বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নিরব ছাদের এক কোনে বসে সিগারেটে ধোয়ায়
নিজের কষ্টগুলো বাস্প করে উরিয়ে দিচ্ছে। কারন সিগারেট খেলে নাকি কষ্টগুলো ভুলে থাকা যায়
নিরবও সেই বির্থা চেষ্টাই করছে। আজকে আকাশে চাঁদটা ও ওঠে নি হয়তো নিরবের কষ্ট দেখে সেও পালিয়েছে। পৃথিবীতে সবাই স্বার্থপর শুধু সিগারেট ছাড়া কারণ সিগারেট অন্যর কষ্ট বুঝে, নিজে জ্বলে
অন্যর কষ্ট দূর করে। সেজন্য নিরব সিগারেট কেই বন্ধু বানিয়েছে। বাইরে বের হওয়ার প্রয়োজন হয় না।
সবাই তো স্বাথপর। নীলাকে বিশ্বাস করেছিল সেও চলে গেছে একা ফেলে অন্য কারো হাত ধরে
এতো তারাতারি কেমন করে বদলে গেল মেয়েটা
কেমন করে ভুলে গেলো সেই একসাথে কাটানো সৃতিগুলো। আমিতো অনেক চেষ্টা করেও ভুলতে
পারি না সেই দিনগুলো। মেয়েরা সবই পারে, যেমন কাউকে মিথ্যা ভালো বাসতে, আবার কাউকে ভালোবেসে জিবন দিতে,
আমার সাথে নীলার পরিচয় হয়েছিল ফেসবুকে
সেদিন রাতে ফেসবুক চালাচ্ছি এমন সময় নীলার ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট। নাম ছিলো নীল পরি, তার প্রোফাইলে ঢুকে দেকলাম আইডি টা কিছুহ্মন আগেই খোলা হয়েছে। তাই একসেপ্ট করে মেসেজ দিলাম। নীলপরিও রিপ্লে দিলো এভাবে চলতে থাকলো আমাদের কথার মেলা। প্রায় সব সময় কথা হতো আমাদের। অনেক ভালো ফ্রেন্ড হলাম আমরা।
তাই এখন আর ফ্রেসবুকে কথা বলতে ভালো লাগে না । তাই ওর ফোন নাম্বার চাইলাম নিলপরি না করেনি। দিয়েছে,
এরপর শুরু হয় রাতভর কথা বলা,
কথা বলতে এক সময় বুঝতে পারি আমি নিলাকে
ভালোবেসে ফেলেছি । একদিন কথা বলতে বলতে
নীলাকে বলেই ফেলি আমার ভালোবাসার কথা।।
আমি:নীলা আমি তোমার সাথে কথা বলতে বলতে কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি নিজেও বলতে পারর না। আই লাভ ইউ নীলা আমি তোমাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি?
নীলা : কি বলছএসব? আমাকে তো তুমি দেখই নি
না দেখেই আমাকে ভালোবেসে ফেলছো ???
হুম।।। তোমাকে না দেখেই আমার কল্পনার রানী বানীয়ে ফেলেছি! হবে আমার কল্পার রাজ্যর রানী।
নীলা :হুম
নীলা তোমার একটা পিক দিবা??
নীলা : কেনো
বাহ আমার রাজকন্যা কে দেখবো না তা কখনো হয়???
ওকে বাবু একটু অপেক্ষা কর "
হুম দাও
এরপর নীলা একটা মেয়ের ছবি দেয়। ছবিটা দেখতে একদম বাজে ছিল, তারপর ভালোবাসা তো আর রূপ দেখে হয় না,
কেমন দেখলা পেত্নীটাকে?
ভালো! একদম আমার রাজকন্যার মত,
এরপর ব্যস্তার কারণে দুদিন কথা হয় না নিরব এর সাথে। নীলা ভাবচ্ছে নিরব হয়তো তাকে এরিয়ে চলছে। তাকে দেখে হয়তো নিরবের পছন্দ হয় নি।
হবেই বা কি করে নিরব তো দেখতে অনেক স্মাট সুন্দর।আর সে কিনা প্রেম করবে এরকম একটা মেয়ের সাথে। এতে তো নিরবের কনো দোস নেই।
নীলা এদিকে অনেক কষ্ট পাচ্ছে, মরে যেতে ইচ্ছা করছে। জিবনে প্রথম কাউকে ভালোবেসেছে তাকে যে কিনা তার মন কে না রূপকে ভালোবাসে। অন্যদিকে নীলা খুব কষ্টও পাচ্ছে নিরব এর সাথে কথা না বলতে পেরে।
নীলা মনে মনে ভাবচ্ছে কেন যে সে তার পিক না দিয়ে ওই মেয়েটার পিক দিল। দুদিন স্কুলে যায় না নীলা কেদে কেদে চোখ মুখ ফুলিয়ে ফেলেছে। ঘরের এক কোনে বসে থাকে। আসলে নিরব কে নীলা অনেক ভালবেসে ফেলেছে যেটা নীলা এখন বুঝতে পারছে!
