বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভীমানি♥মন-৭

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (০ পয়েন্ট)

X #অভিমানী♥মন . লেখক-ইমরান খান . পার্ট-৭ . রাফিদের বাড়ি ফিরে এলাম। বিয়ে প্রস্তুতি খুব তাড়াতাড়ি চলছে। আমি দাড়িয়ে দেখছিলাম। তখন একটা ফোন এল। . . - হ্যাল কেমন আছিস?? (ওইপাশ থেকে) . - ভালো আঙ্কেল। . - ফিরবি কবে?? . - খুব তাড়াতাড়ি। . - দেখা হয়েছে। . - না এখনো হয় নি। . - ভালোবাবে থাকিস। . -বাই . . ফোনটা কেটে দেখি পিছনে রাফি দাড়িয়ে। . - কিরে কিছু বলবি। . - কার সাথে কথা বলছিলিস। খুব তাড়াতাড়ি,, না এখনও হয় নি। কি বলছিলিস এইসব। . - এই আমার প্রতিবেশি,, জানতে চাইছিল কবে ফিরবো। . - তোর প্রতিবেশি বাঙ্গালি?? . - কেন অন্যদেশে কোন বাঙ্গালি থাকতে পারেনা। . - পারবে না কেন?? ওটা বাদ দে তুই আবার ফিরে যাবি কেন?? . - তাহলে কি এখানে তোর বাড়িতে থাকবো। . - আরে আমার মনে হয় এত বছর পর তুই ফিরে এসেছিল সবাই তোকে ক্ষমা করে দিবে। . - আমি কি কোন দোষ করেছিলাম। . - না তা করিস নি। কিন্তু সবার চোখে তুই তো দোষী। . - আমার মনে হয় না। . - আমি তোর পরিবারের সাথে কথা বলি। . - শোন তোকে একটা কথা বলি " আমি যে চেয়েছি তা কখনও পাই নি, আর যা পেয়েছি তা কখন চাই নি"। আমিও পরিবার নিয়ে জীবন কাটাতে চেয়েছিলাম,, কিন্তু পেয়েছি একা জীবন। সুখে আশা করেছিলাম কিন্তু দুঃখ ছাড়া কিছু পাই না। তাই আর মিথ্যে স্বপ্ন দেখা না। . . আমি ওইখান থেকে চলে এলাম। রাফি দাড়িয়ে ভাবছে যে করেই হোক সানিকে ওর পরিবারের সাথে মেলাবো। সানি অনেক কষ্ট পেয়েছে আর পেতে দিবো না। . . সবাই ব্যস্ত শুধু আমি ছাড়া। আকাশে গৌধুলি নেমেছে। বরাবর এই সময়ের আকাশটা আমার পছন্দ। তাই আকাশটাবে দেখছি। . - এই সময় আকাশটাকে অনেক সুন্দর দেখা যায়। ঠিক বলছি কিনা। . পাশে দেখি মনিশা। আমি এতটাই মগ্ন ছিলাম যে পাশে কে আছে সেটা দেখতে পাইনি। . - আচ্ছা আপনি কি বরাবরি এত নিশ্চুপ ছিলেন। (মনিশা) . - কেন নিশ্চুপ থাকা মানা নাকি। . - না ওটা কেন থাকবে। কিন্তু আপনার আচরন দেখে মনে হয় আপনি এমন কেন সময় পার করে এসেছেন যা আপনাকে নিশ্চুপ করে দিয়েছে। . - (আমি অবাক হলাম এই মেয়ে কিভাবে বুজলো) . - নিরবতাই সম্মতির লক্ষন। মানে আমি যা বলেছি সব সত্যি। আপনার মনে হয়ত প্রশ্ন আমি কিভাবে বুজলাম। আমার দাদু বলতেন যারা নিশ্চপ থাকে তাতে দুইটা কারন থাকে। এক,,, সে যে ছোট থেকে নিশ্চুপ থাকতে পছন্দ করে। আর দুই,,, সে যাকে জীবনের কোন এক পার করা সময় নিশ্চুপ করে দিয়েছে। আপনি দুই নাম্বারটা। . - সব প্রশ্নের উত্তর থাকে না। সেটা জানার চেষ্ট না করাই ভালো। . সূর্য অস্ত গিয়েছে,, তাই আমিও ফিরে এলাম। . . মনিশা বুজতে পেরেছে ওই ঠিক। মনিশা ভেবে ছিল সানিকে জালাবে। কিন্তু নিলা(মানে ওর বোন) কাছে যখন সানির অতীত জানতে পারলো সব চিন্তা বাদ দিল। মনিশা শুধু ভাবছে এত কষ্ট নিয়ে কিভাবে বেচে আছে। আজ সকালে যখন নিলা রুমে যায় তখন এই সব জানতে পারে। . . - আপু তোর বরে বন্ধু এমন কেন?? এমন ভাব নেয় যেন ওনার মতো কেউ নেই। ওনিই সেরা। (মনিশা) . - ভাইয়া মোটেও এমন নয়। (নিলা) . - বুজিনা তোর এমন কি হয়েছে সব সময় ভাইয়া ভাইয়া করিস। এর নিজেকে বড় ভাবা বন্ধ করবো। সবার সামনে এমন ছোট করবো। . - তুই সব কিছুই করবি না। . - কেন তোর এতে কি সমস্যা?? এর আগে অনেকে সাথে এমন করেছি,,তখন তো মানা করিসনি। . - যাদের সাথে করেছিস তাদের সাথে ভাইয়া অনেক পাথর্ক্য। . - কি পাথর্ক্য আছে?? . - আচ্ছা ধর,, তুই কোন দোষ করিস নি তার পরেও তোকে বিনাদোষে শাস্তি দেওয়া হলো। পরিবার থেকে আলাদ করে দেওয়া হলো। তুই যাকে ভালোবাসিস সেও তখন তোর হাত ছেড়ে