বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খাঁচায় ভাই-বেরাদরদের সাথে ভালোই ছিলাম। হঠাৎ এক পুঁচকা এসে বিছরাতে বিছরাতে আমার পা ধরে হ্যাঁচকা টান। ডানা টানা ঝাঁপটিয়ে কোনোমতে সিধা হয়ে দাঁড়াই একেবারে ঘরের মধ্যেখানে। চারিদিকে কেমন পেঁয়াজ- আলুর গন্ধ আর চাপাতির রোশনাই। মরণ যে এতো তাড়াতাড়ি চলে আসবে বুঝতে পারি নাই। ভাই-বেরাদরদের দিকে তাকিয়ে দেখি- তারা আড়চোখে দেখেও না দেখার ভান করছে। আরেক পুঁচকা ঘরের দরজা খুলে বেরোতে গেলে জান হাতে নিয়ে দিলাম ভৌ দৌঁড়। পুঁচকাদের আব্বা বা জ্যাঠাদের কেউ একজন চাপাতিতে ধার দিচ্ছিল। সেও দিল আমার পেছন পেছন ভৌ দৌঁড়। পুঁচকারা আর তাদের আব্বা বা জ্যাঠা বা কাকাদের আরও কেউ কেউ আমার পিছু নিল। এই চললো বেশ কিছুক্ষণ। শেষমেষ ধরা পড়লাম প্রথম পুঁচকার হাতে। নিয়ে আসা হলো প্রথম ঘরে। ভাই-বেরাদররা এবার দেখি সরাসরিই তাকাচ্ছে। ক্লান্তি নাকি মৃত্যুভয়ে আমার একটা ডিম বেরিয়ে গেল। প্রথম পুঁচকা বলে বসল- 'এই মুরগী কাটা যাবে না। দেখো কি সুন্দর ডিম দেয়।' পুঁচকার আব্বা বা জ্যাঠা বা কাকাদেরও কথাটা যেন মনে ধরল। তারপর থেকে দিব্যি আছি। খাই দাই আর বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াই। ভাই-বেরাদরদের মাঝে মধ্যে পা ধরে টান পড়ে আর চাপাতি রোশনাই ছড়ায় রক্ত ছিটিয়ে। দেখেও না দেখার ভান করি। দিব্যি দিন কাটছিল এভাবেই। তারপর একদিন তারা আমায় জবাই করে কেটে খেয়ে ফেলে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now