বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নিঝুম
লেখাঃ শাহরিয়ার
আমি নিঝুম। নিঝুম নাজনিন। এমন একটা মেয়ে যে নিজের মত চলতে ভালবাসে
কারু সাথে তেমন মিশে না। সেজন্য বন্ধু বান্ধব নেই বললেই চলে।
আমার বাবা-মা নেই। মা জন্মের সময় আর বাবা আমার ৩ বছর বয়সে রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছে। দাদী ছিলনা আগে থেকেই। আর দাদাও বাবার জন্মের কিছুদিন পর মারা গেছে। আমি বড় হয়েছি নানা-নানীর কাছে। এখনো তাদের সাথেই আছি। মা বাবার কষ্টটা আমাকে কখনো বুঝতে দেয়নি তারা।
আজ আমার ভার্সিটির প্রথম দিন। রাতে ঘুমাতে পারিনি।কেন জানি আনন্দের কিছু ঘটতে গেলেই তার আগের দিন ঘুমাতে পারিনা। আজও তেমনি।সারারাত এপাশ উপাশ করেছি। ঘুম হয়নি, মনে হয়েছে কখন সকাল হবে আর কখন ভার্সিটিতে যাব। ভার্সিটির প্রথম দিন, অভিজ্ঞতাই আলাদা। ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে , কালো রংের একটা থ্রি পিচ পড়লাম। কেন জানিনা সেই ছোটবেলা থেকেই আমার কালো রঙের প্রতি দুর্বলতা বেশি। ছোটবেলা থেকেই সবকিছু ব্যবহার করি কালো রঙের। রেডি হয়ে খেয়ে ভার্সিটিতে গেলাম।।ভার্সিটিতে পৌঁছে মনে হল বেশ আগেই চলে এসেছি। । ক্লাসরূমে গিয়ে দেখি কেউ নেই , । রূমে ঢুকে চুপচাপ একটা বেঞ্চে বসে পড়লাম। ক্লাসরুমে চোখ বুলিয়ে দেখছিলাম, হঠাত দরজার দিকে চোখ গেল। দেখি একটা ছেলে দাঁড়িয়ে। বয়স আমার সমানই হবে। আর মজার ব্যাপার আমার মত সেও সবকিছু ব্লাক। শার্ট, প্যান্ট, ঘড়ি,জুতো, ব্যাগ সব। ছেলেটি কেন জানি আমার দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে। চোখের দিকে চোখ পড়লে আমার আত্না কেপে উঠল। দৃষ্টিতে এমন কিছু ছিল যা দেখে মনে হল, কিছু একটা আছে,। কি যেন স্বাভাবিক নেই। পরক্ষনেই সেই চিন্তা বাদ দিয়ে দিলাম,কি ভাবছি এসব, সেও হয়ত আমার ক্লাসমেট কেউ হবে আর ক্লাসে ঢুকতে গিয়ে হঠাত আমাকে দেখে চমকে গিয়ে তাকিয়ে আছে। চোখ ফিরিয়ে নিলাম। এখানে একটা কথা বলে রাখা ভাল, ( ছোট বেলা থেকেই আমার কেন যেন ছেলেদেরকে সহ্য হয়না, তাই কখনওই কোনো ছেলের সাথে অত্যাধিক প্রয়োজন ছাড়া কথা বলা হয়নি) অন্যদিকে তাকিয়ে থাকলেও বুঝতে পারলাম ছেলেটা আমার পাশের বেঞ্চটাতে বসেছে। একে একে সবাই এলো। (আমি কারু সাথে তেমন মিশি না, সেজন্য তেমন কোনো ফ্রেন্ড নেই) তবে আমার পাশে যে মেয়েটা বসেছিল তার সাথে প্রথম দিনেই কেন জানিনা আমার সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেল। মনে মনে ভাবলাম, ভার্সিটি লাইফটা এই মেয়েটার সাথেই পার হবে। মেয়েটার নাম অনন্যা। অনন্যা তাসকিন মৌ। অনন্যা বলেই ডাকে সবাই। বাড়ি আমার বাড়ি থেকে একটু দূরে। ঠিক হল প্রতিদিন ও আমার বাড়ি আসবে আর সেখান থেকে দুজন একসাথে ভার্সিটি আসব।
ক্লাস টাইম ভালভাবেই কাটল। কিন্তু কেন জানিনা আমার অসস্তি লাগছিল, মনে হচ্ছিল এক জোড়া চোখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে , হ্যা একবার চোখ পড়ল সেই ব্লাক শার্ট ছেলেটার দিকে, এখনো তাকিয়ে আছে সে আমার দিকে। কারু সাথেই মিশছে না
অজানা আশংকায় বুক ধুকধুক করে ঊঠল, ক্লাস এমনকি সব জায়গাতেই আমার উপর ছেলেটা নজর রাখছিল। ক্যান্টনে বসে আমি আর অনন্যা কফি খাচ্ছিলাম, তখনো ছেলেটা তাকিয়ে আছে। চোখে ছিল এমন কিছু যা র কারনে ভয় লাগছিল। এমনভাবে সে আমার দিকে তাকাচ্ছিল যেন আমি মানুষ নই, অন্যকিছু,,,,,,,,,,
চলবে,,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now