বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X টেক্সিচালক যখন গ্যাং স্টার Writer--Md. Omar Part--10 যখনি গাড়ি থেকে নামলাম তখন তো আমি পাতাল থেকে থুক্কু আকাশ থেকে পড়লাম, কারন আমি এখন আমার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে,, আমি দু পা পেছতে গিয়ে গাড়ির সাথে ধাক্কা খেলাম,, লামিয়া--কি ভাইয়া তুমি পেছনে যাচ্ছো কেন,, আমি--আমরা এখানে কেন,,? লামিয়া--এটাই তো বিয়ে বাড়ি,,, আমি--কিহ কার বিয়ে,,? লামিয়া---আমার আব্বুর খালাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে,, আমি--তুর আব্বুর খালাতো ভাইয়ের মেয়ের নাম কি,,(কৌতুহল নিয়ে) লামিয়া--আমজাত হোসেন,, আমি---তার মেয়ের নাম কি,,? লামিয়া--লিমা,, আমি--আমি বাড়ির ভেতরে যেতে পারবোনা,,তুরা যাহ,, লামিয়া--সেকি কেন,,? আমি--এটাই আমার বাড়ি,,আর সেই লিমা হচ্ছে সেই,,যার কারণে একদিন এই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল,, ---সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে,, লামিয়া+-কিহ তুমি এত বড় বাড়ির ছেলে ছিলে,,? আমি--আচ্ছা তুরা ভিতরে যা আমি এই বাড়িটা ঢুকতে পারবো না,, লামিয়া--কেন,,,? আমি---কোন মুখে ঢুকব বলতো, যেখানে মা বাবা সন্তানের কথা বিশ্বাস না করে সন্তান কে গরুর মতো পিটাই,, লামিয়া--তখন‌ হয়তো রাগের মাথায় মেরেছিল,,এখন ওদের সাথে দেখা করে দেখো,ওরা হয়তো তোমার উপর রেগে নেই,, আমি--না যে আমি পারবো না,, লামিয়া--তুমি এখন আমার ভাইয়ের পরিচয়ে ঢুকবে,, ওদের কাউকে তুমি চিনো না,,,এটাই ফাইনাল,, --হ্যা হ্যা,, তুমি না গেলে আমরা কেউ যাবো না,,? ওদের জুরাছড়ি তে যেতে বাধ্য হলাম,, তারপর সবাই ব্যাগ নিয়ে যখনি ভিতরে ঢুকতে যাবো তখনি আমার ফোন বেজে উঠলো,, আমি---হ্যালো,, ----হা যার আমরা দিনাজপুর এসে পড়েছি এখন কোথায় যাবো,, আমি--কাউকে জিগ্গেস কর,,, মন্ত্রীর বাড়ি বললে দেখিয়ে দিবে,, --ওকে স্যার,,, তারপর ফোন কেটে দিয়ে,, দরজার সামনে গেলাম,, লামিয়া কলিং বেল বাজানোর কিছুক্ষণ পর,, দরজা খুলে দিলো,, লিমা দরজা খুলে দিছে,, লিমা আমাকে দেখে ভুত দেখার মতো হয়ে গেছে,, আমার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকছে,, -----এই লিমা কে এলো রে,,?(ভেতর থেকে মেয়েলী কন্ঠ,,)) আমার মায়ের গলা চিনতে কষ্ট হলো না,, কতদিন পর সেই চিরচেনা কন্ঠ টা শুনলাম,, মা দৌড়ে এল,, মা--কে এলো রে,, আমার দিকে চোখ পড়তেই মা ও হা হয়ে গেল,, সাথে সাথে মা চোখের পানি ছেড়ে দিল,, মা--বাবা ইশান,, এই বলে আমাকে জড়িয়ে ধরলো,, জড়িয়ে ধরে হাওয়াও করে কান্না করে দিলো,, আমি--আরে করছেন কি,, আপনি আমাকে এভাবে জড়িয়ে ধরেছেন কেন,,আর কে ইশান,, মা--বাবা আমাদের তুই ক্ষমা করে দে,, আমরা না বুঝে তুর উপর অনেক অন্যায় করে