বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এদিকে র্যাথ এর প্রথম ও প্রধান কাজ দেয়া
হয়েছে এটম কে খুজে বের করা।এটম কে খুজে বের করতে র্যাথ এর প্রব্লেম হওয়ার কথা না।কারন এটম কে র্যাথ খুব স্বাভাবিক ভাবেই স্ক্যান করে বের করতে পারবে যে এটম খেলনা রোবট না।সে একটা আসল ও সুপারসনিক রোবট।এটম নিজেও বুঝতে পারে সামনে তার সাথে অনেক কঠিন মোকাবেলা।তাই সে তার ফাইটিং প্রোগ্রাম গুল রিস্টার দিতে থাকে।এদিকে মাত্র কয়েকদিন পর নিহাদের বার্থডে।নিহাদ এটমকে গিয়ে বলে আমাকে বার্থডে তে অনেক ভাল জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাবে এটম??
এটম কিছু না বলে দুটা নীল লাইট চোখ দিয়ে তাকিয়ে থাকে নিহাদের দিকে...
_____________________
এদিকে নিহাদের আব্বু ফাহাদ একটা জটিল খুনের মামলার কেস পেয়েছেন।সৎ ইন্সপেক্টর ফাহাদ খুঁজে খুঁজে বের করে ফেলেছেন অনেক গুল ক্লু।
আজ অফিসে ডিউটি করছেন ফাহাদ।হঠাৎ তার অফিসে তিনজন কালো জ্যাকেট পড়া লোক আসে।লোক তিনজনকে দেখে ফাহাদ ছাড়া সব পুলিশ অফিসার ই সালাম দেয়।একজন আবার দৌড়ে এসে বলে, স্যার আপনি কেন আসলেন কষ্ট করে পুলিশ স্টেশন এ।কিছু লাগলে আমাদের ফোন করে বলতেন।মাঝখানে থাকা বস টাইপ লোকটা হাসতে হাসতে বলে।ঠিক আছে, ঠিক আছে।ব্যাপার টা এমন ফাহাদ ছাড়া মনে হয় যেন সবাই এক প্রকার বস টাইপ লোক টার পায়ে লুটিয়ে পড়ার মত অবস্থা। ফাহাদ তখন দাঁড়িয়ে ম্যাপ দেখছিল।মাঝখানের মোটা লোকটা এসেই চেয়ার টান দিয়ে বসতে যাবে এমন সময় চেয়ার টা লাথি মেরে ফেলে দেয় ফাহাদ।
--পুলিশ স্টেশনটা কারো বাপের কিনে নেয়া জায়গা না যে এসেই পারমিশন ছাড়া কেউ বসে পড়বে।অনুমতি দেয়ার আগ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকো।
--ইন্সপেক্টর সাহেব।কাজ টা ঠিক করলেন না।
-- শাট আপ!! এন্ড গেট আউট।
--থাকতে আসি নি।চলে যেতেই এসেছি।তবে শুনে রাখ ইন্সপেক্টর।যেই কেস এর ফাইল তোর হাতে ঐ এস এর খুনের আসামী আমার ছেলে।এই কেস এ সামনে আগাবি না।
নইলে তোর ছেলে কে ফু -উ-উ-উস...
