বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিশিথীনি, শেষ পর্ব

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মাসুম পরশ (০ পয়েন্ট)

X তাদের সাথে এমন আরো কয়েকদিন ঘটে। এসব দেখতে দেখতে তাদের মধ্যো এর রহস্য ভেধ করার ইচ্ছা জাগে। তাই তারা স্থির করে কেন ছাইমা তাদের ডাকে ও কেন মর্গ থেকে আওয়াজ আসে তা দেখবে। রাত বারোটায় তারা হাসপাতালে আসবে বলে ঠিক হয়। রাত বারোটায় দারোয়ানকে ঘোষ দিয়ে চাবি নিয়ে তারা অন্যদের চোখ ফাকি দিয়ে মর্গের দিকে যায়। তারা পাচ জনের মধ্যা দুজন ছিল খুব সাহসি। তারা আগে আগে ও বাকি তিন জন পিছনে। তিন তলা অবদি হাসপাতাল। বাকি উপরের দু তলায় সন্ধ্যার পর কেউ যায়না। চার তলায় পৌছা মাএয় তারা উপরে নানা শদ্ব শুনতে পাই। ভয়ে তখন তাদের শরীর থেকে ঘাম ঝরছে। তিন জনতো পালিয়ে আসতে চাই। কিন্তু বাকি দুজনের কথায় আসতে পারেনা। কিন্তু তারা আর উপরেও যেতে চাইলোনা। তাই দুজন তাদের এখানে দাড় করিয়ে তারা উেপরে যায়। উপরে যাওয়ার সাথে সাথে ভয়ংকর শদ্বগুলো আরো তীব্র হতে থাকে। কাপতে কাপতে তারা একটি রুমের দিকে যায়। শদ্ব গুলো এ ঘর থেকে আসছিলো। ভয়ে কাপতে কাপতে তারা চাবি দিয়ে রুমখুলে যেই সামনে চাইলো ওমনি সেই আত্নহত্যা করা মেয়েটি লাল চোখে তাদের দিকে চেয়ে আছে দেখে। সাথে সাথে তারা পিছনে পরে যায়। উঠে দৌড় দেবার শক্তিও তারা হাড়িয়ে ফেলে। তারা কোনো মতে উঠে দৌড় দেয় কিন্তু সামনে তাকিয়ে দেখে সেই মেয়েটিই। তারা দৌড়তে দৌড়তে একটি রুমে ঢুকে। সেখান থেকে তারা যা দেখতে পায় তা তারাও বিশ্বাস করতে পারছিলো না। সামনের লাশের ঘর থেকে লাশ উঠে বাইরে আসছে। কিছু আবার ছিন্ন বিছিন্ন দেহের। আবার কিছু আত্না মানুষ বহন করার কেবিন নিয়ে আসছে। হঠাৎ তাদের মধ্যো একজনের হাতে কিছু লাগে সে চিৎকার করে ওঠে। তুলে দেখে ছাইমার সেই বই। ততক্ষনে আত্নারা তার চিৎকার শুনে তাদের দিকে ধেয়ে আসতে থাকে। তারা ঔঠে সিড়ির দিকে দৌর দেয়। আর নিচের বন্ধুদের ডাকতে থাকে।তারাও ডাক শুনতে পায়। কিন্তু তারা তাদের আর খুজে পায়না। উপরের দুজন সিড়ি বেয়ে যতই নিচে আসে তাদের সিড়ি আর সিড়ি শেষ হয়না। এভাবে তারা অনেকক্ষন দৌড়েও নিচে আসতে পারছিলনা। তারা ক্লান্ত হয়ে পরে। নিশ্চিত মৃত্যু তারা মেনে নেয়। আত্মাগুলো তাদের দিকে ভয়ংকর ভাবে আসতে থাকে। তার চোখ বুঝে আল্লাহ কে ডাকতে থাকে আর মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। হঠাৎ একটি চেনাস্বরে তার সামনে তাকায় দেখে ছাইমা তাদের আগলে আছে। তারা আরো ভয় পেয়ে যায়।মনে করে ছাইমাও আত্মার ই দলের। কিন্তু ছাইমা তাদের নির্ভয় দিয়ে বলে,,,,, ভেবনা আমি তুমাদের কোনো ক্ষতি হতে দেবনা। যে মেয়েকে তুমরা প্রথম দেখেছ সে,,,, নিশিথীনি,,,,,,। তার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে সবাইকে তার শিকার বানায়। ততক্ষনে আত্মাগুলো তাদের কাছে চলে আসে। তারা তাদের ধরার জন্য ছাইমাকে ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে। তা দেখে আর তার থাকতে পারেনি। সাথে সাথে তারা ঙ্ঘান হারায়। সকালে তাদের বন্ধুরা আরো কয়েক জনকে সাথে নিয়ে উপরে যায়। তাদের তারা সিড়িতে অঙ্ঘান অবস্থায় পায়। বিভিন্ন জায়গায় কাটা। পরে হাসপাতালে চিকিৎসার দুইদিন পর তাদের ঙ্ঘান ফিরে। তারা সাথে সাথে মোবাইল খুজে। কারন সেই সময় তারা কিছু ভিডিও করেছিলো। কিন্তু মোবাইলে খুজে কিছু পায়না।সব ডিলেট। তার পর থেকে কেউ আর কোন দিন ওই রুম ও মর্গের দিকে যায়নি।।।।।।।।।।।।।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নিশিথীনি, শেষ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now