বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মেয়েটির ওজন ছিল প্রায় ৬৫ কেজি.মোটা হলেও মেয়েটির চেহারা কিন্তু ভারী মায়াবী. কিন্তু কেউ সেটা লক্ষ্য করতো কিনা তা জানিনা.
ওহ আচ্ছা মেয়েটির নাম তাহিয়া.
আজকালকার যুগের মেয়েদের থেকে সে একটু আলাদা.যেমন এখনকার মেয়েরা একটু মেকআপ পাগল হয় কিন্তু সে মেকআপ করতে একটুও পছন্দ করতোনা.ছেলেদের সাথেও বেশি একটা মিশতো না.তাই হয়তো তাহিয়া কে মাঝে মাঝে তার বন্ধুরা বলতো তোর status দেখ আর আমাদের status দেখ.মেয়েটি সবই বুঝতো কিন্তু তার মোটা শরীরের কারণেই হয়তো সে চুপ করে থাকতো.
তাহিয়ার এখন ২২ বছর. আজ একদল ছেলেপক্ষ তাকে দেখতে আসবে.ভারী সুন্দর করে সাজানো হলো তাকে কিন্তু তার মোটা শরীরের কাছে যেন সব সাজ হারিয়ে গেল.
হিজাবে ভারী সুন্দর লাগে মেয়েটিকে.তাই সে নিজে নিজে হিজাব পরলো.তার হিজাব পরা মিষ্টি মুখটা ছেলেটার পছন্দ না হলেও ছেলেটার বাবা মায়ের কিন্তু বেশ পছন্দ হয়েছে তাই ছেলেটার অনিচ্ছা সত্তেও মেয়েটির সাথে তার বিয়ে হয়ে যায়.
ওহ আাচ্ছা ছেলেটার নাম ছিল শিফাত.
বিয়ের প্রথম দিন থেকেই শিফাত তাহিয়া কে কেমন জানি অবহেলা করতো.
যেমন বিয়ের প্রথম রাতে:
তাহিয়া শিফাত কে সালাম করার জন্য উঠলো এবং এগিয়ে আসলো ঠিক তখনই
শিফাত: কি সমস্যা আপনি আমার কাছে আসছেন কেন?
তাহিয়া: না মানে আপনাকে সালাম করতে আসছিলাম.
শিফাত: দেখুন আমি আপনাকে পছন্দ করিনা তাই আমার থেকে দূরে থাকবেন.
তাহিয়া: (চুপ করে বসে আাছে).
এভাবে বিয়ের এক মাস কেটে যায়,কিন্তু শিফাত কিছুতেই তাহিয়া কে আপন করে নিতে পারছেনা.তাহিয়া হঠাত একদিন মাথা ঘুরে পড়ে যায়.শিফাত খুব চিন্তায় পড়ে যায়.শিফাতের বাবা ডাক্তার ডেকে নিয়ে আসে.ডাক্তার বলল অনেকদিন ধরে না খেয়ে থাকার কারণে এমন হয়েছে,তবে চিন্তার কিছু নেই.জ্ঞান ফিরলে ভালোমতো সেবা করবেন
............
(তাহিয়ার জ্ঞান ফিরলো)
চোখ খুলে সে দেখল যে শিফাত কাদছে
শিফাত: কেন করলে এমন?
তাহিয়া: ( শিফাতের মুখে তুমি শুনে সে কিছুক্ষণ চুপ ছিল) কি করেছি আমি?
শিফাত: আমার জন্য নিজেকে এতদিন কষ্ট দিয়ে এখন বলছো কি করেছি আমি.
শিফাত তাহিয়া কে সব বলে.
শিফাত: আমার জন্য তুমি আর কখনোও নিজেকে কষ্ট দিবেনা.
তাহিয়:কিন্তু?
শিফাত:কোনো কিন্তু নয়.হুম.
তাহিয়া:হুম.
শিফাত:তোমাকে অনেক ভালোবাসি.
তাহিয়ার চোখ ছলছল করছে.
তাহিয়া: আমিও না আপনাকে.....
শিফাত: একদম আপনি করে বলবেনা.
তাহিয়া: আমিওনা তোমাকে খুব ভালোবাসি.
শিফাত তাহিয়া কে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে তাহিয়ার কপালে একটা চুমু একে দিল.
মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে তাহিয়া ও শিফাতের মাঝে প্রেম হয়ে গেল
তারা হয়তো এটা কল্পনা ও করতে পারেনি.
"ভালোবাসতে মন লাগে সৌন্দর্য নয়"
তাহিয়া তার মন দিয়ে দেরিতে হলেও শিফাতের মন জয় করে নিয়েছে.এখন তারা দুজন দুজনকে খুব ভালোবাসে.
Happy Ending☺☺☺
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now