হা: হা: হা:
কথাটা বলে ৫০ লক্ষ টাকার একটা ব্রিফকেস রেখে তারা বের হওয়ার উদ্দেশ্যে হাঁটা শুরু করল।এমন সময় ফাহাদ পিছন থেকে ডাক দিল তাদের।
টাকার ব্রিফকেস টা তাদের দেখিয়ে বলল।টাকা গুল নিয়ে নিচ্ছি।আজ এতিম খানায় দিয়ে আসব।তবে তোর ছেলের ফাঁসি হবে।শিওর থাক।তাতে আমার যা হয় হোক।
( এগুল বললেও নিহাদের ব্যাপার এ বেশ ভয় পায় ফাহাদ।)
________________________
আজ ফাহাদ সরকার কর্তৃক অভ্যার্থনা ও পুরষ্কার পেয়েছে।সব থেকে বড় ক্রিমিনাল কে গর্ত থেকে বের করে এনে ফাসির রায় হওয়ার জন্য যা যা করা দরকার তা সব ই ফাহাদ করেছে। সেজন্যই তাকে এই বড় সম্মাননা।সম্মাননা পাবে এই খবর টা ফাহাদ যাকে প্রথম জানিয়েছে সে হল হিমা।হিমা খবরটা শোনার সাথে সাথেই লাল শাড়ি পরে ফাহাদের অনুষ্ঠানে চলে আসে।ফাহাদ তার বক্তৃতার এক পর্যায়ে বলে সব সফলতার পিছনে অবদান রাখা ব্যাক্তিটি হল হিমা।হিমাকে সে স্টেইজে ডাকে।হিমার সাথে সেখানে হয় একই ক্যামেরার ফ্রেমে আবদ্ধ হওয়া।
আজ নিহাদ নানু বাড়ি যাবে বেড়াতে।এটম কে বলল এটম আমি তোমাকে অফ করে রেখে বেরিয়ে আসি।তুমি ভাল থেক।আমি তাড়াতাড়ি চলে আসব।উত্তরে এটম দুহাতে নিহাদকে ধরে উপরে জাগিয়ে তুলে ঘাড়ের উপর বসিয়ে বাসার একটা কোনে গিয়ে হাত পা গুটিয়ে খেলনা রোবট এর আকৃতি নেয়।নিহাদ ও রোবট টাকে অফ করে মামার সাথে নানু বাড়ি চলে যায়।ফাহাদের আজ অফিসের কাজ করতে করতে একটু রাত হয়ে যায়।
হিমা ফাহাদের অপেক্ষা করতে থাকে বাসায় বসে।নিহাদ না থাকায় হিমার একটু ভয় ভয় করছিল সে কান উচু করে রেখেছিল কখন ফাহাদ এসে হিমা বলে ডাক দিবে!!
একটু পর দরজায় নক হয়।সাথে সাথে প্রায় উড়ে গিয়েই হিমা দরজা খুলে দেয়।???? যেন সে অপেক্ষা ই করেছিল কখন দরজা খুলবে।দৌড় প্রতিযোগিতার আগে যেমন সবাই সিগনাল এর অপেক্ষায় একদম ১০০% প্রস্তুত থাকে তেমন হিমাও প্রস্তুত ছিল।
কিন্তু দরজা খোলার পর তার মনে পড়ল ফাহাদ কখনো দরজায় নক করে না।দরজায় এসে হিমা বলে মিষ্টি সুরে ডাক দেয়।হিমা বড় একটা ভুল করে ফেলেছে,সেটা বুঝার আগেই ৩/৪ জোড়া হাত এসে হিমাকে জাপটে ধরে।তাকে ধরে নিয়ে যায় খাটে।হাত পা বেধে ফেলে খাটের সাথে।মুখে কাপড় ঢুকিয়ে বাকরোধ করে কয়েকটা হায়না মেতে ওঠে নষ্ট উল্লাস এ।হিমার পরিধান করা শাড়ীর ভাজ খুলতে থাকে আস্তে আস্তে।উন্মুক্ত হতে থাকে হিমার মেদহীন পেট।তা দেখে হায়নাদের উল্লাস আরো বেড়ে যায়।তারা আরো উৎসাহে হিমার আচল খুলতে থাকে।হিমার মৃগনাভি উন্মুক্ত হয় তাদের সামনে।কেউ একজন লুটে পরে সেটার উপর।ফাহাদের একান্ত নিজের সম্পদে আজ হামলে পড়েছে কয়েকটা জানোয়ার।হিমার বুকফাটা আর্তনাদ শোনার জন্য এখন আর কেউ নেই।অসহায় হিমা গলাকাটা মুরগীর মত ছটফট করতে থাকে। ফাহাদ এখনো দেশ সেবায় ব্যস্ত।
