বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৩০

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X দাদাজান গম্ভীর গলায় বললেন, আমি তো আপনাকে বলেছি তাকে নিতে পারবেন না। সে গ্রামে গিয়ে কী করবে? সে এখানেই থাকবে । পড়াশোনা করবে। তাকে স্কুল ভরতি করা হয়েছে। আমার বড়মামা বিচিত্র ভঙ্গিতে হাসলেন। যেন এই রকম হাস্যকর কথা তিনি আগে কখনো শুনেন নি। দেখেন তালুই সাহেব। ছেলের বাবা পাত্র মারফত এই অধিকার দিয়ে গেছে । এখন যদি আপনারা দিতে না চান, বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিতে হবে। কোর্টে ফায়সালা হবে, উপায় কী? যদিও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মামলা-মোকদ্দমা কোনো কাজের কথা না। দাদাজানের মুখে কোনো কথা এল না। বড়মামা এস্ট্রেতে আর একবার পানের পিক ফেলে বললেন, বাবার ইচ্ছামতোই কাজ হোক। খামখা আপত্তি করছেন কেন? ছেলের খরচাপাতির জন্যে মাসে মাসে টাকা দিবেন। তাহলেই তো হয়। আপনি কী করেন? তেমন কিছু না । সামান্য বিষয়সম্পত্তি আছে। টুকটাক ব্যবসা আছে। ইউনিয়ন কাউন্সিলের মেম্বার ছিলাম। এইবার জিততে পারি নাই। সতের ভোটে ঠগ খেয়েছি । যদি অনুমতি দেন একটু বেয়াদবি করি? কী বেয়াদবি? একটা সিগারেট ধরাই। এমন নেশা হয়েছে না-খেলে দমটা বন্ধ হয়ে আসে। বড়মামা অনুমতির অপেক্ষা না করেই সিগারেট ধরালেন। দাদাজান বললেন, আপনি একে নিতে চাচ্ছেন কারণ আপনার ধারণা একে নিলে মাসে মাসে মোটা টাকা পাবেন। তাই না? বড়মামা অত্যন্ত বিস্মত হওয়ার ভঙ্গি করে বললেন, এই হাতের পাঁচ আঙুলের ভিতর দিয়া অনেক টাকা গেছে। অনেক টাকা আসছে । টাকা আমার কাছে কিছুই না। আসছি রক্তের টানে। রক্তের টান কঠিন জিনিস তালুই সাহেব। এই – যে বোন বিয়ে দিলাম তারপরে আর কোনো খোঁজ নাই। কী যে যন্ত্রণা । যাক হিমালয় বাবাকে দেখে মনটা শান্ত হয়েছে। তা বাবা , তোমার নাম কি সত্যি হিমালয়? আমি কিছু বলার আগেই দাদাজান বললেন, না ওর নাম চৌধুরি ইমতিয়াজ। চৌধুরী আগে কী জন্যে? চৌধুরী থাকবে থাকবে পিছে। আগে ঘোড়া তারপর গাড়ি। কী বলেন তালুই সাব? দাদাজান কোনো উত্তর দিলেন না। তাঁর চোখে-মুখে ক্রোধ ও ঘৃণা। চা এবং কেক এনে কাজের ছেলে সামনে রাখল। বড় মামার মুখে পান। সেই অবস্থাতেই চায়ে চুমুক দিলেন। কেক হাতে নিলেন। দাদাজান বললেন, আমার ছেলে আপনার বোনের খোজ পেল কী করে? সেটা তালুই সাব, আপনার ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেই ভালো হত। আফসোস সে জীবিত নাই। আমরা আপনার ছেলেকে খুজে বের করি নাই। সে বন্ধুর সাথে আমাদের অঞ্চলে এসেছিল তারপরে কেমনে কেমনে হয়ে গেল। সত্যি কথ বলতে কী তালুই সাব, বিয়ের পর মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লাম। বোনের খোঁজ নাই। নানা লোকে নানা কথা বলে। কেউ বলে নামকাওয়ান্তে বিয়ে করে নিয়ে গেছে, পাচার করে দেবে। ইন্ডিয়া পাকিস্তান তারপর ধরেন মিডল ইস্ট। এইসব জায়গায় মেয়েকে ভাড়া খাটাবে। বাচ্চা ছেলের সামনে এ রকম কুৎসিত কথা বলবেন না। কুৎসিত কথা না। এগুলো সত্যি কথা। এই রকম পার্টি আছে। সত্যিকথা সবসময় বলা যায় না। আমার কাছে এটা পাবেন না তালুই সাব। সত্য কথা আমি বলবই। ভালো লাগুক আর না-লাগুক। তাই নাকি? জি। আর হিমালয় বাবাকে নিয়ে যাব। পরশু সকালে এসে নিয়ে যাবে। তৈরি থাকতে বলেন। মামলার তদবিরে এসেছি। দুটা দিন লাগবে। এই ছেলেকে আমি আপনার সঙ্গে দেব না। এসব বলবেন না তালুই সাব। আত্নীয়ের মধ্যে গন্ডগোল আমার পছন্দ হয় না। আইনের আশ্রয় নিলে আপনারও ক্ষতি আমারও ক্ষতি। আর্থিক ক্ষতি, মানসিক ক্ষতি। কোর্ট ফি এখন বাড়ায়ে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৬ শেষ পাতা
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫০
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৯
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৮
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৭
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৬
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৪
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪১
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now