বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X টেক্সিচালক যখন গ্যাংস্টার Writer--Md. Omar Part--14 নাস্তার টেবিলে নাস্তা করতেছি এমন সময় আমি--আমরা কালকেই ঢাকা চলে যাবো,, মা--কেন বাবা,, আমি--অনেক কাজ পড়ে আছে,,, মা--না আমি তোমাকে কোথায়ও যেতে দিবো না,, আমার ছেলে আমার কাছে থাকবে,, বাবা--তুকে ছাড়া এতদিন অনেক কষ্টে ছিলাম,,চুকে আর যেতে দিচ্ছি না,, আমি--প্লিজ বুঝার চেষ্টা করো,,,, খুব মাসে একবার এসে তোমাদের দেখে যাবো,,,আর আমার দেখা শুনা করার জন্য তো তোমার বৌমা আছে,,,(লিমার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে) আমার কথা শুনে লিমা আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে, মা--বাবা তুই ওসব সন্ত্রাসী ছেড়ে দে,,তুর জন্য আমার ভয় হয়,, আমি--না মা এটা আমি ছাড়তে পারবো না,, আমি দেশের ভালোর জন্য করতেছি,,, দেশের আবর্জনা পরিষ্কার করছি,,র্এটা আমি ছাড়তে পারবো না,, বাবা--আমার ছেলের ক্ষতি করবে এমন বাপের সন্তান এখনো জম্ম নেইনি,ও মাফিয়া ডন ইমরান,, মা--বৌমা আমার ছেলে টাকে দেখে রাখিস,, লিমা--হ্যা মা,,(আমার অবস্থা কি করবে কে জানে,,) আমি--লামিয়া তুরা তুদের ব্যাগ গুছিয়ে নিস,, আমরা কাল সকালেই রওনা দিবো,, লামিয়া--ওকে,, আমাদের সাথে রাধিকা কে ও নিয়ে যাই,, আমি--না ও গেলে মা বাবা একা হয়ে যাবে,, রাধিকা--ভাইয়া আমি তুকে কোথাও যেতে দিবো না,, আমি--বোন বুঝার চেষ্টা কর,, আমি তো প্রতি মাসে এসে তুকে দেখে যাবো,, তারপর নাস্তা করে,, রুমে চলে গেলাম,, পরদিন সকালে সবার থেকে বিদায় নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম,, লিমার সেকি কান্না,,মা বাবাকে ছেড়ে যাচ্ছে বলে,, সামনের গাড়ি থেকে আমরা,, আর পিছনের গাড়ি তে গার্ড,, গাড়িতে বসে বসে ভাবতেছি কিভাবে ওকে শাস্তি দেওয়া যাই,, বিকেলের দিকে আমরা ঢাকায় পৌছ গেলাম,, লামিয়া দের ওদের বাসায় নামিয়ে দিয়ে আমরা বাসায় চলে আসলাম,,, লিমা তো বাসা দেখে হা হয়ে গেছে,, লিমা--এত সুন্দর তোমার বাসা,,(অজান্তেই) আমি--ওই আমাকে আপনি করে বলবি,,যা প্রেশ হয়ে আমার জন্য রান্না কর,,খিদে পাইছে,, লিমা--তোমার থুক্কু আপনার রুম কোন দিকে,,? আমি--আমার রুম দিয়ে তুই কি করবি,, লিমা--আমি কাপড় চোপড় গুলো রাখবো,,আর থাকবো কোথায়,, আমি--এখানে রুম যেটাতে খুশি সেটাতে,,থাকবি,, আমার রুমে তুর জায়গা নাই,,, এই বলে আমি রুমে চলে আসলাম,, আমার পিছে পিছে লিমাও চলে আসলো,, আমি--তুই আমার পিছে পিছে কি,,? লিমা--আমার না,,একা থাকতে ভয় করে কোনদিন থাকি নাই তো,,তুমার রুমে একটু জায়গা দিবা,,?