বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X টেক্সিচালাক যখন গ্যাংস্টার Writer--Md. Omar Part--15 সুখে শান্তিতে আমাদের দিন কাটতে লাগলো,, একদিন,, রাতে বাসায় ফিরে আমি তো অবাক,, কারন বাবা মামা ফুফা ফুফি সবাই বসে আছে,,, লিমা ---ওই তো আম্মু তোমার নবাবজাদা এসে গেছে,, আমি--তোমরা কখন এলে,,আর আসবে যে আমাকে জানাবে না,, মা--তুকে সারপ্রাইজ দিলাম,, আমি--কিরে পেত্নি কেমন আছিস,,, বোন--তুকে ছাড়া কিভাবে ভালো থাকবো,,(মন খারাপ করে) আমি--আই একটু কুলাকুলি করি,, বোন--তুর মতো গন্ডার এর সাথে আমার কুলাকুলি করতে বয়ে গেছে,,(ভেংচি কেটে) ফুফি--আমার জামাই টা কেমন আছে,,, আমি--আপনার জামাই এর জীবন ত্যানা ত্যানা হয়ে গেছে,, শাশুড়ি আম্মা,,???????? ফুফি--কেন,, আমি--তোমার মেয়েটা যা জালাই না,,কি আর বলবো,,(লিমা কে রাগানোর জন্য) লিমা--আমি তোমাকে জালাই তাই না,,,,থাক তোমরা,, আমি আজি চলে যাবো,, এই বলে হনহন করে চলে গেলো,, বোন--ভাইয়া ভাবিকে তো রাগিয়ে দিলি,, এবার যা মেডামের রাগ ভাঙা,,???????? আমি--এ তেমন কিছু না,,থাক তোমরা আমি প্রেশ হয়ে আছি,,, বোন--যা যা,,বউ এর রাগ ভাঙাতে যা,, তারপর আমি রুমে চলে আসলাম,,, এভাবে মেডাম দেখি মুখ ভার করে বসে আছে,, আমি--ওগো বউ,, --চুপ আমি--ওগো শুনছো,, ---চুপ,, আমি--কলিজা শুনছো,, ---চুপ, না এভাবে হবে না,, আমি---ওই কথা বলবি নাকি,, কানের নিচে একটা দিবো,,(ধমক দিয়ে,,) লিমা--কি কি কি,, সুজা কথায় কাজ না কথা বাঁকা করতে হয়,, আমি--তোমাকে কয়বার ডেকেছি,,শুননাই,, লিমা-আমি তোমার সাথে কথা বলবো না,, আমি তোমাকে বিরক্ত করি তাই না,,,থাকব না এখানে,,(কান্না করে) আমি--আরে আরে কান্না করতেছ কেন,,আমি তো মজা করে বলেছি,,সরি ----চুপ,, আমি--সরি বললাম তো,, ---চুপ,, আমি-----এই কথা বলবি নাকি,,এটা দিয়ে মাথা ফুটু করে দিবো,,(কোমরে গুজে রাখা পিস্তল টা বের করে,,) লিমা--এই এই এটা সরাও সামনে থেকে,,(চোখ বন্ধ করে) আমি--আগে বলো,,ক্ষমা করছো কিনা,,, লিমা--হ্যা হ্যা ক্ষমা করে দিয়েছি,,সরাও এটা,(এখনো চোখ বন্ধ করে আছে) আমি-----এই তো লাইনে আসছো,(পিস্তল টা আবার কোমরে গুজে নিলাম,,) আমি--ওগো বউ এবার চোখ খুলো,, লিমা--এটা সরিয়েছো তো,, আমি--হ্যা,, লিমা--সত্যি তো,, আমি--হ্যা রে বাবা,, তারপর লিমা আস্তে আস্তে চোখ খুললো,, আমি--রাগ করলে আমার বউটাকে হেব্বি লাগে,,,ইচ্ছে করে,, লিমা--কি করে,, আমি--ইচ্ছে করে,, লিমা--কি,,? আমি--গাল দুটি টেনে দি,,(গাল দুটো টেনে দিয়ে)) লিমা--হয়ছে,,আর ডং দেখাতে হবে না,, আমি কোমর থেকে ও আস্তে আস্তে পিস্তল টা বের করে ও না দেখে মতো ওর পিছনে বিছানার রেখে দিলাম,, আমি-----এই তোমার পিছনে বিছানায় এটা কি দেখো,, লিমা--কি..? আমি--আরে দেখোই না,, লিমা পিছনে তাকিয়ে দেখে যে পিস্তল,, ভয় পেয়ে সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে আমাকে থুক্কু ইশান কে আস্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরলো,, ((সবাই