বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৩৭

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X তখন মনে পড়ল ছুটির দিনে যখন তার হাতে কোনো কাজ থাকে না তখনই সে ম্যাগাজিন জোগাড় করে। ম্যাগাজিনের পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে ঘুমায়, আবার জেগে উঠে ম্যাগাজিনের পাতা ওল্টায় ,কিছুক্ষণ পর আবার ঘুমিয়ে পড়ে। জীবনের কাছে তার যেন কিছুই চাওয়ার বা পাওয়ার নেই । চার-পাঁচটা টিউশনি, মাঝেমধ্যে কিছু খুচরা কাজ এবং গ্রুফ দেখার কাজেই সে খুশি। বিএ পাস করার পর কিছুদিন সে চাকরির চেষ্টা করেছিল । তারপর-‘দুর আমার হবে না।’ এই বলে সব ছেড়েছুড়ে দিল। আমি একবার বলেছিলাম ,সারাজীবন এই করে কাটাবি নাকি? সে বলল, অসুবিধা কী? তুই তো কিছু না-করেই কাটাচ্ছিস। আমার অবস্থা ভিন্ন । আমার ভেবেছিলাম , একবার হয়তো জিজ্ঞেস করবে কিসের এক্রপেরিমেন্ট, তাও করল না । আসলেই তার জীবনে কোনো কৌতূহল নেই। রূপাকে অনেক বলেকয়ে একবার রাজি করেছিলাম যাতে সে মজিদকে নিয়ে চিড়িয়াখানা থেকে ঘুরে আসে।আমার দেখার ইচ্ছা একটি অসম্ভব রূপবর্তী এবং বুদ্ধিমর্তী মেয়েকে পাশে পেয়ে তার মনের ভাব কী হয় । আগের মতোই সে কী নির্লিপ্ত থাকে,না জীবন সম্পর্কে খানিকটা হলেও আগ্রহী হয়। আমার প্রস্তাবে রূপা প্রথমে খুব রাগ করল। চোখ তীক্ষ্ণ করে বলল, তুমি নিজে কখনো আমাকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে গিয়েছ? চিনি না জানি না একটা ছেলেকে নিয়ে আমি যাব।তুমি আমাকে পেয়েছ কী? সে যতই রাগ করে, আমি ততই হাসি। রূপাকে ঠান্ডা করার এই একটা পথ। সে যত রাগ করবে আমি তত হাসব।আমার হাসি দেখে সে আরো রাগবে। আমি আরো হাসব।সে হাল ছেড়ে দেবে। এবারো তাই হলো।সে মজিদকে নিয়ে যেতে রাজি হলো । আমি একটা ছুটির দিনে মজিদকে বললাম,তুই চিড়িয়াখানা থেকে ঘুরে আয়। পত্রিকায় দেখলাম জিরাফ এনেছে। মজিদ বলল, জিরাফ দেখে কী হবে? কিছুই হবে না । তবু দেখে আয় । ইচ্ছে করছে না। আমার এক দূর-সম্পর্কের ফুপাতো বোন-বেচারির চিড়িয়াখানা দেখার শখ। সঙ্গে কোনো পুরুষমানুষ না থাকায় যেতে পারছে না । আমার আবার জন্তু জানোয়ার ভালো লাগে না । তুই তাকে নিয়ে যা। মজিদ বলল, আচ্ছা। আমার ধারণা ছিল রূপাকে দেখেই মজিদ একটা ধাক্কা খাবে। সে রকম কিছুই হলো না । রুপা গাড়ি নিয়ে এসেছিল, মজিদ গম্ভীরমুখে ড্রাইভারের পাশে বসল। রূপা হাসি মুখে বলল, আপনি সামনে বসছেন কেন? পেছনে আসুন। দু জন গল্প করতে করতে যাই ।মজিদ বলল, আচ্ছা। পেছনে এসে বসল।তার মুখ ভাবলেশহীন। একবার ভালো করে দেখলও না তার পাশে যে বসে আছে সে মানবী না অপ্সরী। ফিরে আসার পর জিজ্ঞেস করলাম,কেমন দেখলি? ভালোই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৬ শেষ পাতা
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫০
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৯
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৮
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৭
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৬
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৪
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪১
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now