বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

"নোনতা কফি"

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Shahinur akther nilla (০ পয়েন্ট)

X নারায়ণগঞ্জের মেয়ে সাফিয়া।স্বভাবে ভদ্র, ভালো ও মিষ্টি ছিল মেয়েটি।স্বভাবে মিষ্টতাকে অতিক্রম করে তার মিষ্টি মুখখানা। তার কাজল মাখানো ডাগর ডাগর চোখ দেখলে যেন এক স্নিগ্ধ বাতাস বয়ে যায়। সেই স্নিগ্ধ বাতাসটির নাম হলো "ভালোবাসার বাতাস"।তার সুন্দর চাহনি দেখে অনেকেই তাকে খুব ভালোবাসত।কিন্তু সেই অনেকের ভিড়ে একজন ছিল সায়েম।যে শুধুমাত্র তার চেহারা দেখে নয়, পুরোপুরি ভাবে মন প্রাণ দিয়ে তাকে ভালোবেসেছিল। কিন্তু কখনও মুখ ফুটে কিছু বলার সাহস পাইনি। সায়েম থাকত সাফিয়াদের বাড়ির ঠিক সামনের বাড়িটাতেই। ঐ বাড়িতে সাফিয়া এক বান্ধবী থাকত যার নাম ছিল মিতু। একদিন সাফিয়ার একটি বই নেবার জন্য মিতুদের বাসায় গিয়েছিল। ফেরার সময় তার ছেলেটির সাথে দেখা হয়। সায়েম সেদিন অনেক সাহস করে মেয়েটিকে একসাথে খেতে যাবার জন্য জিজ্ঞেস করতে পেরেছিল।তবুও ছেলেটিকে অন্য ছেলেদের তুলনায় ব্যতিক্রম মনে হওয়ায় সাফিয়া কফি খেতে যাওয়ায় রাজি হয়। ঐ দিন কফির দোকানে ছেলেটি দু কাপ কফি অর্ডার করে এবং সে তার কফিতে লবণ দিতে বলে।মেয়েটি তখন অবাক হয়ে ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করে "তুমি কফিতে লবণ খাও কেনো?" ছেলেটি উত্তর দেয় আমার গ্রামের বাড়ি সমুদ্রের তীরে। তাই নোনতা কফি খেয়ে আমি আমার গ্রামের বাড়িতে কাটানো সময়গুলোর স্মৃতিচারণ করি।মেয়েটি বলে, সিলেটের পাহাড়ে কোল ঘেঁষে তার জন্ম।এভাবে পাহাড় ও সমুদ্রের বন্ধু এগোতে থাকে এবং ক্রমান্বয়ে যে ভালোবাসা বিয়েতে রূপান্তরিত হয়। এভাবে ৫০ বছর কেটে যায়। ছেলে মেয়ে দুজনই এখন বুড়ো আর বুড়ি। একদিন বুড়ো, বুড়িকে একটি চিঠি দিয়ে বলে, "আমি মারা গেলে এটি পড়বে। এর আগে নয়"। কিছু দিন পর বুড়ো মারা যায়। তখন বুড়ি চিঠি খুলে। তাতে লেখা,"সেদিন কফির দোকানে আমি অনেক ঘাবড়িয়ে গিয়েছিলাম। কি থেকে কী করব বুঝতে পারছিলাম না। তাই আমি ভুলে চিনির জায়গায় কফিতে লবণ দিতে বলে ফেলি। এজন্যই এতগুলো বছর তোমার হাতের নোনতা কফি খেয়েছি। কিন্তু আমার জন্য তোমার হাতের নোনতা কফিও অনেক মিষ্টি"। পরে একদিন বুড়ি একটা বাসায় যায়। ঐ বাসার মানুষ তাকে নাস্তার সাথে কফি খেতে দেয়, বুড়ি কফিতে লবণ দিতে বলে। তারা জিজ্ঞেসা করে," লবণ কেন? তখন বুড়ি উত্তর দেয়, "নোনতা কফি আমার জন্য অনেক মিষ্টি"।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "নোনতা কফি"

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now