বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অংশঃ০১
সেদিন পাঠশালা ছুটি হয়েছিল খুব তারাতারি।সমু অার নিতাই তাই একরকম খুব হৈ হুল্লোর করেই বাড়ি ফিরছিল।সে,কত কথা যে ওদের।বাড়িতে গিয়ে এই করব ঐ করব। কথা যেন শেষই হচ্ছিল না।যেন দুজনের অাজই প্রথম পরিচয় হলো।প্রতিদিন বাড়িতে যাওয়ার জন্য ছোট্ট পথে যাএা করলেও অাজ কিন্তু তা হলো না। তারা বাড়িতে যাওয়ার জন্য নদীর দীর্ঘ পথটাই অাজ বেছে নিল। দুজনে চলছে অার তাদের যত পুরানো গল্পকথা সেগুলো অাওরাচ্ছে।এমন সময় সমু অাচমকা থেমে যায়,যেন তার সামনে সাক্ষাত যমদূত এসে দাঁড়িয়েছে।একটু পরেই অাস্থে অস্থে বলতে থাকে-
-দেখ নিতাই দেখ নদীর ওপারে বড় অামবাগানের গাছগুলোতে কি সুন্দর অাম ফলেছে।
-এজন্যয় বুঝি এভাবে থমকে দাঁড়াতে হবে তোকে।ভয় পায়ে গিয়েছিলাম জানিস!
-যাবি নাকি।সমেনের কাছে শুনেছি ওপারকার বাগানের অাম নাকি খুব বড় মিষ্টি।
-কেউ যদি দেখে ফেলে
-কে দেখবে এ ভরদুপুরে।শুনেছি বাগানের রক্ষিও নাকি এসময়টায় কর্তাদের বাড়ির কাজে লেগে থাকে।
-চল তাহলে
দুজনে পরিধান করা প্যান্ট উপরে গুজে দিয়ে অাধমরা নদীটা পার হতে থাকে।সমু অাবার পানি দেখে ভয় পায়,তাই নিতায়ের কাধ ঝাঁপটে ধরে পার হচ্ছিল।
-ছাড়! এত ভয় পাচ্ছিছ কেন?
-তুইতো জানিস ছোটকাল থেকেই অামি পানিকে কত ভয় পায়!
-হ্যা,পানিকে পাস কিন্তু বাগান রক্ষির লাঠিকে পাস না!হাসালি রে সমু হাসালু।এভাবে কথা বলতে বলতে পার হয়ে যায় মৃত নদীটা।কিছুক্ষন রোদ্রে দাঁড়িয়ে গা শুকিয়ে বাগানের দিকে উকি মারতে থাকে।কিন্তু একি বাগান রক্ষী যে বাগান পাহারা দিচ্ছে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now