বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক: অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় MH2
ইভা, তুবা আর সুস্মিতা চা বানিয়ে আনল।আমরা চা খাচ্ছি।চা টা মারাত্মক ভালো হয়েছে।
সাবিরা: ইভা আপু,তোমার বানানো চা তো খুব সুন্দর হয়।
অবন্তী: এতো দিন জানতাম ইসু শুধু চা খেতে জানে,এতো ভালো চা বানাতে যে জানে জানতাম না।
মফিজুল: হ্যা,ইভা আপুর বানানো চা খুব সুন্দর হয়েছে,আমার তো এখন প্রতিদিন ইভা আপুর বানানো চা খেতে হবে।
সুস্মিতা: মফিইইই, চা কী শুধু ইভা আপু বানিয়েছে??? আমিও তো বানালাম,আমার প্রশংসা কই??? তুই একবারও আমার প্রশংসা করিস না??? তুই আমার বন্ধু না।
মফিজুল: আরে আরে কাঁদে না,আমি তো তোরও প্রশংসা করতাম,তুই সময় দিলি নাকি???
সুস্মিতা: আমি জানি তোর প্রশংসা,জীবনেও করতি না।
বলেই সুস্মিতা চলে যেতে লাগল।মফিজুল চা ফেলে ওকে শান্ত করতে পিছনে ছুটে চলল।আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি দুই বন্ধুর মধ্যে আজ প্রচন্ড ঝগরা হবে।
তুবা: এইযে সবাই,সবাই তো ইভারই প্রশংসা করছে,আরে আমি যে এতো কষ্ট করে চা বানালাম,আমার প্রশংসা কই??? আমায় কেউ দেখেই না,দরকার নাই আমার প্রশংসার।
হৃদয় ভাই: আরে তুবা বুড়ি,তোমারও তো প্রশংসা করতাম।
সিয়াম: আরে আমরা তো সবে প্রশংসা করব ভাবছি,ওমনিই তুমি বলে ফেললে।
তুবা: বলতে হবে না,আমি বুঝেছি সব বুঝেছি,আমি সব বুঝি,তোমরা শুধু ইভারই প্রশংসা করতে,আমি থাকতাম না।
তুহিন: সত্যিই সকলের উচিৎ ছিল সকলের প্রশংসা একসাথে করা।
তুবা: এখন মিল দেখাতে হবে না,বাদ দাও এইসব।
রুবি আপু: তুবা,সবার ভুল হয়ে গেছে,আর করবে না।এসব এখন বাদ দাও।
তুবা: তুমি বলছ বলে রুবা আপু আমি বাদ দিচ্ছি। পরের বার এমন হলে কিন্তু.....
মি. A,কাব্য ভাই,রনি ভাই,সাঈম ভাই,আনিস ভাই এরা সবাই হাসছিল।
আমার মতে জিজেতে ঝগরা হলে খুব মজা লাগে।
আমি: জিজের সকলের ঝগরা কতো মজার তাই না??? আ্যামাজনের বনে চাঁদনি রাতে সকলে একসাথে বসে আড্ডা আর ঝগরা খুব জমছে,আমার খুউউব ভালো লাগছে।
রামিশা: এই ঝগরা করার জন্যই আমায় সবাই এতো মনে রাখে।যদিও এখন ঝগরা করা ছেড়ে দিয়েছি।
সামির: তুমি ঝগরা ছাড়লেও তো খালি আমার সাথে ঝগরা লাগ
রুবি আপু: রামিশা,এবার বল ঝগরা কর কেন ওর সাথে???
সিয়াম: আমার সাথেও তো ইদানিং লাগছ।
রামিশা: আরে বুঝস না অভিনয় করি।আর তোদের তো ভালবাসি।বুঝস না??? আমি মজা করি না গো এফ ভি???
