বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভিক্ষা করে জীবন যাপন করার চেয়ে কি ভালো না?
না । ভিক্ষা করে বেঁচে থাকার মধ্যে আলাদা একটা আনন্দ আছে। প্রাচীন ভারতের সাধু-সন্ন্যাসীদের সবাই ভিক্ষা করতেন। বাউল সম্প্রদায়ের সাধনার একটা বড় অঙ্গ হচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তি। এরা অবশ্যি ভিক্ষা বলে না। এরা বলে মাধুকরী।
আমার কাছে লেকচার ঝাড়বে না।
ফুপা আমি কি তাহলে উঠব?
যাও ওঠ। শুধু একটা জিনিস বল–যে ধরণের জীবন তুমি যাপন করছ তাতে আনন্দটা কী?
যা ইচ্ছা করতে পারার একটা আনন্দ আছে না?
যা ইচ্ছা তুমি কি তাই করতে পারবে?
অবশ্যই পারব। বলুন কী করতে হবে?
খুন করতে পারবে?
কেন পারব না। খুন করা আসলে খুব সহজ ব্যাপার।
সহজ ব্যাপার?
অবশ্যিই সহজ ব্যাপার। যে কেউ করতে পারে। রোজ কতগুলো খুন হচ্ছে দেখছেন তো! খবরের কাগজ খুললেই দেখবেন। আমার তো রোজই একটা-দুটা মানুষকে খুন করতে ইচ্ছা করে।
হিমু। Your are a sick man. You are a sick man.
আর খাবেন না ফুপা। আপনি মাতাল হয়ে গেছেন।
কী করে বুঝলে মাতাল হয়ে গেছি। কী করে বুঝলে?
মাতালরা প্রতিটা বাক্য দুইবার করে বলে। আপনিও তাই বলেছেন। আপনি বাথরুমে গিয়ে বমির চেষ্টা করুন। বমি করলে ভালো লাগবে।
বলেই আমি চেয়ার ছেড়ে সরে গেলাম। বমির কথা মনে করিয়ে দিয়েছি, কাজেই ফুপা এখন হড়হড় করে বমি করবেন। হলোও তাই। তিনি চারদিক ভাসিয়ে দিলেন। ওয়াক ওয়াক শব্দে ফুপু ছুটে এলেন। তিনি তার সাজানো ঘর দেখে স্তম্ভিত। ফুপাকে দেখে আমার মনে হচ্ছে তার নাড়িভুঁড়ি উল্টে আসছে। হঠাৎ হয়তো দেখব বমির সঙ্গে তাঁর পাকস্থলী বের হয়ে আসছে । সেই দৃর্শ্য খুব সুখকর হবে না। আমি বারান্দায় চলে এলাম। রিনকি ছুটে এসেছে, বাদলও এসেছে।
ফুপা চিঁচিঁ করে বলছেন–সুরমা আমি মরে যাচ্ছি। ও সুরমা আমি মরে যাচ্ছি।
বমি করতে করতে কোনো মাতাল মারা যায় বলে আমার জানা নেই। কাজেই আমি রাস্তায় নেমে এলাম । সিগারেট কেনা দরকার। আকাশে মেঘের আনাগোনা। বৃষ্টি হবে কিনা কে জানে। হলে ভালোই হয়। এই বৎসর এখনো বৃষ্টিতে ভেজা হয় নি। নবধারা জলে স্মান বাকি আছে।
সিগারেটের সঙ্গে জরদা দেয়া দুটো পান কিনলাম। জরদার নাম সবই পুংলিঙ্গে–দাদা জরদা, বাবা জরদা। মা জরদা, খালা জরদা এখনো বাজারে আসে নি যদিও মহিলারাই বেশি জরদা খান। কোন একটা জরদা কোম্পানিকে এই আইডিয়াটা দিয়ে দেখলে হয়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now