বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আবীর বলল-চলো কৃপা,, নীলাচল পর্বতেরর দিকে যাই,,,সেখানে গেলেই তুমি তোমার জন্ম রহস্য জানতে পারবে ,,,
আমি মাথা নেড়ে হ্যা সূচক সম্মতি দিলাম,,,, পা বাড়ালাম গন্তব্য স্থানে,,,,সাপেদের রাজ্য পেরিয়ে,,আরো ঘনো জঙ্গলে ঢুকে পরলাম,,কিন্তু মনে একটা অসস্থি কাজ করছিল,,,,,মনে হচ্ছে আমাদের কেউ পিছু নিয়েছে,,, পিছন ফিরে দেখি কেউ নেই,,,হাটতে হাটতে আমরা একটা পুরোনো বটগাছের নিচে বসলাম,,,,
হঠাৎ বটগাছের কোঠার থেকে কে যেন বেড়িয়ে আসল,,খুব ভয় পেয়ে গেলাম কিন্তু, লোকটি অভয় দিয়ে বলল,,,,
-ভয় পেয়না আমি তোমার সাহায্য করার জন্যই এসেছি,,,,তোমাদের যাত্রাপথ শুভম করার জন্য,,তোমাদের সাথে একটা পরী দিয়ে দিচ্ছি,,,
,,,,একথা বলে সে একটা পাতার বাঁশি বানিয়ে বাঁজাতে লাগল,,,হঠাৎ একটা পরী উরে এসে আমাদের স্বাগত জানালো, , আমার একটু অবাক লাগছিলোকেনই বা তারা এরকম করছে,,,,,,আমিই বা কে??????আর নীলাচল গুহাই বা
কি আছে????ভাবতে ভাবতে হঠাৎ আবীর বলল,
-আমার একটি কাজ আছে,,,,ওই পরীটা তোমাকে নিয়ে যাবে,,,,,আমি তোমার সাথে যেতে পারব না,,,
কী আর করার??লোকটিকে আর আবীরকে বিদায় জানিয়ে,,পরীর পাখায় ভর দিয়ে,,উরে চললাম গুহার দিকে,,,
যেতে যেতে পরীটার নাম জিজ্ঞেস করলাম,,,,ও বলল,,,
-আমার নাম,তৃনা,,,।
পৌছে গেলাম নীলাচল গুহার মুখে,,,,কিন্তু এখান থেকে আমাকে একাই যেতে হবে,,,তৃনা যেতে পারবে না।কারন পরীদের নাকি সিমানা থাকে।ও আমার জন্য এখানেই অপেক্ষা করবে।
আমার আর কিছুই করার নেই।গুহারদিকে যেতেই পথ আটকে দাড়ালো এক যুবক।অপুর্ব দেখতে।এসেই বলল.........................
পাঠকদের কোনো সাড়া পাচ্ছিনা
এরকম হলে পরবর্তি পর্ব দেওয়া হবে না।so comment plzzzzz.(continue)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now