বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
নামায আদায় করা ফরজ
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Samir♥ (০ পয়েন্ট)
X
আল্লাহ তায়ালা আমাদের যতগুলো বিষয় ফরজ করেছেন,যতগুলো বিষয়গুলোকে আবশ্যক করে দিয়েছেন তার মধ্যে সালাত অন্যতম।
নামায হলো দ্বীনের স্তম্ভ,নামায হচ্ছে আল্লাহ ও বান্দার মাঝে সম্পর্কের মাধ্যম।কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব পাবে।
যদি কারোর নামায ঠিক হয়ে যায়,তাহলে তার সমস্ত আমল ঠিক হয়ে যাবে।আর যদি কারোর নামায ঠিক না থাকে তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।
একজন মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী বিষয় হলো নামায।নামায আদায় করা ইমানের অংশ,নামায ছেড়ে দেওয়া কূফরের অংশ।যার কোনো নামায নেই তার দ্বীন নেই।
যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দেয় তার ইসলামে কোনো অংশ নেই।যে ব্যাক্তি ঠিকমতো নামায আদায় করবে আল্লাহ তায়ালা তার অন্তরকে আলোকিত করবেন,তার চেহারাকে আলোকউজ্জল করবেন,তার কবরকে আলোকময় করে দিবেন।
কিয়ামতের ভয়াবহ মুহূর্তে নামায তার জন্য নামাযের ওছিলা হবে।যে ঠিকমতো নামায আদায় করবে নবি-রসূলগণ,শহীদ,সত্যবাদী ও নেককার লোকদের সাথে তার হাশর হবে।
আর যে ব্যাক্তি ঠিকমতো নামায আদায় করবে না তার আখেরাত অন্ধকারচ্ছন্ন হবে,কিয়ামতের দিন তার মুক্তির কোনো উপায় থাকবে না।ফিরাউন,হামান,কারূন এবং উবায় বিন খালফের মতো নিকৃষ্ট কাফেরদের সাথে তার হাশর হবে।
হে যুবক তুমি কি রসূল (সাঃ) এর সাথে হাশরের ময়দানে পূনরুথিত হতে চাওনা!তুমি কি চাওনা নবি-রসূল,সুহাদা এবং সত্যবাদীদের সাথে তোমার হাশর হোক!
তাহলে নামাযের ক্ষেত্রে কেন অবহেলা করছো!মসজিদের মিনার থেকে যখন,নামাযের দিকে,কল্যাণের দিকে আহ্বান করছে তখন তুমি নামাযে না যেয়ে,মুয়াজ্জিনের কথায় সাড়া না দিয়ে,বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছো,মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত রয়েছো,খেল-তামাশাই নিজেকে ডুবিয়ে রেখেছো!
ফযরের সময় যখন মুয়াজ্জিন সুমিষ্ট কন্ঠে বলছে,ঘুমের থেকে সালাত উত্তম,কিন্তু তুমি সেই মুহূর্তেও তুমি চাদর মুড়ি দিয়ে গভীর ঘুমে বিভর হয়ে আছো!হে যুবক কখন তোমার ঘুম ভাঙবে!
কখন তুমি নামাযের গুরুত্ব বুঝবে!হে যুবক আখেরাতের ভয় কি তোমার অন্তরে নেই!তুমি কি মৃত্যুকে ভয় পাও না!কবরের জীবনের কথা স্মরণ করো না!মনে রেখো কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব হবে।
আজকে তুমি ইচ্ছাকৃতভাবে নামায বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে আছো,আজ তুমি ইচ্ছাকৃতভাবে নামায কাজা করছো,কিয়ামতের দিন তুমি আল্লাহর সামনে কি জবাব দিবে!
কিয়ামতের কঠিন মুহূর্তে তোমার কি প্রস্তুতি রয়েছে!হে যুবক আসো কবরের আযাব থেকে বাচিঁ,জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেকে রক্ষা করি,মুয়াজ্জিনের ডাকে সাড়া দিয়ে আল্লাহর সামনে সিজদাহ অবনত হই।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now