বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সত্যি গল্প, এটা নোয়াখালির ঘটনা, সময়টা ১৯৭২/ ১৯৭৩ এর সময়, এলাকা হলো চর
আলেকজান্ডার, গ্রামের বাজারে সেই সময় বিদ্যুত ছিল না, মিস্টির দোকান আমার দাদাভাই এর মামা আমানের, মাঝেমাঝে একটি অপরিচিত হুজুর লোক এসে মিস্টি কিনতো,ঠিকানা দিত না, একদিন রাত৮ টায় দোকান বন্ধ করে আমান রাড়ী পথে রওনা হবে, সেই সময় লোকটি এসে দোকান খোলার জন্যে
খুবই পীড়াপিড়ি করলো, ওই সময় গ্রামে ৮ টার
পর সব বন্ধ হয়ে যেত, এক সময় জগড়া করে আমান সাহেব বাড়ী পথে রওনা হলো, বাড়ি ১
কিলোর মত দূর হবে, রাস্তাটা সরু ছিল, কিছুদূর
যাবার পর আমান দেখলেন দাণ খেত দিয়ে কিছু
কুকুর আসতেছে, পিছনে একটা গরুর গাড়ি, আমান ভাই হুজুর টাইপের এবং সাহসী ছিলেন,
তিনি শরীর বন্ধ করে, হাতে রাস্তা হতে ছোট লাঠি নিলেন, কাছে এসে কুকুরগুলো গিরে ফেললো, গরু গাড়িতে ঔ ঝগড়াটে লোকটি সামনে বসা, পিছনে ৩/৪ টি মরা লাশ হা করে
আছে, লোকটি বলছে তুই বেয়াদব কঠিন শাস্তি
হবে তোর, আমান সাহেব এই কঠিন বিপদ দেখে
একমুট বালুমাটি নিয়ে কুকুরের দিগে ছুড়েদিয়ে
বাড়ির পথে দৌড় দিতেই সামনে লাম্বা এক লোক
দাড়িয়ে বলছে আস, আমার দু পায়ের মাঝদিয়ে
যাও, আমান তখন হাতের লাঠি দিয়ে লোকটার পায়ে বাড়ি দিয়ে সোজা বাড়ি দিগে দৌড়ে গিয়ে ঘরে উটলো, ওনার দেরি দেখে ঘরের মানুষ সজাগ ছিল, পরদিন উনি ওসুস্হ হয়ে একমাস
বিছনায় ছিলেন,
মসজিদের ইমাম পরদিন বলেন, ওরা আমানকে
মেরে ফলতো, কিনতু তার শরির বন্ধ ছিল, তাই ছুতে পারে নি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now