বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ঘটনাটি শোনা আমার নানার কাছ থেকে। কতখানি সত্যতা আমার জানা নাই তবে ঘটনাটি সত্যই বলা চলে। কারন তখন আমি বেশ ছোট এবং ঘটনাটি আমার নানা নিজ চোখে দেখেছিলেন।
দুই বান্ধবী মিলি এবং মমতা। ছোট বেলা থেকেই দুই জন এক সাথেই পড়াশোনা করে। মেডিকেলকলেজে এক সাথে ভর্তি হয়েছে। এক রুমে থাকে। দুইজন এর পরিচয় ছোট বেলা থেকে । তাই সব কাজ দুই জন এক সাথেই করত।
এক দিন মর্গে প্রেকটিকেল এর কাজ পরল দুইজন এর। লাশ কেটে পোস্ট মরটেম করা শিখান হচ্ছে। মিলি থেকে মমতা একটু ভাল ছাত্রী। মমতা মনোযোগ দিয়ে লাশ কাটছিল। ক্লাস শেষ এ সবাই মর্গ থেকে বের হলেও মমতা খেয়াল করল না । সে মনে করল মিলি তার পাশে আছে। মর্গ থেকে বাইরে বোঝা যায়না যে রাত না দিন। এই দিকে মিলি মনে করল যে মমতা রুম এ চলে গেছে। ও একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম দিনটি ছিল বৃহস্পতি বার। শুক্র বার কলেজ বন্ধ থাকে। এই দিক এ মমতাকে ভিতরে রেখেমর্গ এর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
শনি বার মর্গ এর দরজা খুলতে গিয়ে ভিতরে অস্বাভাবিক শব্দ শোনা যায়। ভিতরে গিয়ে যা দেখা যায় তা হল মমতাঅস্বাভাবিক আচরন করছে। ওকে দেখতে অনেক খানি হিংস্র প্রানির মত লাগছে। ওর মাথার চুল সাদা হয়ে গেছে। এবংমর্গে যত লাশ ছিল সব কয়টা ছিল ছিন্নভিন্ন। মমতাকে দেখে চেনা যাচ্ছিল না। যাকে দেখছিল তাকেই ও আক্রমন করছিল। শেষ পর্যন্ত মমতা কে গুলি করে মারা হয়। মমতাকে মারতে গুলি লেগেছিল ১১ টি।
এই ঘটনার২ মাস পর মিলি আত্মহত্যা করে। কারন মিলি মনে করত মমতা ওর কারনে মারা গিয়েছে। ওই মর্গে এর পর কখনও কোন ক্লাস হয় নি!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now