বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অনন্যা ভালবাসে বাপ্পিকে। আর শাওন ভালবাসে অনন্যাকে। কিন্তু বাপ্পি কি ভালবাসে অনন্যাকে....???
শাওন আর অনন্যা একই কলেজের একই বর্ষের ছাত্র-ছাত্রী। শাওন অনেক মেধাবী আর অনন্যা অনেক উচ্চ পর্যায়ের অভিনেত্রী। এই দুই জনকে এক সাথে দেখলে সবাই বলে মানিকজোড়। শাওন আর অনন্যা কখনই পড়া-শোনাই করে না। কিন্তু তাদের পরিক্ষার ফলাফল অভাবনীয় হলেও ভালো। ওরা দুজন ৫ম শ্রেণী থেকেই এক সাথে আছে।
ssc পরীক্ষার হলে শাওন দেখিয়ে ছিল তার মেধার নজির। ১ম পরীক্ষার সময় দুই জন আলাদা রুমে বসলেও পরের দিন থেকে এক সাথেই বসেছিল। কারন শাওন দ্বিতীয় পরীক্ষার আগের রাতে পরিক্ষার হলে চোরের মত ঢুকে সব ছিট নম্বর গুলো উল্টো পাল্টা করে দেয়। আর কোন প্রশ্ন কমন না পড়ার পরেও দুজনই ভালো নাম্বার পেয়ে পাশ করে যায়। কারণ শাওনের বুদ্ধিতে অনন্যা হলের সব গুলো ছেলেকে তার রূপের জালে ফাঁশিয়ে নেয়। পরীক্ষা চলাকালীন সব গুলো ছেলেকে অনন্যা নিজের ফোন নাম্বার দেয়। আর বলে দেয় ssc পরীক্ষা শেষ হলে ফোন করে যোগাযোগ রাখতে। যথারীতি পরীক্ষা শেষ করে সবাই অনন্যাকে কল করে। আর শাওন ফোনের মধ্যে সবার গুশটি উদ্ধার করে কারণ নাম্বারটা যে শাওনের.. ভালবাসাটাও তো শাওনেরই।
আর বাপ্পিতো এক অচেন পাখি। তাকে তো কখনই অনন্যা দেখেই নি। বাপ্পির একটা কবিতা পরেছিলো অনন্যা। আর তাও ফেসবুকের একট বিখ্যাত গ্রুপে............
কবিতাঃ নারিকেল পাতার নাকফুল......
জানো তুমি কত বেশি করে খুঁজেছি তোমায়..
জানি তুমি লুকিয়ে আছো পাইনা তাই আজো..
আমি জানি তুমি আমায় দেখতে পাওনা...
কিন্তু তাও মন দিয়ে তুমি আমাকে খোঁজো..
আমি থাকি তোমার মনের অনেক বেশি কাছে....
আমি কিন্তু আওয়াজ পাই তোমার প্রতিটি নিশ্বাসের....
তুমি ভালবাস না আমার মনের অফুরন্ত ভালবাসাকে...
তবে আশা করি তুমি মর্যাদা দিবে আমার বিশ্বাসের......
জানো কত ভালো লাগে আমার নারিকেল পাতা.....
অনেক ইচ্ছে হয় আমার একসাথে ভিজবো দুজন....
তুমি দুহাতে তুলে নিবে নারিকেল পাতার ছোয়া পানি.....
আমায় ভালবেসে হবে তুমি সখি আর আমি সুজন.....
তুমি ভালবাসো আমার অবাস্তব অদৃশ্য অন্তর সত্যাকে......
আর আমি ভালবাসি তোমার খোলা লম্বা কালো চুল....
আমি কিন্তু অতি গরীব নারিকেল পাতার কারিগর....
তাই তোমার জন্য তৈরি করছি নারিকেল পাতার নাকফুল...
আমি বহু চেষ্টা করেও পারছিনা বানাতে তোমার মনের মত....
নাকফুল বানাতে গিয়ে ভেঙেছি নারিকেল পাতা কত কত......
মনে অনেক বেশি আশা এবার একচুল হবেনা কোন ভুল....
তোমার জন্য বানিয়ে দেখাবো নারিকেল পাতার নাকফুল....
দেখোনি তুমি একবারও আমায়, তাই দেখার ইচ্ছা অনেক বেশি
অপেক্ষা করোগো, যতদিন না সফতা পেয়ে ফিরে আসি.....
স্বপ্নে দেখেছি তোমার খোলা চুল আর নাকে সবুজ নাকফুল...
তাই খুব জলদি সামনে এসে দাঁড়াবো তোমার, হাতে নিয়ে নারিকেল পাতার নাকফুল.....
কবিতাটি অনন্যার মনে আঘাত করে। অনন্যা কবিতার নায়কের হাতের নাকফুলটি পড়ার জন্যে ব্যাকুল হতে সুরু করে। নারিকেল পাতা অনন্যার অন্তরে গেথে গেছে। অনন্যা তাই Bappy Tro নামের আইডিতে রিকুয়েস্ট পাঠিয়েই দিলো...... অনন্যা কিছুটা অবাক হলো... রিকুয়েস্ট পাঠানোর সাথে সাথেই একছেপ্ট করে নিলো......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now