ফেলেছি,,,। আমি--কাকে ক্ষমা করতে বলেতেছেন,,, আপনাদের ছেলে ইশান ২ বছর আগে মারা গেছে,,, (কথা গুলো বলতে আমার কিযে পরিমাণ কষ্ট হচ্ছে সেটা একমাত্র আমি জানি,,)) মা--বাবা তুই কি চাস আমি মা হয়ে তুর পারে ধরি,, আমি--না মা তুমার জায়গা এখানে,, এই বলে মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিলাম,,, ((আমি নিজেকে আর শক্ত রাখতে পারলাম না,,)) মা ছেলে হাওমাও করে কান্না করতেছি,, লামিয়া--আমাদের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখবে নাকি,,,, মা--হ্যা হ্যা তোমরা ভিতরে আসো,,,(আমাকে ছেড়ে দিয়ে,,) সবাই ভিতরে ঢুকতে যাবো,, এমন সময় একি আমি পা নাড়াতে পারছি না কেন,,?মনে হয় কিসের সাথে আঁকড়ে আছে,, নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলাম লিমা আমার পা ধরে বসে আছে,,, আমি--একি আপনি আমার পা এভাবে ধরে আছেন কেন,,? লিমা--আমাকে তুমি মাফ করে দাও,, আমি রাগের বসে এসব করে ফেলেছি,,, এরকম হবে কখনো ভাবিনি,,(কান্না করে) আমি চুপ করে আছি,, মা--বাবা ওকে মাফ করে দে,,,ও আমাদের সব সত্যি কথা বলেছে,,ও প্রতিদিন আমাদের কাছে এসে কান্না করে,, আমি--কিসের মাফ,,ও কি ফিরিয়ে দিতে পারবে আমার চলে যাওয়া ২ টা বছর,,তাহলেই আমি তাকে ক্ষমা করবো,, এই বলে আমার পা টা জুর করে ছাড়িয়ে নিলাম,, মা--বাবা মেয়েটাকে ক্ষমা করে দিলেও পারতি,, আমি--আরেকবার যদি এই কথা বলো,,তাহলে আমি এক্ষুনি চলে যাবো,,আর আমার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে সময় নষ্ট না করে বিয়ের প্রিপারেশন নিয়ে বলো,, লিমা এখনো দরজার কাছে অপরাধীর মতো দাঁড়িয়ে আছে,, আচ্ছা মা তোমরা বসো আমি খাবারের ব্যবস্থা করছি,, আমরা বসে পড়লাম,, তারপর মা আমাদের খাবার দিলো,, আমরা খাচ্ছি এমন সময়,, ----আরে লামিয়া মামোনি তুমি কখন এলে,,, পুরুষ এর কন্ঠ শুনে আমি একটু আড়ালে চোখে তাকালাম,, এতো আমার ফুফা মানে লিমার আব্বু,, লামিয়া--এইতো আংকেল কিছুক্ষণ আগে,, -----কই গো লিমার মাই দেখে যাও কে এসেছে,, -----তোমার সাথে এদের তো চিনলাম না, লামিয়া--এ হচ্ছে সাইরা,,এ হচ্ছে নিলা,,আর এ হচ্ছে আমি--যখনি মাথা তুললাম,, ফুফা ও আমাকে দেখে হা হয়ে গেল,,, ফুফা--আরে ইশান তুই,,আমি ভুল দেখছি না তো,,? মা--তুমি একদম ঠিক দেখছো,,এটা আমাদের ইশান,,(রান্না ঘর থেকে এসে,,) ফুফা--কিন্তু তুমি এতদিন পর কোথায় থেকে,,জানো আমরা তোমাকে কত জায়গায় খুঁজেছি,,,আর লামিয়ার সাথে তোমার পরিচয় কেমনে,, আমি যখনি কিছু বলতে যাবো অমনি কে যেন আমাকে জড়িয়ে ধরলো,, আমি ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম ফুফু,, ফুফু--বাবা কেমন আছিস,,(মুখে হাত দিয়ে) আমি--ভালো তুমি,,?? ফুফু--বাবা আমার মেয়ের হয়ে তুর থেকে হাত জোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি,,,বাবা