রায়হান ও বললো মামা কি কাহিণি বলেন আমাদের।
মামা বললো:-আজই এলে এখন এসব বলতে চাই না তোমাদের।পরে সময় সুযোগ করে বলবো নি।
মামা বিষয়টা এড়িয়ে গেলেন কোনোভাবে।আমরাও খাওয়া শেষ করে যে যার ঘরে গেলাম।কিন্তু আমার যেন চোখে ঘুম আসছে না।খালি ভাবছি কি আছে সেই জমিদার বাড়িতে?কি এমন রহস্য আছে সেখানে?সেখানে না গেলে তো কিছুই বুঝতে পারবো না।দেখি কাল সবাইকে বলতে হবে এই বিষয়ে।
তারপর কি হলো? রহস্যের দিকে আস্তে আস্তে আরো এগিয়ে যাচ্ছে আবির ও তার বন্ধুরা সেটা জানতে পরবর্তী পর্ব৩ এর জন্য অপেক্ষা করুন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now