বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক Writer-Md. Omar Part--07 দেখতে দেখতে একবছর চলে গেল,,, কিন্তু ‌কয়েকদিন আগে আমার সাথে এমন কিছু ঘটলো যে,,যা আমাকে সম্পূর্ণ রূপে পরিবর্তন করে দিলো,, কয়েকদিন আগের কথা,, কিছু লোক আংকেল এর উপর হামলা করতে এসেছিল,, কিন্তু আমি থাকায় পারেনি,, কিন্তু কেন হামলা করলো সেটা আংকেল ও বলতে পারেন নাই,, হয়তো কোন পুরানো শত্রু,, একদিন আমি গাড়ি চালিয়ে রাতে বাড়ি ফিরলাম,, দেখি বাড়ির দরজা খুলা,, কিন্তু এই সময় তো‌ দরজা খোলা থাকে না,তাই তারাতাড়ি ঢুকলাম,, বাড়িতে ঢুকে তো আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো,, আংকেল রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছে,, আর সারা বাড়িতে ভাংচুর করেছে, আমি দৌড়ে আংকেলের এর কাছে গেলাম, আমি---বাবা তোমার এ অবস্থা কে করেছে,,,(কান্না করে)) আংকেল--ওরা আবার আমার উপর হামলা করেছে,,(অনেক কষ্টে কথা গুলো বলল) আমি--কিন্তু কেন,, আংকেল--আ আমি জাননিননা,,আমি হয় তো আর--- আর বলতে পারলো না,,তার আগে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল, আমি আর দেরি না করে আংকেল কে তুলে নিয়ে গাড়িতে এনে‌ শুয়ালাম,,, তারপর ঝড়ের গতিতে গাড়ি চালাতে লাগলাম,, এদিকে আমার চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ছে,, কিছুক্ষণ পর হাসপাতালে এসে গেলাম,, আঃংকেল কে কাঁদে তুলে নিয়ে হাসপাতালে ঢুকে পড়লাম,, ডাক্তার কে চিৎকার করে ডাকতে লাগলাম,, আমার চিৎকার শুনে ডাক্তার এবং কয়েকজন নার্স বের হল,, আমি--ডাক্তার ওনাকে বাঁচান,,(কান্না করে) ডঃ আংকেল এর হাতের শিরা দেখে বলল ডঃ--এখনো বেচে আছে,,আপনি সান্ত্ হোন,, এই এনাকে ওটিতে নিয়ে যাও,,কুইক,, তারপর আংকেল কে,,ওটিতে নিয়ে যাওয়া হল,, আর আমি বাইরে চটপট করছি,,, ১ ঘন্টা পর ডাক্তার বের হলো,, আমি দৌড়ে ডাঃ এর কাছে গেলাম,, আমি--ওনার কি অবস্থা,, ডাঃ চুপ করে আছে,, আমি--কি হল চুপ করে আছেন কেন,, ডঃ--অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের ফলে,,তাকে বাঁচানো সম্ভব হয় নি,,he is no more,,, আমি--কিহহ,, মূহুর্তেই আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেল,,, আমি--কি বললেন আপনি, আবার বলেন,,(ডাঃ এর কলার ধরে,). ডাঃ--দেখুন আপনি সান্ত্বনা হোন,,আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি,,বাঁচা মরা উপ ওয়ালার হাতে,, আমি ধুপ করে বসে পড়লাম,, চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝড়ছে,, কেন বারবার আমার সাথে এমন ঘটে,, বিনা অপরাধে মা বাবা কে হারালাম,,আর বাবার মতো একজন কে পেলাম,,আজ থাকেও হারাতে হলো,, আমি কি এমন অপরাধ করেছিলাম,,,, কেন আমার থেকে সবাই দুরে চলে যাচ্ছে,, এভাবে না করে আমাকে তুলে নিতেই তো পারো,, তাহলে আমার সব কষ্টের অবসান হতো,,, এখানে লামিয়া দের আসতে বলি,, তারপর লামিয়া কে কল‌ দিলাম,, লামিয়া--হ্যালো ভাইয়া,, আমি কান্নার কারণে কথা বলতে পারছি না,, লা--একি ভাইয়া তুমি কাঁদছো কেন,, আমি--আ। আ আংকেল,,আর নেই,,(বলতে অনেক কষ্ট হচ্ছে,,) লামিয়া--কিহহহহহ,, কেমন কি,,? আমি--তুতুতুই এই হাসপাতালে চলে আই,,(হাসপাতালের নাম বলে ফোন কেটে দিলাম,,) চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে,,, ও আল্লাহ আমাকে বলে দাও আমি কি করবো,, আমার যে খুব কষ্ট হচ্ছে,, আমার শেষ সম্বল টুকু বাকি থাকলো না,, এখনো মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসে আছি,, কিছুক্ষণ পর ভাইয়া চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি,, লামিয়া আর সাইরা,, লামিয়া--ভাইয়া