বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পার্ট : ৬
সেজন্যই এই বইটা লিখতে বসেছি । চিন্তা করার জন্য । বোঝার জন্য । কিছু ভালোভাবে বুঝতে হলে আমাকে লিখতে হয় । আমার অভ্যেস এভাবে চিন্তা করা । নাওকো সেদিন কি নিয়ে কথা বলছিল তা দিয়ে শুরু করা যাক । ঘাসের মাঠের মধ্যে একটা কূয়ো । এরকম কোন কূয়ো থাকতে পারে আমার কোন ধারণা ছিল না । এটা ছিল সম্ভবত নাওকোর কোন কল্পনা, যা কিনা খালি ওর মনেই থাকা সম্ভব । সেসব খারাপ দিনগুলোতে এরকম অনেক ব্যাপার -স্যাপার ওর মাথায় ঘুরত । সে আমাকে কূয়োর বর্ণনা দিয়েছিল । তারপর থেকে আমি কূয়ো ছাড়া ঘাসভূমির দৃশ্য মন থেকে বের করতে পারিনি । যে কূয়ো আমি কখনও চোখে দেখিনি সেইদিন থেকে তা আমার দেখা ঘাসভূমির একটা অংশ হয়ে গিয়েছিল । এমনকি এক মিনিট ধরে স্রেফ সেই কূয়োর বর্ণনাই দিতে পারবো । কূয়োর অবস্থান হল ঘাসভূমির একদম শেষে, যেখান থেকে বন শুরু হয়েছে । ঘাসের ভেতর অদৃশ্য হয়ে থাকা একটা অন্ধকার গভীর গর্ত । বাইরে থেকে কিছু বোঝার উপায় নেই, কোন বেড়া বা কিছু দিয়ে চিহ্নিত করা নেই । হা করে থাকা গর্ত । কূয়োর বাঁধানো পাথরগুলো বয়সের ভারে ধূসর হয়ে ফেঁটে গেছে । ফাঁটলগুলোতে সবুজ গিরগিটি বাস করে । চাইলে নিচু হয়ে কূয়োয় উঁকি দিতে পারেন কিন্তু কিছু দেখতে পাবেন না । (চলবে. . .)