অবশেষে হিমার শরীরে এখন আর শাড়ীর আঁচল নেই।এক জানোয়ার এসে হিমার শরীরের বাকি পরিধেয় গুল ও খুলে ফেলে।শেষ বারের মত গগন বিদারী নিস্তব্ধ চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারায় হিমা। অজ্ঞান হিমার সম্পূর্ন নগ্ন দেহটা চারজন ক্ষুদার্ত পুরুষের সামনে।হিমার হাত পা খুলে দেয়া হয়।জ্ঞানহীন হিমার প্রান টুকুই বাকি আছে।হিমার উন্মুক্ত বুকে হামলে পরে একজন একজন তার ঠোঁটে।কিছুক্ষন এর মধ্যেই হিমার শরীর থেকে রক্তপাত হয়।ঠিক যেমন ৫/৬ টা হায়না একটা হরিণী কে ধরলে যেমন ভাবে কুঁড়ে কুঁড়ে খায় তেমনি হিমার শরীরের প্রত্যেকটা জায়গায় মানুষরূপী হায়নাদের মুখ চলে যায়।এরপর একজন নিজের অবস্থান নিয়ে শুরু করে হিমার নিস্তেজ দেহ ভোগ করা।এরপর অন্যজন, এরপর অন্যজন এরপর অন্যজন। ফাহাদ হয়ত এগুল নিজ চোখে দেখলে তার পকেট থেকে পিস্তল বের করে নিজ মাথায় ঠুকে চালান করে দিত ছোট্ট বুলেট।এফোঁড় ওফোঁড় করে দিত ফাহাদের মস্তিষ্ক। তার সবচেয়ে প্রিয়, সবচেয়ে আপন কোন কিছুর সাথে এরকম আচরণ মেনে নিতে পারত না সে।পৃথিবীকে অপরাধী রেখে সে চলে যেত ওপারে।
পর্যায়ক্রমে হিমার নিস্তেজ শরীর ভোগ করার পর একটা ছুড়ি বের করে হিমার গলাটা কেটে রাখতে বেশি বেগ পেতে হয় না তাদের।যাওয়ার সময় পুরো বাসাটা তছনছ করে রেখে যাওয়া হয়।রোবট টাকে লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয় নিচে।কিভাবে যেন অন বাটনে প্রেস পড়ে সুইচড অন হয় এটমের।কিন্তু তখন ও খেলনা মুডে এটম।তাকে সুপারসনিক মুড এ নিতে আরো একবার অন বাটন প্রেস করতে হত।সারা বাসা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও নিহাদকে না পেয়ে ওরা চলে যায়।
বাসায় ফিরছে ফাহাদ।রাত ১২:৩০.হঠাৎ ফোন আসে ফাহাদের কাছে।
- হ্যালো!!
- মি.ফাহাদ।আমার ছেলেকে ফাসির কাঠগড়ায় দাড় করানোর ছোট একটা শাস্তি তুমি পেয়ে গেছ।
----টুট-টুট-টুট----
বুকিটা ধুপ করে ওঠে ফাহাদের।
বাসার সামনে জিপ থামিয়েই সে স্তব্ধ হয়ে যায়।
বাসার দাড়োয়ানের হাত পা বাঁধা।মুখে কাপড় দেয়া।অজ্ঞান অবস্থায় পরে আছে।তাকে মুক্ত করে ফাহাদ।সেখানেই পরে থাকে দাড়োয়ান টা।ফাহাদ ছুটে বাসায় ঢুকে।বাসার সব কিছু তছনছ করা।ছুটে ছুটে খেলছে রোবট টা।ফাহাদের হার্টবিট বেড়ে যায়।আরেকটু এগিয়ে যায় ফাহাদ।ডাইনিং রুমে ফাহাদের সব প্রিয় খাবার গুল সাজানো আছে।কিন্তু হিমা কোথায়,শংকিত মনে ফাহাদ আস্তে আস্তে এগিয়ে যায় বেড রুমের দিকে।
-----চলবে
লেখক, এইচ আই ফাহাদ
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now