আমাদের মাফ করে দে,,(কান্না করে) আমি--আরে কি করছো কি,, তোমরা তো কোন অন্যায় করো নি,,যা হয়ছে সব আমার কপাল,, ফুফু--বাবা এভাবে বলিস,, মেয়েটা তার কাজের জন্য অনুতপ্ত,,সবার কাছ থেকে মাফ চাইছে,, আমি--আমি সবাইকে সেই কবে মাফ করে দিছি,, ফুফা--আচ্ছা এতদিন কোথায় ছিলে,,কি করেছিলে,? মা--আরে আগে ওদের খেতে দাও তো,,,পরে শুনা যাবে,, ফুফূ--হ্যা তোমরা আগে খেয়ে নাও,, তারপর আমরা খাওয়া শেষ করলাম,, সবাই একসাথে ছোফায় বসলাম,, লিমা এখনো সেই এক জায়গায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে,, ফুফু--হ্য বাবা এবার বলো,, আমি--((বলা শুরু করলাম,,,) কিছুক্ষণ পর আমাকে আটকে দিয়ে লামিয়া বলতে শুরু করলো ওদের সাথে কেমনে পরিচয় হলো,একে একে সব খুলে বললো,, সবার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সবার চোখে পানি,, মা--বাবা তুই এত কষ্টে ছিলি,,? ফুফু--দেখ তুর কারনে ছেলেটার কতো কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে,,, কোন দুঃখে যে তুকে পেটে ধরেছিলাম,,(কান্না করে,,) ফুফা--তুই এমন কেন করলি বলতো,,ছেলেটা নাহয় চুকে রাগের মাথায় একটা থাপ্পর মেরেছিল,,তাই বলে তুই,,-- মা--আরে মেয়েটা না বুঝে এমন করেছে,,এখন আমার ছেলে আমার কাছে ফিরে এসেছে এটাই অনেক,, আমিম--রাধিকা কোই,,(আমার বোন,,) মা--ও তো কলেজে গেছে,, আমি--ওওও,, তখনি বাসার কলিং বেল বেজে উঠলো,, মা গিয়ে দরজা খুলে দিয়ে,, মা--একি আপনারা কারা,,এভাবে অস্ত্র নিয়ে এখানে আসছেন কেন,, ----আমরা ইমরান স্যার এর গার্ড,, মা---কোন ইমরান,,, আমি--মা ওদের ভিতরে আসতে দাও,, মা--এ বাড়িতে অস্ত্র হাতে ঢুকা বারন,, আমি--তুমি ঢুকতে দিবা কিনা সেটা বলো,, আমি যেখানে থাকবো ওরাও সেখানে থাকবে,, মা আর কিছু না বলে ওদের সামনে থেকে সরে গেল,, তারপর ওরা সবাই ভিতরে ঢুকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ালো,,, আমি--তোমাদের আসতে কোন অসুবিধা হয়নি তো,, ---না স্যা,,, আমি--মা ওদের থাকার জন্য বড় গেস্ট রুম টা খুলে দাও,,, মা--আচ্ছা আমি ব্যাবস্থা করতেছি, আমি----আর তোমরা এখানে নিজের বাড়ির মতো চলবে,,, --ওকে স্যার,, ফুফা--আচ্ছা আমি ইমরান নামটা তোমার বাবার মুখে অনেকবার শুনেছি,,যার নাম শুনলেই বড় বড় নেতাদের প্যান্ট নষ্ট হোওয়ার অবস্থা,, তুমি কি সেই ইমরান,, লামিয়া--হ্যা ও সেই ইমরান,, আমাদের গর্ব,, আমি--আচ্ছা আমার খুব ক্লান্ত লাগতেছে, আমি রুমে গেলাম,, এই বলে,, রুমে চলে আসলাম,, রুম টা যেমন রেখে গেছিলাম,,ঠীক তেমনি আছে,,, তারপর খাটে শুইয়া মাত্রই ঘুমিয়ে পড়লাম,, হঠাৎ-----+++++-++------&------ আপনারা অনেকেই জিগ্গেস করতেছেন,,নায়াকা আসবে কিনা,,হ্যা নায়াকা আসবে,, আগামী দুই এক পর্বেই আসবে,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now