বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নারিকেল পাতার নাকফুল (Part-4)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X শাওনঃ (কেঁদে কেঁদে) অনু আমি যে তোর মুখটা না দেখে থাকতে পারি না। তোর কাছে না এলে আমার যে ভীষণ কষ্ট হয়। তুই তো আমার সব আনন্দ.... তোর মাঝেই আমার সব সুখ। কি করে রাগ করবো তোর সাথে...... অনন্যাঃ আচ্ছা শাওন তোর কি মনে হয় আমি তোর ভালবাসা পাওয়ার যোগ্য...?? শাওনঃ অনু প্লিজ সব কথা বাদ দে অনু। আমার কিছু শোনার ইচ্ছে নেই, তুই শুধু বল তুই আমার হবি..... অনন্যাঃ দেখ শাওন এটা হয় না....... শাওনঃ কেন হবে না, আমি কি অপরাধ করেছি বল....?? অনন্যাঃ চোপ মাথা মোটা..... আচ্ছা তুই কখনো আমাকে তুমি করে বলতে পারবি...?? আমাকে কখনো শাসন করতে পারবি.....?? শাওনঃ না পারবো না, কিন্তু মন ভরে ভালবাসতে তো পারবো..... অনন্যাঃ শাওন মুখের কথায় জীবন চলে না....... দেখ তুই আমার জীবনের সব থেকে ভাল বন্ধু আর আমি চাই না আমাদের সুন্দর এই সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে যাক...... শাওন উঠে হাটতে হাটতে সেখান থেকে চলে গেল.... অনন্যা শাওনের চলে যাওয়ার ধরন দেখে নিজের চোখের পানি আর আটকাতে পারলো না। যে মানুষ টাকে ঘিরে জীবনের সব আনন্দ, উল্লাস ছিলো তাকে এতটা কষ্ট পেতে দেখে খুব বেশি অপরাধবোধ হচ্ছে অনন্যার। অনন্যার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছিলো... শাওন তোর অনু জানে তোর মত এত ভালো এই পৃথিবীর কেউই তোর অনুকে বাসতে পারবে না। আমি জানিরে শাওন তোর ভালবাসার কাছে বাপ্পির ভালোবাসা তুচ্ছ..... আমি যে তোকে খুশি করতে পারলে জীবনে সবচেয়ে বেশি খুশি হতে পারতাম। আমি যে অন্য কাউকে কথা দিয়েছি জীবন সংগী করবো বলে।" রাতে অনন্যা বাপ্পিকে অনেক বার মেসেজ করে, কিন্তু বাপ্পি কোন জবাব দেয় না। অনন্যার খুব খারাপ লাগছিলো বাপ্পিকে অনেক বেশি দেখতে ইচ্ছে করছিলো। সারা রাত কেঁদেই পার করে দিলো অনন্যা। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে অনন্যা দেখলো অনন্যার সারা ঘর ফুলে ফুলে ভরা, আর তার বিছানার পাশে একটা রঙিন খাম। খামটা খুলে অনন্যা দেখে একটা চিঠি...... অনু আমার জানু, তোর জীবন এই তুচ্ছ ফুল দিয়ে সামান্য রঙিন করার চেষ্টা টুকু করলাম মাত্র। আমি হয়তো তোর মনের মত হতে পারিনি বা তোর যোগ্যই ছিলাম না। জীবনে তুই আমাকে অনেক বেশি আনন্দ, অনেক বেশি খুশি দিয়েছিস। এই সুখকর স্মৃতি মরে গেলেও ভুলতে পারবো না। যানিস অনু আমি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বাহানায় তোকে কোলে তুলে নিতাম। আসলে আমি তোর শরীরের গন্ধটা তোর অনুমতি ছাড়াই নিয়ে নিতাম। তাই আজ তোকে ছেড়ে চলে যেতে সময়ও প্রাণ ভরে তোর শরীরের গন্ধটা শুকে নিয়েছি। আমি একটা অন্যায় করেছি রে অনু.... তোকে না বলেই তোর সখের টেডিবিয়ার টা নিয়ে গেলাম, মরার আগ পর্যন্ত যেন তোর শরীরের গন্ধটা নিতে পারি। অনু জানি না তোকে ছাড়া কত দিন বাচবো কিন্তু অনু তোকে প্রতিটা সেকেন্ড আমার মনের মত করে ভালবাসবো। অনু জানিস আমি কেন সব মেয়েদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতাম..... কারণ শাওন যে শুধু অনুকেই মন ভরে দেখতে চাইতো। আর এখন শাওন তার অনুকে দেখতে পারবে না অনু। অনু আমি জীবনে কখনওই কাদিনি.... অনু দেখ আজ তোকে ছেড়ে চলে যাচ্ছি তাই কাঁদতে কাঁদতে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। অনু যদি আমাকে আর কখনো ফিরে না পাশ তাহলে একটা দুঃস্বপ্ন ভেবে ভুলে যাস, আমার মত কপাল পোড়াকে........... অনু আমার জানু তুই অনেক বেশি সুখে থাকিস, তুই সুখি হলে তোর শাওন মরেও শান্তি পাবে। অহ অনু তোকে একটা কথা কখনো বলিনি, আসলে বলার সাহস পাই নি। অনু তোর গোলাপি লেহেঙ্গাতে তোকে একদম একটা মায়াবি পরীর মত লাগে, ওই লেহেঙ্গায় তোকে যত দেখেছি ইচ্ছে করতো এই সুন্দর পরীটাকে বুকের ভিতর খুব যতনে আগলে রাখি। অনু তোকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়েছি, মাফ করে দিস। ওই ছেলে পৃথিবী সব চেয়ে ভাগ্যবান যে তোর ভালবাসা পাবে। আর সেই সব থেকে অভাগা যে তোর কলিজার কাছে থেকেও পেল না তোর ভালবাসা। শুভ বিদ্যায়, অনু আমার জানু ........ Love You Jan চিঠিটা পড়েই অনন্যা পাগলের মত চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করলো.... আর চিৎকার করে বলতে লাগলো.....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নারিকেল পাতার নাকফুল (Part-4)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now