বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
শেরে বাংলার চোখে- কবি জীবনানন্দের দাসের সেই রূপসী বাংলার বরিশাল।
মহাত্মা গান্ধীর চোখে যখন সমগ্র ভারত গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন ছিল, তখন সদা জাগ্রত ছিল - বরিশাল। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের চোখে- শস্য ভান্ডার বরিশাল।
জাতীয় কবি কাজী নজরুলের চোখে - বাংলার প্রাচ্যের ভেনিস বরিশাল।
কবি সুফিয়া কামালের চোখে - পণ্যে বিশাল বরিশাল। আর আমাদের প্রিয় বরিশাল বিভাগবাসীর চোখে- স্বপ্নের বরিশাল।
★বরিশাল বিভাগের পটভুমি ★
প্রাচীন কালে বরিশাল বাঙ্গালা নামে পরিচিত ছিলো। কালের বিবর্তনে এই বাঙ্গালা শব্দটি বাকলা হিসেবে পরিচিত লাভ করে। শোনা যায় ডঃ কানুনগো নামক এক ব্যক্তি বাকলা বন্দর নির্মান করেন। এ সামুদ্রিক বন্দরে আরব ও পারস্যের বণিকেরা বানিজ্য করতে আসতেন। দশম শতকে দক্ষিণ পূর্ববঙ্গে চন্দ্র রাজবংশ চন্দ্রদ্বীপ নামে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। বাকলা ছাড়াও চন্দ্রদ্বীপের অংশ ছিলো বর্তমান মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ। চতুর্দশ শতকে সমগ্র বাংলাদেশ যখন মুসলমানদের দখলে তখন দনুজমর্দন দেব এই অঞ্চলে একটি স্বাধীন রাজ্য স্থাপন করেন। যা বাকলা চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত ছিলো। ১৭৯৭ সালেন এখানে বাকেরগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮০১ সালে এই জেলার সদর দপ্তর গিরদে বন্দরে বর্তমান বরিশাল শহরে স্থানান্তর করা হয়। বরিশালের নামকরণ সম্পর্কে অনেক মতভেদ আছে। বড় বড় শালগাছের কারণে ( বড় + শাল ) = বরিশাল, পর্তুগীজ বণিক বেরী ও শেলীর প্রেম কাহিনি থেকে বরিশাল। বড় বড় লবণের গোলার জন্য বরিশাল ইত্যাদি। গিরদে বন্দরে [ গ্রেট বন্দর ] ঢাকার নবাবদের বড় বড় লবণের চৌকি ছিল। এ জেলার লবনের বড় বড় চৌকি ও বড় বড় দানার জন্য ইংরেজ এবং পর্তুগীজ বণিকরা এ অঞ্চলেকে বরিসল্ট বলত। এ বরিসল্ট পরিবর্তিত হয়ে বরিশাল হয়েছে বলেও অনেকের ধারণা। বরিশালের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে তদানীন্তন বৃটিশ সরকার ১৯১৩- ১৪ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট আ্যডমিনিষ্ট্রেশন রিপোর্টে ফরিদপুর ও খুলনা জেলাসহ বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি বরং বরিশাল খুলনা বিভাগের অংশে পরিণত হয়। পাকিস্তান আমলে বরিশালসহ এই জেলায় মোট ছয়টি মহকুমা ছিলো। পাকিস্তান আমলেই পটুয়াখালী মহকুমাকে জেলায় রুপান্তর করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৪ সালে বাকি চারটি মহকুমা জেলায় রুপান্তরিত হয় এবং বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, ও ভোলা এই ছয়টি জেলা নিয়ে ১৯৯৩ সালের ১লা জানুয়ারি বরিশাল বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয়।
★যাদের পূণ্যকর্মে আলোকিত বরিশাল বিভাগ★
১: অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী বাংলার বাঘ
শের-ই বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক।
২: উপ মহাদেশের দ্বিতীয় মহাত্মা উপাধিতে ভুষিত দানবীয় শিক্ষানুরাগী মহাত্মা অশ্বিনী কুমার দত্ত। ৩: অবিসংবাদিত মুসলিম জাগরণী নেতা - খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ। ৪: খান বাহাদুর হাশেম আলী খান ৫: বাংলাদেশের সর্বশেষ জমিদার - খান বাহাদুর আদুল লতিফ চৌধুরী ৬: স্পীকার আবদুল ওহাব খান ৭: দৈনিক ইত্তেফাক এর প্রতিষ্ঠাতা তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ৮: শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত ৯: কবি কামিনী রায় ১০: রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাস ১১ঃ সুফিয়া কামাল ১২ঃ অমৃত লাল দে ১৩ঃ এ কে এম হানিফ সংকেত ১৪ঃ উপমহাদেশের প্রখ্যাত অভিনেতা - গৌরাঙ্গ ওরফে মিঠুন চক্রবর্তী নচিকেতাসহ ইত্যাদি ব্যক্তিদের জন্ম এই বরিশাল বিভাগ বিখ্যাত হয়ে আছে।
আমড়া সুপারী, গাব, ধান, পেয়ারা, ডাব, খেজুর গাছ নৌকা গামছা হোগলা পিঠা পুলি লঞ্চ ইত্যাদি জন্য এই অঞ্চল বিখ্যাত।
কোন স্থান বা অঞ্চলে কে ছোট করবার জন্য লেখি নাই বিভিন্ন জায়গায় বা অঞ্চল বিভিন্ন জিনিসের বা ব্যক্তি জন্য বিখ্যাত হয়ে আছে।
বিদ্যা শিক্ষার ডিগ্রি আছে। জ্ঞানের কোনো ডিগ্রি নেই। জ্ঞান ডিগ্রি বিহীন ও সীমানা হীন- দার্শনিক আরজ আকী মাতুব্বর।
স্বপ্নের বরিশাল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now