বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মরণবান—০৩

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X মরণবান আবুল ফাতাহ মুন্না তিন ওয়ারহাউসের ভেতরটা অন্ধকার। এখানে ঢোকার দুটো পথ আছে। একটা বিশাল বড় গেট। ওটা দিয়ে আস্ত লরি সেঁধিয়ে যেতে পারবে। আরেকটা মনুষ্য সাইজের দরজা সেটার পাশেই। সাধারণ যাতায়াতের জন্য। ওয়ারহাউস পরিত্যাক্ত হবার পর থেকে বড় গেটটা পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। থমাস দেখা যাচ্ছে তেমন কোনো সিকিউরিটির ব্যবস্থাই রাখেনি। তালা খোলার সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করতেই খুট করে খুলে গেল দরজা। অবাক হয়ে ভাবল বেন। ভেতরটা অন্ধকার। আলো জ্বালাবার প্রশ্নই ওঠে না। চোখে আঁধার সয়ে আসার অপেক্ষা করতে লাগল বেন। ঠিক তখনই, ভেতরে ঢোকার দশ সেকেন্ডের মাথায় উজ্জ্বল আলোয় ধাঁধিয়ে গেল বেনের চোখ। চোখে আঁধার সয়ে এলেও তো এতটা আলো হবার কথা না! 'ওয়েলকাম, বেঞ্জামিন রাইট।' ভরাট একটা কন্ঠস্বর ভেসে এল খুব কাছ থেকেই। চোখ পিটপিট করে সেদিকে তাকাল বেন। অবশ্য তাকাবার আগেই কন্ঠের মালিককে চিনতে পেরেছে। থমাস পাওয়েল! 'তুমি এত দুর্ধর্ষ একজন এসপিওনাজ এজেন্ট হয়ে কীকরে ভাবতে পারলে আমার ডেরায় কেউ অনুপ্রবেশ করবে আর আমি সেটা টেরই পাব না?' বেন এবার চোখ মেলে তাকাল থমাসের দিকে। ওই তো সেই বেঁটে- খাটো তুখোর বিজ্ঞানী থমাস দাঁড়িয়ে। নিষ্কম্প হাতে ধরা মৃত্যুদূত। সিআইএ'র তত্বাবধানে গবেষণা করলেও থমাসকে বেন সব সময়ই একজন বিজ্ঞানী ভেবে এসেছে। সেজন্যই সিকিউরিটির ব্যবস্থা না দেখে অবাক হলেও অসম্ভব কিছু ভাবেনি। ভাবা উচিত ছিল। যে লোক দুনিয়ার সমস্ত সিক্রেট সার্ভিসকে এতদিন ঘোল খাইয়ে যাচ্ছিল তাকে আন্ডার এস্টিমেন্ট করা ঠিক হয়নি। তবে ভরসার কথা শেষপর্যন্ত থমাসের দেখা ও পেয়েছে। এখন প্রয়োজন একটা সুযোগ। 'এই ওয়ারহাউসের প্রতিটা প্রবেশ পথে সেন্সর লাগানো রয়েছে। কেউ অনুপ্রবেশ করতে চাইলেই আমার কাছে সিগন্যাল চলে আসবে। কী করব বলো, গরীব মানুষ। এর চাইতে ভাল সিকিউরিটির ব্যবস্থা করা আমার পক্ষে সম্ভব না। তবে বেঞ্জামিন রাইট যে ফাঁদে ফেঁসে যায় তাকে অতটা অকর্মাও বলা যায় না, কী বলো?' সজোরে হেসে উঠল থমাস। বেন কথা বলছে না।ববিশাল ওয়ারহাউসের এক কোণে একটা কামরা তৈরি করা হয়েছে। বেশ বড় রুমটা। এটাকে লিভিং কোয়ার্টার হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। তার কিছুটা দূরে আরেকটা রুম। দেখেই ল্যাবরেটরি বলে শনাক্ত করতে পারল বেন। থমাস কথা বলছে ল্যাবরেটরির দরজায় দাঁড়িয়ে। 'আমি জানতাম কেউ না কেউ তোমরা আসবেই। এসেই পড়েছো ফাইনালি। এখন তাহলে পকেট থেকে পিস্তলটা বের করে মাটিতে ফেলে দাও।' থমাসের আদেশে উচ্চবাচ্য না করে শোল্ডার হোলস্টার থেকে লুগ্যারটা বের করে মাটিতে ফেলে দিল বেন। 'গুড, এবার পা দিয়ে আস্তে করে লাথি মেরে পাঠিয়ে দাও আমার কাছে।' এবারও বাধ্য ছেলের মত আদেশ পালন করল বেন। হতাশায় মাথা নাড়ার ভঙ্গি করল থমাস।' বন্ধু, এতগুলো বছর তোমাদের সাথে কাজ করেছি, আর তুমি যে দুর্দান্ত নাইফ থ্রোয়ার, সবসময় সাথে থ্রোয়িং নাইফ রাখো, সেটা জানব না? ছুরিটাও বের করে এদিকে পাঠিয়ে দাও।' মাথায় বাড়ি দিল যেন কেউ বেনকে। মনে মনে দমে সাংঘাতিক গেলেও মুখটা স্বাভাবিক রেখে থমাসের আদেশ পালন করল। 'গুড, এবার মাথার উপর হাত তুলে লক্ষী ছেলের মত লিভিং কোয়ার্টারের দিকে এগোও। খুব ধীরে! আমি তোমার পেছনেই আছি। ও হ্যা, ভাল কথা, গুলি ছুড়তে কিন্তু আমি একটুও দ্বিধা করব না উল্টোপাল্টা দেখলে। পরীক্ষা প্রার্থনীয়!' দাঁত কেলিয়ে হাসল থমাস।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মরণবান—০৩

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now