বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফুপুর মুখ আরো অন্ধকার হয়ে গেল।
তখন মনে পড়ল–কী সর্বনাশ! ফুপা নিজেই বিরাট লম্বা, প্রায় ছ ফুট। আজ দেখি একের পর এক ঝামেলা বাঁধিয়ে যাচ্ছি।
তুই যাবার আগে তোর ফুপার সঙ্গে কথা বলে যাবি। তোর সঙ্গে নাকি কী জরুরী কথা আছে।
নো প্রবলেম।
আর রিনকির সঙ্গে কথা বলার সময় জামাই লম্বা কি বেঁটে এ জাতীয় কোনো কথাই বলবি না।
বেঁটে লোকেরা যে জ্ঞানী হয় এই কথাটা ঠিক কায়দা করে বলব?
তোর কিছুই বলার দরকার নেই।
ঠিক আছে। ঠাণ্ডা পেপসি টেপসি থাকলে দাও। তোমরা তো কেউ পান খাও না। কাউকে দিয়ে তিনটা পান আনাও তো।
রিনকির সঙ্গে দেখা করতে গেলাম। এই মেয়ে নাইন-টেনে পড়ার সময় রোগাভোদা ছিল–এখন দিনদিন মোটা হচ্ছে। আজ অবশ্যি সে রকম মোটা লাগছে না। ভালোই লাগছে। মনে হচ্ছে এর চেয়ে কম মোটা হলে তাকে মানাত না।
কি রে, ক্লাস ওয়ান একটা বর জোগাড় করে ফেললি? কনগ্রাচুলেশনস।
রিনকি অসম্ভব খুশি হলো। অবশ্যি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে ঠোঁট উল্টে বলল, ক্লাস ওয়ান বর না ছাই। ক্লাস থ্রি হবে বড় জোর।
মেয়েদের আমি কখনও খুশি হলে সেই খুশি প্রকাশ করতে দেখি নি। একবার একটা মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল। সে ইণ্টারমিডিয়েটে ছেলে-মেয়ে সবার মধ্যে ফার্স্ট হয়েছে। আমি বললাম, কি খুশি তো? সে ঠোঁট উল্টে বলল, উহুঁ বাংলা সেকেণ্ড পেপারে যা পুওর নাম্বার পেয়েছি। জানেন, মার্কশিট দেখে কেঁদেছি। রিনকিরও দেখি সেই অবস্থা। খুশিতে মুখ ঝলমল করছে অথচ মুখে বলছে–ক্লাস থ্রি।
হিমু ভাই, ও কিন্তু দারুন শর্ট। মনে হয় কলিংবেল হাত দিয়ে নাগাল পাবে না।
আমি অত্যন্ত খুশি হবার ভঙ্গি করলাম। খুশি গলায় বললাম, তাহলে তো তুই লাকি। ভাগ্যবতী মেয়েদের বর খাটো হয়–খনার বচনে আছে।
যাও।
সত্যি–খনা বলেছেন : খাটো পেয়ারা ভালো। খাটো স্বামীর মন…তারপর আরো কী কী যেন আছে মনে নেই।
বানিয়ে বানিয়ে কী যে মিথ্যা তুমি বল। এই ছড়াটা তুমি এক্ষুণি বানালে তাই না?
হুঁ।
কেন বানালে বল তো?
তোকে খুশি করবার জন্য।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now