আজ নীলা স্কুলে যাচ্ছে। যাওয়ার মন নেই তাও যাচ্ছে সামনে পরিহ্মা স্যার যেতে বলেছে।
নীলা ক্লাসে বসে আছে, পড়াশোনা কিছুই ভালো লাগছে না। বারবার ফোন বের করে দেখছে। কিছুই ভালো লাগছে না নীলার। ফোন হাতে করে বসে আছে নীলা । অপেক্ষা করছে নিরবের ফোনের, কিন্তু তার তো কোন নাম নেই ফোন দেওয়ার।শুধুই অপেক্ষা।
হঠাৎ ফোনে আলো জ্বলে উঠলো নীলা তাকাতেই দেখলো নিরবের ফোন। নীলার চোখ দিয়ে দু ফোটা অশ্রু ঝরে পরল, এটা অপেক্ষার অবসান এর অশ্রু।
নীলা ফোন ধরতেই ,
এ্যই পেত্নী কই তুমি,???
নীলা কান্না শুরে কলেজে,
তোমাদের কলেজের বটগাছের নিচে দাড়িয়ে আছি একটু আসো প্লিজ । নীলা ফোনটা কেটে দিয়ে দৌরে এসে নিরব কে খুব শক্ত করে জরিয়ে কান্না শুরু করল!
নিরব :এই কে আপনে আমাকে ছারো বলছি।
ওমনি নিরব এর বুকে দুটো কিল বসিয়ে দিয়ে বলল
এখনো চিনতে পারো নি আমি নীলা।
কি সব আবল তাবল বলছেন আপনি আমার নীলা
হতেই পারেন না।
কেনো??
আমার নীলার ছবি আমার কাছে আছে। এই দেখুন ওয়াল পেপার বানিয়ে রাখছি।
নীলা :আসলে ওই ছবিটার আমি ফেসবুক থেকে নামিয়ে তোমাকে দিয়ে ছিলাম।
কি???? বড় রকমের একটা শক খেলাম! কিন্তুু কেন?
দেখতে চেয়েছিলাম তুমি কতটা ভালোবাসো আমায়!
-কি দেখলে?
--একটু ও ভালোবাসো না আমায় ওই ছবি দেখার পরে দুদিন ফোনই দাও নি।
--কি বলছ এসব নিলা । আমার ফোনটা হারিয়ে গেছে! তাই ফোন দিতে পারি নি। আর তুমি কি সব মনে করছো??? এটাই কি আমার উপর বিশ্বাস তোমার??
-- নীলা কোন উওর না দিয়ে আবার জরিয়ে ধরে কান্না শুরুকরে দিল!!!
--এই পাগলি কাদো কেন??
--এমনি। আর কাদবো না !
--হুম বলে চোখের জল টা মুছে দিলাম!
--আচ্ছা কেমন দেখলে এই পেত্নীটাকে?
--- পেত্নীকে আবার কেমন দেখা যাবে, পেত্নীর মতোই দেখলাম?
--কি?? আবার দুটো কিল ঘুসি!
নীলা খুব শক্ত করে হাতটা ধরে আছে? মনে হয় হাজত পালানো আসামি,,,,
নীলা,: কখনো ছেরে যাবে নাতো
আমি:মরে গেলেও না।
--তুমি দুদিন ফোন দাও নি আমি অনেক কষ্ট পাইছি
মরে যেতে ইচ্ছা করছিল!
--সরি জানু আর এরকম হবে না
--হুম মনে যেনো থাকে!
--হুম খুব মনে থাকবে।
সেই নীলা আজ আমার থেকে অনেক দূরে,
খুব যানতে ইচ্ছা করে কেমন করে ভুলে আছো আমায়?????? নীলা????
আবার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে
আই লাভ ইউ নীলা এখনো অনেক ভালোবাসি তোমায়!!!!!!!!!
plz ফিরে এসো নীলা।প্লিজ,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now