বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পার্ট : ১৬
তাছাড়া কোথায় থাকছি তা নিয়ে আমার খুব একটা মাথাব্যাথা ছিল না । ডরমেটরিটা ছিল শহরের মাঝখানে একটা পাহাড়ের উপর । চারকোনা একটা জায়গা,কংক্রিকের দেয়াল দিয়ে চারদিক ঘেরা । মেইন গেইটের ঠিক ভেতরেই একটা বিশাল জেলকোভা গাছ । লোকজন বলতো গাছটার বয়স কমপক্ষে দেড়শ বছর । পাতা এত ঘন ছিল যে নিচ থেকে তাকালে উপরে আকাশ দেখা যেত ন । মেইন গেইট থেকে বাঁধানো রাস্তা এসে গাছটাকে পাশ কাটিয়ে কংক্রিটের বিল্ডিং ছিল । প্রচুর জানালাওয়ালা এই বিশাল বাড়িগুলা দেখলে মনে হত কোন জেলখানাকে বদলে অ্যাপার্টমেন্ট বানানো হয়েছে । অথবা হয়তো কোন অ্যাপার্টমেন্টকে জেলখানা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে । যদিও কোন নোংরা কিংবা খারাপ কিছু ছিল না । জানালাগুলো দিয়ে রেডিওর শব্দ ভেসে আসতো । সবগুলো জানালাতেই একইরকম ক্রিম রঙের পর্দা ছিল যাতে রোদে রঙ চটে না যায় ।ডরমেটরি বিল্ডিং দূটোর পর রাস্তাটা গিয়ে শেষ হয়েছিল একটা দোতলা কমন বিল্ডিঙে । একতলায় ছিল ডাইনিং হল আর গোসলখানা । দোতলায় ছিল অডিটোরিয়াম,মিটিং হল আর গেস্টরুম,যেটার কোন ব্যবহার আমি কোনদিন দেখিনি । কমন বিল্ডিঙের পাশে তৃতীয় আরেকটা ডরম,একইরকম তিনতলা বিল্ডিং । (চলবে. . .)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now
X
পার্ট : ৩১
"ডরমে থাকতে কেমন লাগছে তোমার?" জিজ্ঞেস করল সে । "এতগুলো মানুষের সাথে একসাথে থাকতে অনেক মজা না অনেক?" । "এখনও জানি না । মাত্র তো একমাস হল । খারাপ না । মনে হয় চালিয়ে নিতে পারবো" । একটা বেসিনের কাছে দাঁড়িয়ে এক চুমুক পানি খেল সে । মুখে একটু পানি ছিটিয়ে পকেট থেকে রুমাল বের করে মুছে নিল । তারপর একটু বেঁকে শক্ত করে বাঁধল জুতার ফিতে । "তোমার কি মনে হয় আমি থাকতে পারতাম?" । "কি?ডরমেটরিতে?" । "হুম" । "আমার মনে হয় এটা নির্ভর করে তুমি কিভাবে দেখছো । তুমি চাইলে অনেক কিছুতেই বিরক্ত হতে পারো । ডরমের নিয়ম,বজ্জাত পোলাপান যারা নিজেদেরকে অনেক চাল্লু ভাবে,রুমমেট যে ভোরবেলায় উঠে ব্যায়াম করে । কিন্তু একটা নিয়ে ভাবছে । আমার দিকে এমনভাবে তাকাল যেন অদ্ভুত কিছু একটা দেখছে । ওর চোখ এত গভীর আর স্পষ্ট যে তাকাতে দেখে আমার হার্টবিট বেড়ে গেল । আগে কখনও ওর চোখের দিকে এভাবে খেয়াল করিনি । সেবারই প্রথম আমরা একসাথে এরকম হাঁটতে বের হয়েছি বা এত কথা বলেছি । "তুমি কি ডরমে ভর্তি হওয়ার কথা ভাবছো নাকি?" জিজ্ঞেস করলাম আমি । "নাহ,"বললো সে । "আমি খালি কল্পনা করছিলাম ডরমের জীবন কেমন হতে পারে । আর..." (চলবে. .)