দিল। আর তুই সব ছেড়ে অন্য দেশে চলে যেতে হলো তাহলে তুই কি করবি। . - আমি তো মরেই যাবে। কারন আমি বাবা- মাকে না দেখে থাকতেই পারবো না। . - তাহলে যে মানুষটা ৭ বছর ধরে তার প্রিয়জনদের মুখ না দেখে থেকে। যাদের ছাড়া এক মুহুর্ত থাকতে পারতো না। তাকে আরো কষ্ট দেওয়া ঠিক হবে। . - না একদমি না। . - তাহলে তাকে কেন কষ্ট দিতে চাচ্ছিস। . - মানে তুই কার কথা বলছিস!! . - ভাইয়া কথা,, . - মানে দুইভাইয়ের বন্ধু কুয়াশা কথা। . - হ্যা,, কিন্তু নাম কুয়াশা নয় সানি দেওয়ান। . - মানে... . - নিলা আমার জীবনে ঘটা সব ঘটনা বলল। . - এত কিছু হারিয়ে,, কিভাবে বেচেঁ আছে তাই ভাবছি। . - তুই তো তোকে কষ্ট দিতে চাচ্ছিলিস। . - তার মানে এর জন্য ওনি রিয়া সাথে দেখা করতে চাইলো। . - রিয়া কে?? . - আমার ক্লাস-মেট আর তোর ভাইয়ার বোন। . - সানি ভাইয়াকে তুইতো ভাইয়া ডাকতে পারিস। . - তুই ভাইয়া ডাকিস বলে আমাকেও ডাকতে হবে। . . এটা বলে মনিশা চলে এল। মনিশা আজ যদি জানতে না পারতো তাহলে এমন কোন কাজে সানিকে দোষী বানাতো সেটা জন্য কি হতো মনিশা সেটা নিজেও জানে না। কিন্তু মনিশা এটা ঠিক করেছে রিয়া সাথে সানির দেখা করাবে। এক ভাইকে অনেক সময় পর তার বোনের সাথে দেখা করাবে। . . মনিশার মনে সানির জন্য একটা অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছে। যেটা কখনও কারো জন্য হয়নি। মনিশা জানেনা এই অনুভূতির নাম কি?? হয়তো ভালোবাসা। মনিশার জানা নেই সানি কখনও এটা মানবে কিনা। কিন্তু এই অনুভূতিকে যে কেউ কন্টোল করতে পারে না। মনিশা শুধু ওর জন্য সানির মনে অনুভূতির সৃষ্টি করতে হবে সেটা যে করেই হক। সানি অতীত থেকে এটা বুজতে পেরেছে একবার সানির মনে জায়গা করতে পারলো সানি কোন দিন ছেড়ে যাবে না। . রাতেঃ কাল বিয়ে সবাই রাতে আড্ডা দিচ্ছে। মনিশা লক্ষ্য করলো যেখানে সানি নেই। তাই ওইখান থেকে উঠে সানিকে খুজতে গেল। মনিশা দেখে যে সানি সবার থেকে দুরে বসে আছে। . . আগে আমার কোলাহল ভালোলাগতো। কিন্তু এখন লাগে না। আমার জীবনের সব খুশি হারিয়ে গেছে। তাই আলো চেয়ে অন্ধকারটাই বেশি পছন্দ। আমি বসে আছি হঠাৎ কে যেন হাত ধরে টানা শুরু করলো। অন্ধকার হওয়ার কারনে ভালোবাবে দেখতে পারছি না। টানতে টানতে যখন আলোতে নিয়ে এসেছে তখন বুজতে পেরেছি মনিশা। . . - আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছ। . - সবাই যেখানে আছে। (মনিশা) . - তা আমাকে নিয়ে যাচ্ছেন কোন?? . - দুলাভাই আপনাকে খুজছে তাই। . . আমাকে সব কাছে নিয়ে গেল। . - রাফি তুই আমাকে খুজছিস?? . - কেই নাতো। (রাফি) . - তাহলে মনিশা যে বলল তুই আমাকে খুজছিস। . - আরে আমি তো আপনাকে এখানে নিয়ে আসার জন্য বলেছি। আপনি অপরিচিত লোক আছে বলে আসতে চাচ্ছিলেন না। তাই এইভাবে নিয়ে আসলাম। (মনিশা) . - আরে এখানে বস। (রাফি) . কিছু বলতে পারলাম না। ইচ্ছা না থাকার পরেও বসতে হলো। মনিশা এর মধ্যে আরেক সমস্যা বাধিয়ে দিল। . - দুলাভাই তুমি বলেছিলে তোমার বন্ধু ভালো গান গাইতে পারে। একটা গান গাইতে বল না। (মনিশা) . রাফি ওদের সাথে তাল মিলিয়ে - হ্যা একটা গান গা। (রাফি) . - আরে আমি ৭ বছরের উপরে হয়ে গেছে গান গাই না। এখন মনে হয় পারবো না। . - প্লিজ ভাইয়া গাও না,, আমার জন্য। (নিলা) . . নিলা কথা ফেলতে পারলাম না। তাই একটা গান গাইলাম। অনেক সময় পর গান গাইলাম। জানি না কেমন হয়েছে। কিন্তু সবাই বলল অনেক ভালো হয়েছে। আগে মিশু অনুপেরনায় গান গাওয়া শুরু করেছিলাম। তারপর এত বছর আর গাই নি। অনেক সময় পর আবার গাইলাম।........... To Be Continue


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভীমানি♥মন-৭

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now