তেলাপোকার ভয় দেখিয়ে বউকে জড়িয়ে ধরে,, আমি নাহয় পিস্তল এর ভয় দেখিয়ে,,)) লিমা--সরাও এটা,,(জড়িয়ে ধরে) আমি--থাকনা,, লিমা--প্লিজ সরাও,,(কান্না করে দিয়ে,,) না একটু বেশি হয়ে গেছে,,তাই সরিয়ে নিলাম,, আমি-সরিয়ে ফেলছি,,এবার ছাড়ো,,নাহলে আমি নিজেকে কান্টোল করতে পারবো না,, লিমা--যাহ সয়তান,,(ছেড়ে দিয়ে) আমি---আচ্ছা আমি ফ্রেশ হয়ে আসি,, তারপর ফ্রেশ হতে চলে গেলাম,, ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি,,লিমা নেই,, তাই আমি নিচে চলে গেলাম,, এসে সবার সাথে আড্ডা দিতে লাগলাম,, খুব ভালো লাগছে,, সবাইকে পেয়ে,, খাবারের টাইম হয়ে গেলে,,লিমা সবাইকে খেতে ডাকে,, আমরা সবাই খাবার টেবিলে বসে পড়লাম,, লিমা সবাইকে খাবার পরিবেশন করছে,, ((মেয়েটা এখন পুরোপুরি সংসরি হয়ে গেছে,,ওকে পেয়ে আমার থুক্কু ইশানের জীবন ধন্য,,) সবাই খুব মজা করে খাচ্ছে,, মা--বাহ আমার ছেলের বউ এর রান্না,, খুব ভালো,, খাওয়া দাওয়া করে আমি রুমে চলে আসলাম,, কিছুক্ষণ পর লিমা ও আসলো,, এসে সুজা আমার থুক্কু ইশানের বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল,, দুজনে ঘুমিয়ে গেলাম,,, পরদিন লিমার দুষ্টামি যে ঘুম ভাঙল,, ফ্রেশ হয়ে নিচে নাস্তা করতে আসলাম,, আমি--আব্বু এখনো উঠেনি,,?? মা--তুর আব্বু সেই কবে উঠছে,,নাস্তা করে কি যেন কাজে গেছে,, আমি--ওহহ,, তারপর আমি ও খাওয়া শুরু করলাম,, খাওয়া শেষ করে ছোফায় গিয়ে বসলাম,,, তখনি কলিং বেল বেজে উঠল,, আমি উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম,, দরজা খুলে দেখলাম,, তিন পেত্নী,,মানে লামিয়া,, সাইরা,,নিলা এসেছে,, আমি--ওও তোরা,,আই ভিতরে আই, লামিয়া--শুনলাম আংকেল আন্টি এসেছে,,(ঢুকতে ঢুকতে) আমি--হ্যা,,তুরা বোস,, আমি--মা কে এসেছে দেখো,, মা এসে মা--আরে লামিয়া কেমন আছো তোমরা,, ---ভালো,, আপনি কেমন আছেন,,?সবাই, সাইরা--রাধিক আর ভাবি কোথায়,, আমি--আছে উপরে,, মা--আগে নাস্তা করে নাও,, তোমরা,, লামিয়া--না আন্টি আমরা খেয়ে আসছি,, মা--আরে আসো তো, তারপর ওরা নাস্তা করে নিলো,, আমি--তোরা উপরে যা,, তারপর ওরা উপরে গেল,, আমি--ছোফায় বসে বসে মোঃ টিপতেছি,, কিছুক্ষণ পর আব্বু আসলো,, আমি--আব্বু কোথায় গিয়েছিলে,,, আব্বু--কিছু না বলে সোফায় বসে পড়লো,, চেহারা দেখে মনে হচ্ছে মন খারাপ,, আমি--আমি কিছু জিগ্গেস করতেছি,,, আব্বু--আকরাম চৌধুরীর সাথে দেখা করতে গেছিলাম,, আমি--কোন আকরাম,, আব্বু---বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,, আমি--তো ওর কাছে কেন গিয়েছিলে,, আব্বু--ব্যবসায়িক আলাপ করতে,, কিন্তু,, আমি--কি,, আব্বু--আমাকে অপমান করেছে,, আমি--ও তোমাকে চিনে না,,? আব্বু--ওর ক্ষমতা আছে চেয়ে বেশি,, আমি--আচ্ছা ওর ব্যবস্থা নিচ্ছি,,ওকে তোমার পায়ের নিচ এনে ফেলতেছি অপেক্ষা কর,, তোমাকে অপমান করার সাহস কিভাবে পাই,,(মাথা হেবি গরম হয়ছে,,,) আমি সমিক কে কল দিলাম,, আমি--হ্যালো সমিক,,সবাইকে রেডি থাকতে