বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
রাফি।বাবা মার প্রথম ছেলে। বাবা সরকারি চাকরি করে। রাফিছোট বেলা থেকেই একটু দুষ্টু প্রকৃতির। এই ধরুন কারো গাছের আম পেরে খাওয়া আবার রাত্রে ঘুড়াঘুড়ি করা আবার বাসায় ঢোকার সময় অন্য কারো বাসার বেল দিয়ে তাড়াতাড়ি উঠে আসা।আবার রাফিকে বাজে ভাববেন না। এগুল সবই রাফির ভালো লাগা বলতে পারেন। তবে একটা জায়গা আছে যেখানে রাফি দুর্বল সএটা হচ্ছে মেয়েদের কে বিরক্ত করা।কেন জানি এটা রাফির একদম ভালো লাগে না।তাই রাফির স্কুলে প্রায় অনেক মেয়ের সাথে মিল আছে।
রাফি এবার দশম শ্রেনিতে উঠলাম তো রোল হলো দুই। ।
স্কুলে ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ক্লাস পড়া সোনা করতে করতে এভাবে কেটে যায় একটি বছর।এক্সাম চলে আসে। এক্সাম সব গুলোই ভালোই হয়।
তাই রাফি ভাবতেছি এই কয়দিন একটু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দওয়া যাবে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। কারন হঠ্যাত করেই বাবা পোষ্টিং দিয়ে দেয় অন্য জেলাই সরকারি চাকরির এই একটা জামেলা।।
মন টা খুব খারাপ এতো দিনের সব বন্ধদের ফেলে যেতে হবে।। রাফির একটু ও যেতে ইচ্ছা করতেছে না। তবুও কি আর করার যেতে যখন হবেই।
বাবা মার সাথে অচেনা একটা যায়গায় চলে আসে কাওকে চিনি না সারা দিন বাসার ভিতর বসে থাকা লাগে। আগের দিন গুলো খুব মিস করতে থাকে । সারা দিন শুধু টিভির সামনে বসে থাকতে কারই বা ভালো লাগে বলেন। একদিন সকালে মনটা একটু বেশি খারাপ কারন সেদিন ছিলো রাফির জন্ম দিন আগের দিনের কথা মনে পরতেছে তাই বারান্দাই গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
আছে এমন সময় সামনে বাসা থেকে একটা মেয়ে বের হয়।মেয়ে টি স্কুলে যাচ্ছে। মেয়ে টি কে দেখে রাফি আকদম ক্রাস খাই। রাফি এর আগে অনেক মেয়েকে দেখেছে কোনো দিন রাফির এরকম হয়নি কিন্তু আজ কেমন জানি লাগতেছে এক দেহবখাতে মেয়েটিকে ভালোবেসে ফেলে। এর পর থেকে রাফির আর বেশি মন খারাপ থাকে না। সারা দিন বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে থাকে।এভাবে দেখতে দেখতে মেয়ে টির নাম ও জেনে যায়।মেয়েটি কোন ক্লাসে পরে, সব জেনে যায় মেয়েটির বিষয়ে কিন্তু কোনো দিন রাফি মেয়েটির সাথে কথা বলতে পারে না।মেয়েটির সামনে যেতে ভয় লাগে রাফির।এভাবে কেটে যায় কয় মাস।রাফি কলেজে ভর্তি । রাফির কলেজ রাফির বাসা থেকে অনেক দূরে হয় বলে তার বাবা মা বাসা চেঞ্জ করতে চাই।কিন্তু বলে তার কোনো সমস্যা নেই।তারপর ও তাদের বাসা চেঞ্জ করে।
তারপরে আর দেখা হয়নি তাদের।
এভাবে কেটে যায় দুই বছর।আজ ও রাফি সেই মেয়ে টিকে ভালোবাসে।
কিন্তু একদিন রাফি একটা কাজে বাহিরে যায়।রাস্তা দিয়ে জাওয়ার সময় সেই মেয়ে টিকে একটি ছেলে হাত ধরে ঘুরতে ছে।তা দেখে রাফির মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পরে।রাফি মনে মনে ভাবে এদের ছবি তুলে ভাইরাল করে দেই যেন ছেলেটি তাকে না পায়।
কিন্তু পরে ভাবে আমি তো ওকে ভালোবাসি।সে হয়তো তাকে ভালোবাসে আমি তাকে না পেয়ে যেত টা কষ্ট পাইছি তার চেয়ে মেয়েটি যদি বেশি কষ্ট পায়
আমি তাকে ভালোবেসে কিভাবে কষ্ট দিব।
গল্পটা ৫০% সত্য
রাফি।বাবা মার প্রথম ছেলে। বাবা সরকারি চাকরি করে। রাফিছোট বেলা থেকেই একটু দুষ্টু প্রকৃতির। এই ধরুন কারো গাছের আম পেরে খাওয়া আবার রাত্রে ঘুড়াঘুড়ি করা আবার বাসায় ঢোকার সময় অন্য কারো বাসার বেল দিয়ে তাড়াতাড়ি উঠে আসা।আবার রাফিকে বাজে ভাববেন না। এগুল সবই রাফির ভালো লাগা বলতে পারেন। তবে একটা জায়গা আছে যেখানে রাফি দুর্বল সএটা হচ্ছে মেয়েদের কে বিরক্ত করা।কেন জানি এটা রাফির একদম ভালো লাগে না।তাই রাফির স্কুলে প্রায় অনেক মেয়ের সাথে মিল আছে।
রাফি এবার দশম শ্রেনিতে উঠলাম তো রোল হলো দুই।
স্কুলে ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ক্লাস পড়া সোনা করতে করতে এভাবে কেটে যায় একটি বছর।এক্সাম চলে আসে। এক্সাম সব গুলোই ভালোই হয়।
তাই রাফি ভাবতেছি এই কয়দিন একটু বন্ধুদের সাথে আড্ডা দওয়া যাবে। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। কারন হঠ্যাত করেই বাবা পোষ্টিং দিয়ে দেয় অন্য জেলাই সরকারি চাকরির এই একটা জামেলা।।
মন টা খুব খারাপ এতো দিনের সব বন্ধদের ফেলে যেতে হবে।। রাফির একটু ও যেতে ইচ্ছা করতেছে না। তবুও কি আর করার যেতে যখন হবেই।
বাবা মার সাথে অচেনা একটা যায়গায় চলে আসে কাওকে চিনি না সারা দিন বাসার ভিতর বসে থাকা লাগে। আগের দিন গুলো খুব মিস করতে থাকে । সারা দিন শুধু টিভির সামনে বসে থাকতে কারই বা ভালো লাগে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now