বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মৃত্যু সমাচার
কুদ্দুসের আব্বা খবই কৃপণ। বাজার করার সময় খুব কৃপণতা করে। প্রতি দিন এই নিয়ে তাদের মাঝে ঝগড়া হয়। প্রতিদিনের মতো কুদ্দুসের আম্মা তার সাথে আজকেও খুব ঝগড়া করেছে।তাই কুদ্দুসের আব্বা তাকে গালি দিতে দিতে বাজারে যাচ্ছিল। হঠাৎ একটা রিক্সার ধাক্কা খেয়ে কদ্দুসের আব্বা নালায় পড়ে যায়।নালায় পড়ার কারণে কুদ্দসের আব্বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।যখন কুদ্দুসের আব্বার জ্ঞান ফিরে আসে তখন দেখে তার গায়ে কাদায় ভরা । তখন তিনি মনে মনে বলেন "মুই মনেহয় মরি ভুত অইগেছি এ খবরটা কুদ্দুসের আম্মারে দিত অইবো"। তিনি তখন বাড়িত গিয়ে কদ্দুসের আম্মাকে ডাকতে থাকে। কদ্দুসের আম্মা তার ডাক শুনে বাহিরে আসতে আসতে চেঁচিয়ে বলে " কিয়া অইছে এইচ্ছা চিল্লর কিল্লায় " কুদ্দসের আব্বা বলে " আইজ্জার দিন এক্কানা চিল্লাই ও না"। কুদ্দসের আম্মা তাকে দেখে ভয়ে বলে " আআআন্নে কককন"। কুদ্দসের আব্বা বলে " আরে মুই কুদ্দসের আব্বা, মুই মরি ভুত অই গেছি, তুই চিন্তা কইরবা দেন হিল্লাই কইতাম আইছি"।একথা বলে কদ্দুসের আব্বা আবার নালায় গিয়ে শুয়ে পরে। এদিকে কুদ্দসের আম্মা তার মৃত্যুর সংবাদ শুনে এমন চিৎকার করে কান্না জুড়লেন যে, সারা পাড়ার মানুষ কি হলো কি হলো বলে তার বাড়িত এসে জড়ো হলো। তারা কুদ্দসের আব্বার মৃত্যুর সংবাদ শুনে তাকে সান্তনা দিতে দিতে জিজ্ঞেস করে কিভাবে মৃত্যু হলো, কখন হলো, কেইবা মৃত্যুর খবর তাকে দিল??
কুদ্দসের আম্মা কান্না করতে করতে বলে" কুদ্দসের আব্বা নালায় হডি মরি গেছে গো, এটা কোনোদিনও মিছা ওইতোনো, কুদ্দসের আব্বা নিজে মোরে এই খবর দিছে। নইলে মুই বিশ্বাস করতাম না গো ম্যা ম্যা ম্যা ম্যা
,
,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now