বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ট্রেনের মদ্ধে ভাবী আমাকে যেভাবে জালালো তাতে আমার বিয়ে করার শখ অর্ধেক কমে গেছে...
৬ ঘণ্টার মদ্ধে আমাকে মনে হয় ৩০ বার একবার এই খাব, একবার ওই খাবো, পিচ্চি বাচ্চাও এতো জালাই বলে আমার জানা নাই।
মেহমান বলে কিছু বললাম না, নিজের বউ হবে আজ দেখাতাম।
।।
আমরা যখন ট্রেন থেকে নামলাম তখন প্রায় দুপুর।
স্টেশনে গিয়ে দেখালাম আকাশ ভাই দাঁড়িয়ে আছে... ভাবলাম আমি মাত্র কয়েক ঘণ্টার মদ্ধেই ভাবীকে নিয়ে পাগল হয়ে গেলাম।
জানিনা হতভাগা আকাশ ভাইয়ের কি হবে...
এই ভেবে আর ওনাকে আর কিছু বললাম না, বললাম, এই নেন আপনার আমানত।
এখন আমার ছুটি।
আকাশঃ কেন দুপুর তো হয়ে গেছে। চল এক সাথে খেয়ে তারপর যাবি।
আমিঃ না ভাই, আমি আর থাকবো না, আপনি থাকেন আপনার আতিয়াকে নিয়ে।
আকাশঃ কেন আতিয়া কি অনেক জালিয়েছে নাকি?
আমিঃ না, সে কি পিচ্চি মেয়ে নাকি? একটুও জালাই নি।
।।
দেখলাম, ভাবী আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে।
।।
যাক তারা সুখে থাকুক... এর পর আমি স্টেশন থেকে বের হয়ে বাড়ি চলে আসলাম।
।।
পরের দিন জানতে পারলাম, ভাবীকে শহরের একটা হোটেলে রেখে আকাশ ভাই, বাড়িতে সবাইকে মানানোর চেষ্টা করছে... যাক করুক।
।।
৭ দিন পরের কথা।।
।।
দেখলাম, আকাশ ভাইয়েও আমাকে ৩ দিন থেকে ফোন দেয় নি। আর ভাবীকেও আমি ফোন দেয় না, যদি সে খারাপ ভাবে।
আমি সকালে বাজার করতে যাবার সময় আমি ভাইয়াকে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, কি খবর?
কিন্তু ভাইয়া জা বলল, সেটা শুনে আমি জানি না আমার কি বলা উচিৎ।
ভাইয়া বলল, সে নাকি আতিয়া কে বিয়ে করতে পারবে না, তার মা বাবা নাকি রাজি না।
আমি কিছু টা রাগ করেই বললাম, তাহলে এতো সাহস দেখিয়ে মেয়েকে বিয়ের বাড়ি থেকে কেন নিয়ে আসালেন?
এখন মেয়েটার কি হবে?
ভাইয়া বলল, সে নাকি আতিয়াকে ঢাকা ফিরে যেতে বলেছে, ২ দিন থেকে নাকি ভাইয়া আর ভাবীর মানে আতিয়ার সাথে কথা বলে না।
আমিঃ ভাইয়া! আপনি খুব স্বার্থপর মানুষ। আর আমি এক পাগল যে আপনার মত মানুষের উপকার করতে গিয়ে একটা মানুষের জীবন নষ্ট করলাম।
আপনি আমাকে আর কোন দিন ফোন দিবেন না, আর কথাও বলার চেষ্টা করবেন না।
।।
বাজার করে এসেই আমি দ্রুত রেডি হয়ে শহরের উদ্দেশে রওনা হলাম, যেহেতু আমি হোটেলের নাম জানতাম আমি পৌঁছে গেলাম।
হোটেলের এক কর্মচারী জিজ্ঞেস করলো, কে হয় আপনার?
আমিঃ ভাবী।
কর্মচারীঃ আপনার ভাবী ২ দিন থেকে কিছু খায় নি, আবার ঘর থেকে বের হয় না। আপনি তাকে বুঝান।
আমি ঘরের বাইরে থেকে ডাক দিলাম।
দরজা খুলে ভাবী দেখলো আমি।
আমি ঘরে ঢুকে বললাম, ভাবী কিছু খেয়েনেন...
এই কথা বলা মাত্রই একটা চড়।(শেষ কখন চড় খেয়েছি মনে নায়, হয়তো যখন ক্লাশ ৮ এ যখন পড়তাম, তাও বাবার হাতে। মেয়ের হাতে চড় এই প্রথম খেলাম)
ভাবীঃ ঐ কিসের ভাবী? নাটক সুরু করেছো? একজন নিয়ে আসলো বিয়ে করবে বলে, এখন বলছে বাড়ি চলে যেতে। আর আরেকজন এসেছে দালালি করতে,
কি ঢাকা নিয়ে যেতে এসেছো?
আমিঃ দেখেন ভাবী, আগে আমার কথা শুনেন।
ভাবীঃ ঐ তরে না কয়ছি, ভাবী বলবি না।
আমিঃ আমি জানতাম না যে এত কিছু হয়ে গেছে... সত্যি আমি জানতাম না।
ভাবীঃ এখন জেনে কি করতে এসেছো?
আমিঃ আমি জানি না, তবে আপনাকে এই অবস্থাতে ফেলার পিছনে আমারও কিছুটা দোষ আছে, তাই আমি এসেছি,তার কিছুটা যদি পারি ঠিক করতে।
ভাবীঃ কি করবে শুনি? আমার আর ঢাকা যাবার পথ নাই, কিভাবে যাবো তুমি বলো?
আমিঃ সেটা আমি জানি না, আগে আপনি খেয়ে নেন, ২ দিনেই চেহারার কি অবস্থা করেছেন? পরীর মত মেয়েটা দেখতে তো পেত্নী মনে হচ্ছে?
ভাবীঃ এই শোন, এখন একটুও মজা করবা না, না হলে খুন করে দিবো।
আমিঃ আচ্ছা, কান ধরলাম, আগে খেয়ে নেন, আর আমি ভেবে দেখি আপনার জন্য কি করতে পারি?
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
>>>>>>> পরবর্তী পর্ব >>>>>>
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now