বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মৃত্যুর শেষ দুয়ার

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Marufa (০ পয়েন্ট)

X গল্পটি আমার ভালো লেগেছে, তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। গল্প : মৃত্যুর শেষ দুয়ার লেখক : কাজি মেহেরাব হোসেন পর্ব : ১ . . মাকসুদা আর সজীবের বিয়ের ১ মাস পার হয়ে গেল।একে অপরকে ভালোবেসে তারা এই বিয়ের বাধনে আবদ্ধ হয়।তারাই জানে যে এই বিয়ে নিয়ে কত ঝামেলা আর ঝর তাদের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে।একসময় তাদের বিয়ে আদৌ হবে কিনা সেটা নিয়েই সন্দেহে ছিল।তবে এখন পুরানো স্মৃতি মনে না করাটাই ভালো হবে।সজীব আর মাকসুদা সিদ্ধান্ত নিল যে তারা কোথায়ও ঘুরতে যাবে।যেই ভাবা সেই কাজ।সজীব অফিস থেকে ১৫ দিনের ছুটি আবেদন করল।যেহেতু সজীব অপ্রয়োজন এ কখনও ছুটি চায় না তাই অফিসের বস ছুটি আনন্দের সাথে দিয়ে দিলো আর তাদের থাকার জন্য সুন্দর এক বাংলোর ব্যাবস্থাও করে দিলেন।বাংলোটা পুরান দেখতে হলেও বেশ সাজানো গোছানো পরিবেশ আর চারপাশের গাছ,বাগান,সারিবদ্ধভাবে ফুলের গাছ দেখে মনে হচ্ছে কোন রাজাদের বাড়িতে এসেছে তারা।তবে এটা যেহেতু মহল না আর ততটাও পুরানো নয় সেজন্য তারা এ বিষয়টাকে নিয়ে আর এগুলো না।যেদিন তারা বাংলোতে প্রবেশ করবে তার কিছুদিন আগেই বাংলোটিকে ভালোকরে পরিষ্কার এর ব্যাবস্থা করা হয়।এখানে পরিবেশটা সুন্দর হলেও নিরিবিলি পরিবেশ একরকম।প্রায় ১ কিলোমিটার পথ যাবার পর দোকার আর বাড়িঘরের মুখ দেখা যায় এর পিছনে তেমন কোন ঘর বাড়ি নেই।তারা সকল প্রকার সরঞ্জামাদি নিয়ে বাংলোতে প্রবেশ করে।মাকসুদা বাংলোতে প্রবেশ করেই ঘর গোছাতে ব্যাস্ত।এ মেয়েকে নিয়ে যে কি করবে সেই চিন্তা করতে করতে সজীব টিভি দেখতে চলে গেল পাশের রুমে।বাংলোটা কিছুটা বড় আর দোতলা বিশিষ্ট।উপরে ছাদ রয়েছে আর ৬-৭ টা কামরা রয়েছে।ওরা এক রুমেই থাকবে তাই এত বড় বাড়ি কেন দিয়েছে সেই চিন্তা করতে লাগল।সম্প্রতি সজিব জানতে পারে বাড়ির মালিক এই বাড়টা অনেক কমে ভাড়া দিয়েছে বলে তার বস আর দিতীয় কোন বাড়ি দেখে নি।তাই তো বলি যে কিপ্টুসের পকেট দিয়ে কেমনে এত বড় বাড়ি ভাড়া নিবার মত টাকা বের হলো।তাও সে ভালোমনে করেই তাকে ১৫ দিনের ছুটি আর সাথে এই বাংলোতে থাকার ব্যাবস্থা করে দিয়েছে।এরকম সুযোগ অন্য কেউ দেয় না বলে একদিকে বসের শুকরিয়া আদায় করে নিল মনে মনে।মাকসুদা পুরা ঘর গুছিয়ে নিবার পর ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে এবং রুমে গিয়ে সুয়ে পরল।