বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হাতের
কাগজটি ভাঁজ
করে তার
পকেটে রেখে একপাশে
সরে এল৷ সে একবার
তার হাতের ঘড়ির
দিকে তাকাল তারপর
একটা ছোট্ট নিশ্বাস
ফেলে মৃত্যুদণ্ডাদেশ
কার্যকর করার জন্যে
আনুষ্ঠানিকভাবে
আদেশ দিল৷
সাথে সাথে সুশৃঙ্খল
প্রতিরক্ষাবাহিনীর
দশজন সদস্যের
স্বয়ংক্রিয়
অস্ত্রগুলো উঁচু
হয়ে ওঠে৷ রগারিজ
ক্রুচিনকে আবার এক
মুহূর্তের জন্যে একটু
অসহায় দেখায়, তার
নিচের ঠোঁট আবার
একটু নড়ে ওঠে,
মনে হয় সে আবার
কিছু একটা বলার
চেষ্টা করছে৷ কিন্তু
শেষপর্যন্ত সে কিছু
বলল না৷
ঠিক সেই মুহূর্তে
প্রতিরক্ষাবাহিনীর
দশজন সদস্যের
হাতের স্বয়ংক্রিয়
অস্ত্রগুলো ভয়ংকর
শব্দে গর্জে উঠল৷
রগারিজ ক্রুচিনের
দেহটি বুলেটের
আঘাতে কয়েকবার
কেঁপে উঠে হাঁটু
ভেঙ্গে পড়ে গেল৷
কয়েকবার
কেঁপে উঠে দেহটি স্থির
হয়ে যায়, তার
ঢিলেঢালা শাদা
শার্টটি রক্তে ভিজে
উঠতে শুরু করে৷
*** *** ***
প্রবীণ সাংবাদিকদের
সাহায্যকারী কমবয়সী
মেয়েটি ক্যামেরার
বিভিন্ন অংশ
স্টেনলেসের
বাক্সে সাজিয়ে রাখতে
রাখতে বলল,
তুমি কী একটা জিনিস
লক্ষ্য করেছিলে?
কী জিনিস?
রগারিজ ক্রুচিনের
নীচের
ঠোঁটটি কয়েকবার
নড়ে উঠেছিল৷
মনে হয়েছিল সে যেন
কিছু
একটা বলতে চায়৷
হ্যাঁ৷ প্রবীণ সাংবাদিক
মাথা নাড়ল,
আমি লক্ষ্য
করেছিলাম৷
সে কী বলতে চেয়েছিল
বলে মনে হয়?
তার বলার কিছু নেই৷
প্রবীন সাংবাদিক হাত
নেড়ে পুরো ব্যপারটিকে
উড়িয়ে দেবার
ভঙ্গি করে বলল,
বিচার অত্যন্ত
নিরপেক্ষ হয়েছে৷ তার
বিরুদ্ধে সবগুলো
অভিযোগ
সন্দেহাতীতভাবে
প্রমাণিত হয়েছে৷
তা ঠিক৷
তাকে বিশেষ
ট্রাইবুনাল
তৈরি করে বিচার
করা হয়নি৷ সাধারণ
আদালতে তাকে বিচার
করা হয়েছিল৷ তার
পক্ষে অনেক বড় বড়
আইনজীবী দেয়া
হয়েছিল৷
তা ঠিক৷
প্রবীণ সাংবাদিক
একটি বড় নিঃশ্বস
ফেলে বলল, রগারিজ
ক্রুচিনের বিচার
করে তাকে মৃত্যুদণ্ড
দিয়ে আসলেই
আমরা একটা অনেক
বড় আত্মগ্লানি থেকে
মুক্তি পেলাম৷
তা ঠিক৷
মেয়েটি স্টেনলেস
স্টিলের বাক্সটি বন্ধ
করতে করতে বলল,
এমন
কি হতে পারে যে সে
বলতে চেয়েছিল,
যেহেতু প্রকৃত
রগারিজ ক্রুচিন
ত্রিশ বৎসর
আগে হৃদরোগে মারা
গেছে, সেহেতু এখন
তার জন্যে আর
কাউকে শাস্তি দেয়া
যায় না?
প্রবীণ সাংবাদিক
অবাক হয়ে বলল, কেন
সে এরকম
একটা কথা বলতে
চাইবে? সে তো অন্য
কেউ নয়, সে রগারিজ
ক্রুচিনের ক্লোন,
সে একশভাগ রগারিজ
ক্রুচিন,
তাকে শাস্তি দেওয়ার
জন্যেই আলাদা করে
ল্যাবরেটরীতে তৈরি
করা হয়েছে৷
কমবয়সী মেয়েটি কিছু
একটা বলতে চাইছিল
কিন্তু প্রবীন
সাংবাদিকটি তাকে
বাধা দিয়ে বলল,
এটি একটি নূতন
পৃথিবী,
এখানে অপরাধীরা
মৃত্যুবরণ করেও
পালিয়ে যেতে পারবে না৷
কমবয়সী মেয়েটি
পাথরের উপর নিশ্চল
হয়ে পড়ে থাকা রগারিজ
ক্রুচিনের রক্তাক্ত
মৃতদেহটির
দিকে তাকিয়ে একটা
ছোট্ট নিশ্বাস ফেলল৷
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now