বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ যখন দেখি....
বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গিয়ে মেয়ের লাশ।
বস্তায় মেয়ের লাশ।
লাগেজে মেয়ের লাশ।
রাস্তার ধারে পাওয়া যায় সেগুলো ও মেয়ের লাশ।
সাগরপারে মেয়ের লাশ।
বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘুরতে গিয়ে গনধর্ষণের শিকার।
তখন....
তখন ,কেমন লাগে জানো।বুকটা জমাট হয়ে যায়।রক্তক্ষরণ আর কত!!!
এখন সেগুলো জমে যায় একদম বরফের মতো।
আচ্ছা কেন এসব অন্যায় কমছে না?
বলতে পারো কেউ?
কেউ তো বলো?
কেউ তো সচেতন হও।
ভুলে গেলে চলবেনা।আমরা দুনিয়ায় নিজের ইচ্ছায় আসিনাই।পাঠানো হয়েছে কোনো সন্দেহ নাই।আর যেই দয়াময় পাঠিয়েছেন তিনি কিছু রুলস ও দিয়েছেন। সেগুলো যদি মেনে চলো তাহলে বিপদ হবে না।
তবে.....হ্যাঁ।তিনি ধৈর্যের পরীক্ষা নেন ।সেটা অন্য বিষয়।আমি আমার মূল কাহিনীতে ফিরে আসি।
ধর্ষণ, মৃত্যু এসব রোধ করার কি কোনো পথ নেই????
আমি মনে করি আছে।১০০% আছে । শুধু তোমাদের মেয়েদের খুঁজে নিতে হবে।
আজ যখন তোমরা দেখ ছেলে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গিয়ে তোমার এক বান্ধবী ধর্ষিত হয়।তার পরেও কেন তোমার ছেলে বন্ধু থাকে??? আর তাদের সাথে তুমি ও ঘুরতে যাও পরিনতিতে তুমি ও ধর্ষিত হচ্ছো।
এখন হয়তো কিছু উৎসাহী ছেলে মেয়ে বলবেন,আমরা ওরকম নই....
এই যে বললেন না ,"আমরা ওরকম নয়"।
এটা সবাই বলে।আমি ওরকম নয়।আমি ওদের মতো নয়।আমি নিরাপদ।আমি সচেতন।আমায় বিশ্বাস করো।
যে আমায় বিশ্বাস করে না।তার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা হয় না। ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।
মেয়েরা তোমরা কেন শোন, তাদের কথা? মাথায় কি আছে তোমার?
আমি বলবো , তুমি কোরআন দেখো। ইসলামের পর্দার বিধান দেখো।আর কিছু দেখতে হবে না তোমার।
তুমি বয়ফ্রেন্ডদের সাথে ঘুরতে যাওয়া বন্ধ করো।
আরে ,আজব তো শুধু ঘুরতে যাওয়া কেন? তুমি বয়ফ্রেন্ড বানানোই বন্ধ করো।
অতি প্রয়োজন ছাড়া ছেলেদের সাথে কথা বলা বন্ধ করো।আর কথা বললেও কর্কশ ভাষায় কথা বলো।যাতে করে সে তোমার প্রতি আকৃষ্ট না হয়।
ছেলেমেয়েদের এই অবাধ বিচরণ যে কতটা ভয়ংকর তুমি পত্রিকায় চোখ রাখলেই পাবে।
এখন তো কোনো ঘটনা ঘটলেই পুরো দুনিয়া জেনে যায়। তুমি সেসব খবর রাখো।নিজেকে হেফাজত করো।
হাহাহা....... মূর্খের মতো বলো না যেন, মানুষের সম্মান শরীর দিয়ে হয় না।
কতোটা জঘন্য হলে একথা বলতে পারে। তুমি যদি নিয়মিত দেশের ঘবর রাখো বুঝতে পারবে আমি কাকে ইঙ্গিত করেছি।
নিজের চারিত্রিক দূষণকে বৈধ করার জন্য যেকোনো উক্তি দিয়ে বসোনা।
অনেক গল্পে এটা বোঝানো হয় যে, চরিত্র যেখানে খুশি নষ্ট হলেও কিছু নয়। শুধু মনটাই আসল।
এটা পাগলের প্রলাপ।
মুসলিমদের জন্য কতোটা জঘন্য।।
মুসলিম ছেলেমেয়েদের চারিত্রিক বিশুদ্ধতার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যত প্রজন্ম।
তাই , আসুন। হাবিজাবি স্লোগান বাদ দিয়ে। নিজের ইজ্জতের হেফাজত করি। ছেলে মেয়ে অবাধ মেলামেশা বন্ধ করি। গার্লফ্রেন্ড +গার্লফ্রেন্ড আর বয়ফ্রেন্ড+বয়ফ্রেন্ড প্রথা চালু করি।
তাহলে এইসব সামাজিক অবক্ষয় অনেকাংশে নির্মূল করা সম্ভব।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now