কেমনে হয়েছে এসব,, আমি কিছু বলতে পারছি না,, শুধু চোখের পানি ফেলতেছি,,,, আমাকে অনেকক্ষন কথা বলাতে চেষ্টা করলো,, কিন্তু পারলো না,, ডাঃ--ওনাকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন,,আর নিজেকে শক্ত রাখুন, সাইরা--ডা ওনার কি হয়েছৈ,, ডঃ--ওনাকে সম্ভবত কেউ গুরুতরভাবে মেরেছে,, লামিয়া--কিন্তু ওনাকে এভাবে কে মারবে, ডা--সেটাতো আমি বলতে পারবো না,, লামিয়া আর সাইরা আমাকে সান্তনা দিচ্ছে,, হাসপাতালের সব কাজ সম্পাদন করে আংকেল কে বাসায় আনা হল,, সাথে লামিয়া আর সাইরা আছে,, আমি এক কোনায় বসে চুপচাপ চোখের জল ফেলছি,, পরদিন অনেক মানুষ আসলো,, লামিয়া সাইরা নিলা এদের পরিবারের সবাই আসলো,, যথা নিয়মে আংকেল কে দাফন করা হল,, লামিয়া আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলো,, কিন্তু আমি যেতে চাইনা,, অনেক জুরাজুরি করে নিয়ে গেলো,,, ওদের বাড়িতে এনে আমাকে একটা রুমে আনা হলো,, কিছুক্ষণ পর লামিয়া খাবার নিয়ে এল,, খেতে অনেক জুরাজুড়ি করে,, কিন্তু আমি খাইনি,, কেমনে খাবো,, খাবার তো গলা দিয়ে নামছে না,,, আমার জেদের কাছে হেরে গিয়ে চলে গেল,, আমি অনবরতো চোখের জল‌ ফেলছি,, আজ আংকেল মারার ৩ দিন,, এখন আগের চেয়ে একটু স্বভাবিক,, মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছি,, যেখানে অপরাধি আর দুর্নীতি দেখবো সেখানে কুকুরের মত মারবো,, এখন আমার মন টা পাথর হয়ে গেছে,, রক্ত ঝরানোর নেশায়,, আংকেল এর খুনের প্রতিশোধ নিতে না পারলে আমার মনের আগুন নিভভে না,, আমি--আমি আজ চলে যাবো,, লামিয়া--সেকি ভাইয়া,, তুমি এখানেই থাকবে,, আমার ভাই হয়ে,, আমি--নারে বোন,, আমি এখানে থাকলে আংকেল এর বাড়িটা কে দেখে রাখবে,, এমনিতেই তুরা আমার জন্য অনেক করেছিস,, রক্তের সম্পর্ক না হয়েও তুরা আমার জন্য যা করেছিস তা কখনো ভুলার নয়,, লামিয়া--তুমি কি সত্যি চলে যাবে,,(মন খারাপ করে) আমি--আমি তো আর দূরে কোথাও যাচ্ছি না,,আসি রে,,(ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে,) তারপর ওর আম্মু আব্বু কে বলে বাসায় চলে আসলাম,, আসার সময় কামারের দোকানে গিয়ে একটা বড় সাইজের ((লাম দা আর কয়েকটা চাপাতি ))বানাতে দিয়ে আসলাম,, বাড়িতে এসে সুজা আংকেল এর রুমে চলে গেলাম,, ঘুরে ঘুরে আংকেল এর সৃতি গুলো দেখতে লাগলাম,, কয়েকদিন আগে এই রুমে মানুষ থাকতো,, কিন্তু আজ শুধু তার সৃতি গুলো পড়ে আছে,,সে চলে গেছে অনেক দূরে,,, তারপর আংকেল এর রুম থেকে বের হয়ে আমার রুমে চলে আসলাম,, এসে শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম,,, আংকেল কে কেন মেরেছিল,,, ছেলে গুলো কে একবার পাই,, সেদিনি তাদের শেষ দিন হবে,,(প্রথম যেদিন হামলা করেছিল সেদিন ওদের চেহারা ভালো করে দেখে নিয়েছিলাম,,দেখলেই চিনতে পারবো,,) পরদিন কামার এর দোকান থেকে ((.লাম দা আর চাপাতি গুলো)) নিয়ে আসলাম,, এসে লাম দা টা খুব সাবধানে গাড়ির সিটের নিচে রাখলাম যাতে কেউ বুঝতে না পারে,,আর একটা চুরি পেন্টে গুজে নিলাম,,, তারপর গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম,, উদ্দেশ্য ভাড়া মারা এবং অপরাধিদের খুঁজে বের করা,,, একদিন রাতে আমি বাসায় ফিরতেছি এমন সময়,, চলবে---- জানি না আপনাদের কেমন লেগেছে,, কিন্তু আজকের পর্ব টা লিখতে গিয়ে আমার চোখেও জল চলে আসছে,, এটাই বুঝাতে চাইছি একটা মানুষ ঠিক কতটা কষ্ট পেতে পারে,,একটা মানুষ কিভাবে কষ্ট পেতে পেতে পাথর এর মতো হয়ে যায়,,, আগামী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন,, ধন্যবাদ সবাইকে,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now