বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নরকের দরজা

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Jamee(জামি) (০ পয়েন্ট)

X তুর্কেমেনিস্তানের Darvaz শহরে অবস্থিত এটি একটি জলন্ত গর্ত। জলন্ত জায়গাটি Door to Hell নামে সুপরচিত। নরকের দরজাটি ভয়ঙ্কর সুন্দর লাগে রাতে। তখন অনেক দুর থেকেই জায়গাটা দেখা যায়ই, এর শিখার উজ্জ্বলতাও ভালমতো বুঝা যায়। সেখানকার উত্তাপ এত বেশি , কেউ চাইলেও ৫ মিনিটের বেশি সেখানে থাকতে পারবেন না। ১৯৭১ সাল থেকে জায়গাটি অবিরত দাউ দাউ করে জ্বলছে। কারাকুম মরুভুমিতে অবস্থিত অগ্নিমুখটির ব্যস ৭০ মিটার ও গর্ত ২০ মিটার দীর্ঘ।যদিও এটি প্রাকৃতিক কোন গর্ত নয়। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ দারউয়িজি এলাকায় গ্যাস অনুসন্ধানকারীরা গ্যাসবহুল গুহার মধ্যে মৃদু স্পর্শ করলে দুর্ঘটনাক্রমে মাটি ধসে পুরো ড্রিলিং রিগসহ পড়ে যায়।পরিবেশে বিষাক্ত গ্যাস প্রতিরোধ কারার জন্য ভূ-তত্ত্ববিদগণ তখন গ্যাস উদগীরন মুখটি জ্বালিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেন।তাঁরা আশা করেছিলেন , এর ফলে কয়েকদিনের মধ্যে গ্যাস উদগীরন বন্ধ হবে।কিন্তু তা হয়নি। গত ৪৯ বছর ধরে অগ্নিমুখটি অনবরত জলছে। ১৯৭১ সালে এখানে গ্যাস খনির সন্ধান মেলে। প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে বিষাক্ত গ্যাসের ব্যাপারে গবেষকরা নিশ্চিত হন যার পরিমান ছিল সীমিত। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, এই গ্যাস শেষ করা হবে ফলে এর বিষাক্ততা ছড়ানোর সুযোগ পাবে না।এরপর এখানে গর্ত করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু গবেষকদের অবাক করে দিয়ে তা এখনও একাধারে জ্বলছে। অথচ গবেষকরা নিশ্চিত ছিলেন যে, অল্প কয়েকদিনের মধ্যে এই গ্যাস শেষ হবে এবং আগুন নিভে যাবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নরকের দরজা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now