হৃদয় ভাইয়া: হ্যা, FS এসব মজা করেই করে।তাই তো সবাই তাকে মিস করে এত্তো।
সাঈম ভাইয়া: আরে এবার তো একটু থাম।মি.A কে বলতে দাও।
তাসমিহা: গম্ভীর ভাইয়া,একটু মজা করছি,দিলেন সব বাদ দিয়ে।আচ্ছা A চাচা শুরু করে দিন।
রনি ভাই: আচ্ছা মজা কাল করলেও চলবে।
আনিস ভাইয়া অপরাজিতা ভাবীর পাশে বসে বসে চাঁদ দেখছিল।তিনি শুনলেন আবার অভিযানের গল্প শুরু হবে,তাই চলে আসলেন।মফিও সুস্মিকে নিয়ে চলে আসল।হৃদয় ভাইয়ার পাশে আনিকা আর ফারহান এসে বসল।
কিবরিয়া: মি.A শুরু করুন।
মি.A আমাদের কথায় মজা পাচ্ছিলেন।এখন আবার শুরু করলেন।মি.A বলতে লাগলেন,,,
" আমি,বাবা আর ডেনিয়েল আঙ্কেল সব প্রস্তুতি শেষ করে ভিক্টোরিয়া জাহাজে চড়লাম।এটাই ছিল আমার প্রথম সমুদ্র ভ্রমণ।বাবা আর ডেনিয়লে আঙ্কেল কতোবার এসেছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই।
আমি বিশাল সমুদ্র,সমুদ্রের ঢেও,সূর্যোদয় আর অস্ত যাওয়া দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
আমরা জাহাজের ক্যাপ্টেনের সাথে কথা বললাম।ক্যাপ্টেনের নাম হলো ক্যাপ্টেন রাসেল।লোকট যথেষ্ঠ ফিট এবং ভালো গড়নের।বয়স বুঝা যায় না।তবে বুঝা যাচ্ছে আনুমানিক ৫০ বছর বয়স হবে।ইংরেজি বলার ধরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে ওনি একজন স্পেনিশ। আমি ভেবেছিলান ক্যাপ্টেন হবেন গম্ভীর প্রকৃতির হবেন।কিন্তু আমার ধারণা ভুল হলো,ওনি যথেষ্ঠ মিশুক মানুষ আর আমার বাবার বন্ধু।বেশ ক্ষানিকক্ষণ কথা হলো।তারপর আমরা আমাদের কেবিনে চলে আসলাম।আমি আলাদা রুমে আর আব্বু আর ডেনিয়েল আঙ্কেল আলাদা রুমে।প্রথম দিকে আমার খুব আনন্দ হচ্ছিল।কিন্তু কয়েকদিন পরই আমায় সমুদ্র পীরায় ধরল।এটা যে কতো খারাপ জিনিস তা তোমরা বুঝবে না।আমার মাথা ব্যাথা করত,কিছু খেতে ইচ্ছা করতে না।শুয়ে থাকতে হতো।আমার বাবা বা ডেনিয়েল আঙ্কেলের কোনো পীরা নেই,ওরা বহাল তবিয়তে আছে।সমুদ্র ভ্রমণের আরও একটা ভয়ঙ্কর দিক দেখলাম যখন ঝর উঠল।সমুদ্রের ঝর মারাত্মক ভয়ঙ্কর।জাহাজ বারবার দুলছিল।অনেক বড় বড় ঢেও উঠছিল।জাহাজের সবাই চিৎকার করছিল আর ছোটাছোটি হচ্ছিল।অনেক চেষ্টার পর ঝরের বিপদ মোকাবেলা করা গেল।ঝর থামল। আরও কয়েকদিন পর,,,,,
[ কী হলো তা জানতে পরের পর্বের অপেক্ষা করুন।কেমন লাগল এ পর্ব??? আর আমি চরিত্রে বা মি.A চরিত্রে নিজেকে কল্পনা করুন।আশা করি আমার কষ্ট সফল হবে এবং আপনাদের ভালো লাগবে।]
চলবে,,,
আল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now