বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মৃত্যুসম দেবর

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আব্দুল্লাহ(guest) (০ পয়েন্ট)

X ফিরোজ সাহেবের মনটা আজ খুবই বিষন্ন।তাই কাক ডাকা ভোরেই তিনি ঘুম থেকে জেগে উঠে পড়েছেন। কিছুক্ষণ পর আযান হলে মসজিদে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করবেন। ফিরোজ সাহেবের ফ্যামিলির সবাই দ্বীনদার না হলেও তিনি মোটামুটি ইসলামের হুকুম পালনের চেষ্টা করেন। মসজিদ থেকে এসে ফিরোজ সাহেব নাস্তা খেয়ে পোশাক পাল্টিয়ে নিজের গাড়ীতে উঠে অফিসের পথ ধরলেন।অফিসে গিয়ে টেবিলে বসে কাজ শুরু করলেন। কিন্তু অন্তরের বিষন্নতায় বারবার হাত থেকে কলমটা পড়ে যাচ্ছে। এটা লক্ষ্য করলেন তার কলিগ মনির সাহেব। তিনি ফিরোজ সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলেন,কি ব্যাপার!আপনাকে আজ এত চিন্তিত দেখাচ্ছে কেন? ফিরোজ সাহেব বিষন্ন বদনেই বললেন,আসলে ভাই খুবই সিরিয়াস সমস্যায় পড়েছি ।তাই কোনো কাজেই মন বসছে না। তার কথা শুনে মনির সাহেব বললেন, আপনার সমস্যাটা কি জানতে পারি?হয়তো কোনো সৎপরামর্শ দিতে পারবো। ফিরোজ সাহেব সমস্যাটা খুলে বললেন, আমি বিবাহ করেছি মাত্র ছয়মাস হল। আমার স্ত্রী পর্দায় ই থাকে ।সেটা কোনো ব্যাপার না।তবে একটি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে,তা হলো, আমার ছোট ভাই রাকিব ঢাকার একটি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। এজন্য সে এখন ঢাকায় আমার বাসায় থাকতে চাচ্ছে।আর আমার পিতামাতাও এটা খুব জোরালোভাবে বলছেন। কিন্তু আমি এটা মানতেই পারছিনা যে, আমি অফিসে সকাল আটটা থেকে বিকাল ছয়টা পর্যন্ত থাকবো,আর আমার স্ত্রী ও আমার ছোট ভাই একই বাসায় থাকবে। এ কথা শুনে মনির সাহেব বললেন,এটা আবার কোন সমস্যা হলো নাকি?সেতো আপনারি থাকেনা।মাইন্ড কে ফ্রি করুন। মৌলবাদীদের মতো জড়মনা হচ্ছেন কেন? ফিরোজ সাহেব ব্যাপারটি বুঝিয়ে দিলেন,আসলে আমি এ ব্যাপারে হুকুম জানার জন্য এক মুফতি সাহেবের কাছে গিয়েছিলাম।উনি খুব কঠোরভাবে নিষেধ করে বলেছেন যে,এটা মোটেও জায়িজ হবেনা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যখন কোনো বেগানা নারী ও পুরুষ নির্জনে একত্রিত হয়, তখন তাদের তৃতীয় জন হয় শয়তান।"তেমনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,দেবর হচ্ছে মৃত্যু।" ওদিকে আমি আমার পিতা মাতা যারা গ্রামের বাড়িতে থাকেন, তাদের কথাওতো অমান্য করতে পারিনা।তাই এ নিয়ে সমস্যায় ভুগতেছি।কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। তা শুনে মনির সাহেব বললেন, আপনি খুবই সন্দেহপ্রবণ।এর জন্য আবার মুফতি সাহেবের কাছে যেতে হয় নাকি! শুনুন, আপনার স্ত্রী তো পর্দায়ই থাকে।তার দিক থেকে তো আপনার ভয় নাই। সমস্যা হলো আপনার ভাইকে নিয়ে।এরো একটা সমাধান আছে। ফিরোজ সাহেব উৎসুক হয়ে বললেন,সেটা কী?.............. ..........চলবে........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মৃত্যুসম দেবর
→ মৃত্যুসম দেবর

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now