বলো,, সমিক--ওকে স্যার,, তারপর আমি সুজা রুমে চলে আসলাম,, এসে দেখতেছি ওরা আড্ডা দিচ্ছে,, আমি কিছু না বলে রেবি হয়ে,, ড্রয়ার থেকে পিস্তল টা নিয়ে হনহন করে বেরিয়ে গেলাম,, তারপর গাড়িতে গিয়ে বসলাম,, আমার সাথে সমিক আছে,, আর বাকি গাড়ি গুলো তে গার্ড,, কিছুক্ষণ পর আকরাম এর অফিস চলে আসলাম,, আমাদের ওর গার্ডরা আটকিয়ে,, -----এই কারা আপনারা,, আমি---ইমরান,, ---সসরি সসসরি স্যার,, পথ ছেড়ে,, আমরা সবাই ভিতরে ঢুকলাম,, আমি--সুজা আকরামের কেবিনে ঢুকলাম,, আকরাম আমাকে দেখে উঠে দাঁড়ালো, আকরাম--স্যাস্যারর আ আআপনি,, আমি--চিনতে পেরেছিস তাহলে,, আকরাম--স্যার আপনি হঠাৎ এখানে,, আমি তো আপনার প্রতি মাসের চাঁদা প্রতি মাসে দিয়ে দি,, আমি---চলে,, আমার সাথে,, আকরাম--কোকোথথায় স্যার,? আমি--ডিস্কো তে নাচতে যাবো,,বেশি কথা না বলে চল,,নাহলে এটা কি দেখছিস,,?(পিস্তল দেখিয়ে) তারপর ওকে নিয়ে সুজা বাসায় চলে আসলাম,, এনে সুজা বাবার পায়ের কাছে ফেললাম,, আমি--চিনতে পারছিস,,? আমি--একটু্ আগে অপমান করেছিস আমার বাবাকে,, আকরাম--স্যার এনি আপনার বাবা,,? আমি--হ্যা,, ((চিৎকার শুনে সবাই নিচে আসলো,,)) আকরাম--স্যার আমাকে এবারের মতো মাফ করে দিন,, আমি--মাফ আমার কাছে না,,বাবার পায়ের ধরে ছা,, ও চুপ করে আছে,,, ((অপমান বোধ করছে,,)) আমি--কি হল,,মাফ চাইবি নাকি,,সবার হাতে এগুলো কি দেখছিস,,সবাই একটা করে ছুঁড়লে,,তুর শরীর আর শরীর থাকবে না,,জাল হয়ে যাবে,, আকরাম--স্যার আমাকে এবারের মতো মাফ করে দিন,, আমি আর কখনো করবো না,, আমি-----এই এটাকে মেরে রাস্তার মাঝখানে ফেলে আই,, সবাই গুলি করার জন্য প্রস্তুত,, আকরাম--না না স্যার চাচ্ছি,, তারপর বাবার পায়ে ধরে মাফ চাইলো আমি--যা এবার,,আর যদি কখনো কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করিস সেদিন হবে তুর শেষ দিন,, তারপর ও মাথা নিচু করে চলে গেলো,, বাবা--এভাবে অপমান না করলেও পারতি,, আমি--তোমাকে অপমান করেছে,,আর আমি চুপ করে থাকবো,,ওকে তো আজকেই ওপারে পাঠিয়ে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে,, লিমা--কাউকে ওপারে পাঠাতে হবে না,,আগে পিস্তল টা সামনে থেকে সরাও,, বাবার সামনে পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছো,, আমি--আচ্ছা আমি উপরে গেলাম,, তারপর উপরে চলে আসলাম,, পিস্তল‌টা রেখে,, আবার নিচে আসলাম,, মা-বাবা তুই এসব ছেড়ে দে,, আমি--না মা আমি এসব ওইদিন ছাড়বো যেদিন মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে,, সবরকম অন্যায় বন্ধ হবে,,,তার আগে না,, বোন--ভাইয়া আজকে আমরা ঘুরতে যাবো,, আমি--তো যা,,কে মানা করছে,, বোন--তুই সহ যাবি,, আমি--সে নাহয় গেলাম,, লামিয়া--থাংকো,, বিকেলে,--------++ চলবে----+ সরি গল্প দিতে একটু লেট হলো,, গল্পটা কি আর কয়েক পর্বে শেষ করে দিবো নাকি,,আরো বড় করবো,, )?? শেষ করে দিলে নতুন আরেকটা শুরু করতে পারবো,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now