বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অভিশপ্ত আয়না পর্ব১:-
আমি আবির।আমি ভূত,আত্মা,জ্বীন এগুলো নিয়ে তেমন একটা বিশ্বাস বা ভয় করি না।আমি অনেক সাহসি সবাই তাই বলে আরকি।কিন্তু আমার জীবনে এমন একটা ঘটনা ঘটে গেছে যা আমার নয় শুধু আমার আরো চার বন্ধুকে অনেকদিন ভুগিয়েছে এবং এখনো সেই ঘটনা মনে পড়লে আমাদের গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যায় রাতে ঘুমাতে পাড়ি না। যার প্রেক্ষিতে আমরা কখনো চাইবে না আর কখনো এমন কোনো কিছু ঘটুক অন্য কারো সাথে।আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে
আমরা পাঁচ বন্ধু আমি- আবির,রায়হান,সজিব,রোদেলা ও সুমি ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।বলে রাখা ভাল আমরা পাঁচ জন খুব ভালো বন্ধু।আমরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়ি।আমরা সবাই খুব ভ্রমণ প্রিয়।এর আগেও ঢাকার আশেপাশে ঘুড়িয়ে বেড়িয়েছি।তোহ আড্ডার এক পর্যায়ে
আমি বললাম:-বাংলার এই সাহিত্য পড়ে পড়ে আমি ক্লান্ত হয়ে গেছিরে।এই ঈদের ছুটিতে দূরে কোথাও ঘুরে এলে ভাল হয় না কি বলিস তোরা?
রোদেলা:-আবির ঠিক বলছিস।এসব সাহিত্য পড়ে পড়ে জীবন ত্যানা ত্যানা হয়ে গেছে। দূরে কোথাও ঘুরে এলেই ভাল হয়।
রায়হান:-তাহ কোথায় যাওয়া যায় বলতো?
সজিব:-আমার এক মামা থাকে সিলেটের বানিয়াচং গ্রামে সেখানে আমাক যেতে বলে।আমি ছোটবেলায় আব্বু আম্মুর সাথে শেষ গেছিলাম।মামা অনেক যেতে অনুরোধ করে।চল সবাই মিলে সিলেট ঘুরে আসি।
সুমি:-ওহ দোস্ত কি শুনাইলি সিলেট আমার অনেক পছন্দের জেলা।আর বানিয়াচং তো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম।এই সুযোগ চল ঘুরে আসি।
আমি বললাম:-সবাই যেহুতু রাজি সজিব তোর মামা কে জানাই দে যে আমরা ঈদে তোর মামার গ্রামে যাবো বেড়াতে।
তারপর সজিব সাথে সাথেই ফোন করে জানিয়ে দিল যে আমরা ঈদের ছুটিতে যাচ্ছি সিলেট।
দেখতে দেখতে রোজা শেষ হয়ে গেল।ঈদ এসে গেল।আমরা ঠিক করছিলাম যে ঈদের ২দিন পর যাবো।তাই সেই মোতাবেক যে যার বাসা থেকে সবাই ঈদের পরের দিনই ঢাকাতে উপস্থিত হলাম।আমরা আগেই টিকিট কেটে রেখে ছিলাম।আমাদের বাস সিলেটের দিকে যাত্রা শুরু করবে সকাল ৮টায়।আমরা সকাল ৭.৩০ টার দিকেই পৌছে গেলাম সবাই।তোহ সবাই বাসে উঠে পড়লাম।আমাদের সাথে আরো কিছু যাত্রি ছিলো যারা সিলেট যাবে।ঘড়ির কাটায় সকাল ৮ টা আমাদের বাস যাত্রা শুরু করে দিল সিলেটের দিকে।আমরা হাসি,ঠাট্টা,আনন্দ করে সিলেটের দিকে যাচ্ছিলাম।ছয় ঘন্টা জার্নি শেষে দুপুর ২ টায় আমরা সিলেটে পৌছালাম।সেখান থেকে আবার বাসে করে হবিগঞ্জ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম।বলে রাখা ভাল বানিয়াচং গ্রাম হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে পড়ে।প্রায় ২ ঘন্টা পর আমরা হবিগঞ্জ পৌছালাম।তারপর একটি ভ্যান ঠিক করে আমরা সবাই বানিয়াচং গ্রামে সজিব এর মামার বাড়ির দিকে যেতে থাকলাম।গ্রাম্য মেঠোপথ দুই পাশে ধানের ক্ষেত চারিদিকে সবুজ আর সবুজ।এগিয়ে চলছি আমরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রামের মধ্য দিয়ে।ইট কাঠের ব্যাস্ত নগরী ঢাকা থেকে বেড়িয়ে গ্রামের অপূরুপ সৌন্দর্য এর মাঝে মুক্ত বাতাসে নি:শ্বাস নিতে পেরে মনটা জেন জুরিয়ে যাচ্ছে।তাইতো আমরা সবাই গলা ছেড়ে গাইতে লাগলাম
" গ্রাম ছাড়া ঐ রাঙ্গা মাটির পথ
আমার মন ভুলায় রে"
আর তার সাথে সাথে রায়হান তার গিটার বাজাতে লাগলো এবং আমরা পথ চলতে লাগলাম।প্রায় ৩০ মিনিট পর আমরা সজিব এর মামার বাসায় পৌছালাম।
তারপর কি হলো?
জানতে পরবর্তী পর্ব২ এর জন্য অপেক্ষা করুন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now