বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নিমগাছ

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মারিয়া নাজনীন রিমা(guest) (০ পয়েন্ট)

X কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতা গুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ! কেউবা ভাজছে গরম তেলে। খোস দাদ হাজা চুলকানিতে লাগাবে। চর্মরোগের অব্যর্থ মহৌষধ। কচি পাতাগুলো খায়ও অনেকে। এমনি কাঁচাই...... কিম্বা ভেজে বেগুন-সহযোগে। যকৃতের পক্ষে ভারি উপকার। কচি ডালগুলো চিবোয় কত লোক.... দাঁত ভালো থাকে।কবিরাজেরা প্রশংসায় পপঞ্চমুখ। বাড়ির পাশে গজালে বিজ্ঞরা খুশি হন বলে-'নিমের হাওয়া ভালো, থাক্, কেটো না'। কাটে না, কিন্তু যত্নও করে না। আবর্জনা জমে এসে চারিদিকে। শান দিয়ে বাধিঁয়েও দেয় কেউ-সে আরেক আবর্জনা। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে।ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না,মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু। বলে উঠল,-"বাহ্, কী সুন্দর পাতাগুলি..... কী রূপ! থোকা-থোকা ফুলেরই বা কী বাহার........এক ঝাঁক নক্ষত্র নেমে এসেছে যেন নীল আকাশ থেকে সবুজ সায়রে বাহ্-' খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে চলে গেল। কবিরাজ নয়, কবি। নিমগাছটার ইচ্ছে করতে লাগল লোকটার সাথে চলে যায়।কিন্তু পারলে না। মাটির ভিতরে শিকড় অনেক দূর চলে গেছে।বাড়ির পিছনে আবর্জনার স্তুপের মধ্যেই দাড়িঁয়ে রইল সে। ওদের বাড়ির গৃহকর্ম-নিপুনা লক্ষ্ণীবউটার ঠিক এক দশা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নিমগাছ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now