বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নৃশংস পৈশাচিকতা

"অদ্ভুতুড়ে" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mysterious Udoy (০ পয়েন্ট)

X একটা চাপা অস্বস্তিতে ঘুমটা ভাঙে দিপ্তর।মাথার উপর ফ্যানটা তখনো ঘট ঘট শব্দে ঘুরছে।তবুও অস্বস্তি ফিল করছে দিপ্ত।বিছানা থেকে নেমে ওয়াশরুমের দিকে প বাড়ায় সে।ভালো করে হাত মুখ ধুয়ে ঘড়ের লাগোয়া বারান্দাটায় গিয়ে দাঁড়ায়।একটু আগে বৃষ্টি হয়েছে।তখনো গুরি গুরি বৃষ্টি পড়ছে।বাইরের ঠান্ডা হাওয়ায় দিপ্তর অস্বস্তি কেটে গেল।কিছুক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে থেকে ঘড়ে ফিরে আসে সে।ঘড়ে ফিরে যখন বিছানার দিকে এগিয়ে যায় সে তখন একটা জিনিস দেখে সে আঁতকে ওঠে।বিছানায় কেউ শুয়ে আছে।কিন্তু তা কি করে সম্ভব।দরজা তো ভেতর থেকে লক করা।ভেতরে প্রবেশ করলে তো দরজা খুলে তারপর আসতে হবে।তাছাড়া বাড়িতে দিপ্ত আর তার মা ছারা কেউ আর থাকেনা।নিশ্বব্দে দাঁড়িয়ে এইসব ভাবতে থাকে সে।তারপর মনের অজান্তেইই বলে ওঠে,,"কে শুয়ে আছে"? কোনো উত্তর না পেয়ে আবার একই প্রশ্ন করে দিপ্ত।এবার শুয়ে থাকা লোকটা তার দিপ্তর দিকে ফিরে তাকায়।আর দিপ্ত যা দেখল তা দেখে যেন ওর হ্রৎপিন্ডটা এক লাফে বাইরে বেরিয়ে এল।দিপ্ত দেখল সে নিজেই বিছানায় শুয়ে আছে।অবিকল দিপ্তর মত দেখতে সেই লোকটা।তবে চোখটা বেশ লাল।দিপ্ত মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছে।একসময় দিপ্ত দেখল সেই লোকটা বিছানা থেকে নেমে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে তার দিকে।দিপ্ত মারত্মক ভয় পেল।কোনোভাবে দরজা খুলে দৌড়ে বাইরে বেরিয়ে এসে একটা চিৎকার করে জ্ঞান হারায়।জ্ঞান ফিরতে দিপ্ত নিজেকে হসপিটাল বেডে আবিষ্কার করে।দিপ্তর জ্ঞান ফিরতে দেখে তার মা দ্রুত ডাক্তারকে ডাকে।ডাক্তার এসে দিপ্তকে কিছু প্রশ্ন করে।কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও দিপ্ত কোনো কথা বলতে পারল না।ডাক্তার জানায় মারাত্মক ভয় পাওয়ার কারণে কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে।একটু পরেই ঠিক হয়ে যাবে।পরেরদিন হসপিটাল থেকে বাড়ি ফিরে আসে দিপ্ত।সেই রাতের ঘটনা বলে তার মাকে।মা ভয় পেলেও খুব একটা গুরুত্ব দেয় না।তারপর কয়টা দিন স্বাভাবিক ভাবেই কেটে গেল।একদিন রাতে একটা অদ্ভুত শব্দে ঘুম ভেঙে যায় দিপ্তর।সে বুঝতে পারে শব্দটা বারান্দা থেকে আসছে।দিপ্ত ধীরে ধীরে বারান্দায় গিয়ে উপস্থিত হয়।আর ভয়ানক একটি দৃশ্য দেখতে পায়।একটা লোক একটা লাশ থেকে মাংস খুবলে খুবলে খাচ্ছে।দেখে মনে হচ্ছে বহুদিনের অতৃপ্ত এক খুধা জেগে উঠেছে লোকটার।দিপ্ত ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠে।চিৎকার শুনে লোকটা তাকায় দিপ্তর দিকে।দিপ্ত দেখতে পায় সেই লোকটাকে যে অবিকল দিপ্তর মত দেখতে।তবে চোখে যেন হিংস্রতার আগুন জ্বলছে।সারা মুখে রক্ত লেগে আছে।তবে এই দৃশ্যটা যতটা না ভয়ানক ছিল তার চেয়ে ঢের বেশি ভয়ানক ছিল পরের দৃশ্যটা।সে দেখল যেই লাশটি খুবলে খাওয়া হচ্ছে তার মুন্ডুটা পরে আছে।চোখ দুটো খুলা।মুন্ডুটা আর কারো নয়,নিজের মায়ের।এই দৃশ্যটা সহ্য করতে না পেরে একটা গগন বিদারক চিৎকার করে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।জ্ঞান হারায়।।তারপর দিপ্তর ঠাই হয় শহরের একটা পাগলা গারদে।সেই রাতের পর দিপ্ত পুরোপুরি ভাবে পাগল হয়ে যায়।দিপ্তর মায়ের ছিন্নভিন্ন লাশ পাওয়া যায় সি বারান্দায়।মুন্ডুটা ছিল দেহ থেকে আলাদা।পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও কিছু করতে পারে না।আনসলভ কেসের খাতায় চাপা পড়ে যায় সেটা।চাপা পড়ে যায় সেই রাতের নৃশংস পৈশাচিকতা।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নৃশংস পৈশাচিকতা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now