বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পরের দিন সকালেই আমি উঠে রেডি হলাম, অবশ্য ভাবী কিছুক্ষণ আগেই আমাকে ফোন করে দিয়েছিলো।
৭ টার আগে ই আমি বাস স্ট্যান্ডে হাজির। আমি ভাবীকে ফোন করতেই তিনি বলল যে সে চলে এসেছে।
১ মিনিটের মধ্যেই দেখলাম একটা সিএনজি এসে আমার সামনে হাজির।
একটা মেয়ে নেমে বলল, আপনি কি আদিল?
আমিঃ জি, আমি আদিল, আপনি কি আতিয়া ভাবী?
ভাবীঃ কেন, দেখে কি পছন্দ হয় না?
আমিঃ পছন্দ আমার দেখে আর কি হবে? যার পছন্দ সে তো করেই নিয়েছে।
ভাবীঃ ইস! শখ কতো। এখন ভাড়া দাও, আমার কাছে খুচরো টাকা নাই।
।।
আমি মনে মনে ভাবলাম, এই জীবনে আমার মতো হতভাগ্য ছেলে আর মনে হয় না একটাও আছে...
অন্যের বউ কে নিয়ে পালাচ্ছি, টাকাও আমি খরচ করছি। কিন্তু তারপর বউ অন্য জনের হাতে তুলে দিবো।
ভাবীঃ কি হল দাও।
আমিঃ দিচ্ছি, এই নেন ভাই।
ভাবীঃ আদিল আমি নন-এসি বাসে চড়তে পারবো না আমার অভ্যাস নাই। তুমি ব্যাগগুলো দেখো আমি আসছি।
আমি, আর মুখ ফুটে বলতে পারলাম না, যে ভাবি এসি বাসের একটা টিকিটের ভাড়া ১০০০ টাকা। আর আমার কাছে আছে মোট ১৫৭০ টাকা।
অবশ্য দরকার পরলে বিকাশে কিছু টাকা আছে, বিপদ মনে করে ১-২ হাজার টাকা আছে মনে হয় দেখতে হবে।
এর থেকে বড় বিপদ মনে হয় না জীবনে আর কোন দিন আসবে।
কারণ, আর যায় হোক। আমি তো কোন দিন পালিয়ে মা বাবাকে কষ্ট দিয়ে বিয়ে করতে পারবো না।
আমি হলে সবার পা হাত ধরে সবাইকে রাজী করাতাম।
আর রাজী না হলে ভাগ্য মনে করে হার মেনে নিতাম। তবু সবাইকে কাঁদিয়ে নিজের স্বপ্নের ঘর বাঁধার চেষ্টা করতাম না।
অবশ্য এতো ভেবে লাভ নাই, একটাও প্রেম হল না, আর পালিয়ে বিয়ে করা? সে তো দিনের আলোতে স্বপ্ন দেখার মতো...
।।
ভাবী আসলো।
ভাবীঃ আদিল, সমস্যাই পড়ে গেলাম তো।
আমিঃ কেন ভাবী?
ভাবীঃ এসি সিট নাই। নন এসিতে যেতে হবে।
।।
আমি তো খুশি আমার ১০০০ টাকা বেঁচে যাবে।
আমিঃ তো চলেন নন এসিতে টিকিট কেটে নেই।
ভাবীঃ মাথা খারাপ? ৫ মিনিট অপেক্ষা করো। আমি একজনকে ফোন করেছি। সে ট্রেনের এসি টিকিটের ব্যাবস্থা করতে পারে।
আমিঃ ঠিক আছে আপনার যেটা ইচ্ছা।
।।
।।
প্রায় ১০ মিনিট পর!
একজন ফোন করলো ভাবীর ফোনে। কথা শুনে বুঝতে পারলাম, টিকিট পেয়ে গেছে...
বুঝলাম আকাশ ভাই, বউ পাবে একটা, যা বলবে সেটাই...
।।
ভাবীঃ এই আদিল, একটা সিএনজি ঠিক করো তাড়াতাড়ি, ইয়ারপোর্ট রেল স্টেশন যেতে হবে বেশি সময় নাই ২০ মিনিট পর ট্রেন।
আমিঃ কিন্তু? ভাইয়া বলেছিল, যে বাসে যেতে হবে।
ভাবীঃ ঐ কিসের কিন্তু ? তোমার ভাইয়া কে বলো, আমার যাতে যেতে ইচ্ছা করবে আমি সেটাতে যাবো। নিজে না এসে বাড়ীতে থেকে আবার কথা বলছে।
আমি আর কিছু না বলে চেপে গেলাম...
।।
সিএনজি থেকে কিছু বলার আগেই আমি ভাড়া দিয়ে দিলাম।
ভাবী দেখে হেসে বলল, বুদ্ধিমান ছেলে। খুচরো নেই
।।
স্টেশনের মধ্যে গিয়ে দেখলাম একটা ছেলে ভাবীকে টিকিট ধরিয়ে দিয়ে বলল, ভালো ভাবে যাস। নিজের খেয়াল রাখিস।
মনে রাখিস, অনেক বড় সিধান্ত নিয়েছিস। আর এই ভাইকে যখন দরকার মনে হবে ফোন দিবি।
ভাবিঃ ঠিক আছে ভাইয়া।
।।
আমি ভাবীকে পাশ থেকে বললাম, ভাবী টিকিটের ভাড়া দিবো না?
ভাবীঃ না লাগবে না, তাড়াতাড়ি চলো।
আমিঃ ঠিক আছে চলেন।
।।
অতপর আমারা দুজনে অনিশ্চিত গন্তব্যে পাড়ি দিলাম
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
>>>>>>> পরবর্তী পর্ব >>>>>>
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
।।.........।...।.........।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now