ততক্ষনে অনেক রাত হয়ে গিয়েছে ফলে সজীব ও আর দেরি না করে সেও সুয়ে পরল . . ঘরিতে তখন ১ টা বাজে হটাত করেই মাকসুদার ঘুম ভেংগে গেল।এমন তো হবার কথা না।কারন মাকসুদা একবার ঘুমালে মরার মতন শুধু ঘুমাতে থাকে আর তাকে উঠানোর মত সাধ্যি কারোর নেই।ঘুম ভেংগে যাবার পর আর তার ঘুম আসছিল না তাই উপায় না পেয়ে পায়চারী করতে লাগল।এদিকে সজীবের দিকে অনবরত চেয়ে আছে তার মায়াবী চেহারার দিকে।কিছু সময় পর মাকসুদা ছাদে চলে গেল আর আর চুপটি করে দারিয়ে রইল।এমনিতেই সে অন্ধকার ভয় পায় তাও আজ যেন এই অন্ধকার কে অনেক আপন মনে হচ্ছে তার।চারিদিকে অন্ধকার নিজ হাত পর্যন্ত দেখা যায় না ওসময়ে একটি নির্দিষ্ট জিনিসের দিকে এক নজরে চেয়ে রয়েছে মাকসুদা।জিনিসটি একটা ঘুরি।অন্ধকারের মাঝেও জিনিসটির অস্তিত্ব বোঝা যাচ্ছিল।হটাত মাকসুদা সেই ঘুরিটিকে নিয়ে পাশে থাকা সুতার রিলে বাধা শুরু করে দিল।আশেপাশে কেউ নেই এই ফাকে তার ঘুরি উরানোর শখ যেগে উঠল মনের ভিতর।চারপাশে কোন বাতাস নেই একদম নিস্তব্দ পরিবেশ।হটাত দমকা বাতাসস বইতে শুরু করল আর সেই বাতাসে ঘুড়ি টা আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠতে শুরু করে দিল।ঢেউয়ের সাথে তাল মিলিয়ে সেটা উঠতে লাগল।আর এমন ভাবে উঠছে যেন কেউ টেনে নিয়ে যাচ্ছে।মাকসুদা এক দৃষ্টিতে ঘুরির দিকে চেয়ে আছে আর বিজয়ী হাসি দিচ্ছে।এদিকে সজিব এর ঘুম ভেংগে গেল হটাত।পাশে মাকসুদার উপস্থিতি না পাওয়ায় হটাত ই বুকের মধ্যো মোচর দিয়ে উঠল।কোথায় যেতে পারে এই দুশ্চিন্তায় এদিক ওদিকে খুজে না পেয়ে অবশেষে ছাদে গেল।ওখানে গিয়ে সে দেখতে পেল কোন এক মেয়ে ভয়ানক মুখ নিয়ে দারিয়ে আছে আর ঘুড়ি উরাচ্ছে।তবে একটা নয় আকাশে সহস্র ঘুরির সাথে পাল্লা দিচ্ছে এ যেন ঘুরির মেলা।মেয়েটাকে অন্ধকার এর কারনে দেখা যাচ্ছিল না তবে মেয়েটার মাথায় কোন চুল ছিল না।হটাত ই মানবী টি সজিবের কাছে আসতে লাগল।তবে একি তার পা তো একটা আরেকটা অর্ধেক কাটা।মনে হয় কেউ কেবল কেটেছে বলে মনে হচ্ছে।সকল সাহস একত্রিত করে সজিব সেই মানবী টির মাথায় সজোরে আঘাত করে।ঢলে অজ্ঞ্যান হয়ে মাটিতে পরে যায়।ভয়ে ভয়ে পকেটে রাখা মিনি টর্চ বের করে তবে তার চেহারার দিকে টর্চের আলো মারতেই চোখে পরে যে এটা আর কেউ না।তারই মাকসুদা . .......................(চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মৃত্যুর শেষ দুয়ার (৩)
→ মৃত্যুর শেষ দুয়ার (২)
→ মৃত্যুর শেষ দুয়ার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now