ছোফায় তাকতে দিলেই হবে,,(করুন ভাবে) আমি-ওকে,,আর বেশি কথা না বলে আমার জন্য রান্না করতে যা,, লিমা--হুম,,ঐই বলে ওয়াশরুমে চলে গেল,, প্রেশ হয়ে রান্না করতে চলে গেল,, তারপর আমি প্রেশ‌ হতে গেলাম,, প্রেশ হয়ে এসে দেখি,, মোবাইল বাজতেছে,, হাতে নিয়ে দেখলাম,, মা ফোন করেছে,, তাই সাথে সাথে রিসিভ করলাম,, আমি--হ্যা মা বলো,, মা--বাবা ঠিকমতো পৌঁছেছিস তো,, আমি--হ্যা মা,,, তুমি একদম চিন্তা করনা, মা--হ্যা বৌমাকে কোন কষ্ট দিস না,,ওর সবসময় খেয়াল রাখবি,, আমি--হ্যা,,, তারপর মা ফোন কেটে দিলো,, আমি খাটে বসে বসে গেইম খেলতেছি এমন সময় লিমা এল,, লিমা -----এই খেতে এস,, আমি---ওই ছেমড়ি,,তুকে কয়বার বলতে হবে,,আমাকে আপনি করে বলবি,, লিমা---সরি,, আমি--হুম,, লিমা--রান্না হয়ে গেছে,,খেতে আসেন,,(গুন্ডা একটা) আমি---চল্, তারপর ডাইনিং টেবিলে আসলাম,, এসে বসে পড়লাম,,, লিমা খাবার বেড়ে দিলো, আমি খাওয়া শুরু করলাম,, লিমা দাঁড়িয়ে আছে,, খাবার কিন্তু সেই হয়ছে,, তবুও আমার হাত চুলকাচ্ছে,, আমি-----এই এদিকে আই,,, লিমা--জি বলেন,, দিলাম ঠাসস করে একটা,, আমি--এগুলো রান্না করেছিস,,জীবনে তো কিছু শিখলি না,, শুধু মিথ্যা বলে মানুষ কে খারাপ বানাতে শিখেছিস,, লিমা--রান্না তো ঠিকি হয়েছে,,, আমি--আবার মুখে কথা বলিস,,???????????? লিমা কান্না করতে করতে দৌড়ে চলে গেল,, আমি বাকি খাবার টুকু খেয়ে রুমে চলে আসলাম ((খাবার কিন্তু সেই টেস্ট হয়েছে,,না খেলেও পেট বাবাজি রাগ করবে,,)) রুমে এসে দেখলাম লিমা বালিসে মুখ গুজে কান্না করতেছে,, আর লিমা--আমি কি বড় কোন অপরাধ করলাম,,যে আমাকে একটিবার ক্ষমা করা যাই না,,, আমার যে আর সহ্য হচ্ছে না,,,(কান্না করে) আমার ও একটু খারাপ লাগলো,,মেয়েটা তো কিছু খাইনি,,, এটা করা ঠিক হয়নি,, আবার ভাবলাম না একদম ঠিক হয়েছে,, আমি---ওই তুর ন্যাকা কান্না বন্ধ কর,, লিমা ভয়ে চুপ করে গেল,, রাতে খাবার সময় আমি খাচ্ছি লিমা দাঁড়িয়ে আছে,, আমি--ওই তুই ও বসে পড়, লিমা--আগে আপনি খেয়ে নেন,, আমি--বসতে বলছি বসবি,, লিমা--ভয়ে বসে পড়লো,, খাওয়া শেষ করে রুমে চলে আসলাম,, ফোন হাতে নিছি অমনি সমিক এর কল,, আমি--হ্যা বলো,, ---স্যার আপনার কথা মতো কাজ হয়ে গেছে,, আমি---এখন শালার পুতকে রাস্তার মাঝখানে ফেলে দাও,, ---ওকে স্যার, ফোন কেটে দিল, লিমা--কাকে রাস্তার মাঝখানে ফেলে দিতে বলছো,,(রুমে এসে) আমি--মানুষকে,, লিমা--প্লিজ তুমি এসব ছেড়ে দাও,, আগের মতো হয়ে যাও,, আমি--ওই তুই বেশি বললে,,তুকেও মেরে দিবো,, লিমা--হ্যা মেরে দাও,, এতেই তো তুমি শান্তি পাবে তোমার মনের জ্বালা মিটবে,,,,নাও মেরে দাও, আমি--কিছু না বলে ছাদে চলে আসলাম,, এভাবে কিছুদিন চলে গেল,, এতদিনে লিমার প্রতি আমিও কিছু টা দুর্বল হয়ে পড়েছি,, কিন্তু মনের মধ্যে রাগটা এখনো আছে,, তাই কাছে ঘেঁসতে দিই না,, একদিন মাঝরাতে হঠাৎ আমার বুকে ভারি কিছু অনুভব করলাম,, আমি চোখ না খুলেই হাত ঝাড়া মারলাম,, সাথে সাথে কারো চিৎকার শুনতে পেলাম,, আমি তাড়াতাড়ি উঠে রুমের লাইট জ্বালিয়ে দেখলাম,, লিমা কাঠের কোনায় মাথা দিয়ে বসে আছে, আমি ওর কাছে গিয়ে ওকে ডাকলাম কিন্তু ওর‌ কোন সাড়া শব্দ নেই,, তাই ওর মাথাটা উপরে তুললাম,,, এমা ওর মাথা ফেটে তো রক্ত পড়ছে,, এ আমি কি করলাম,, এভাবে ধাক্কা দেওয়া ঠিক হয়নি,, আমি--লিমা, এই লিমা,,উঠো,,এই লিমা,, লিমার হুস নাই,, আমি-----এই লিমা,,উঠো,, আমি আসলে খেয়াল‌ করিনি,,,(চোখের কোনে জল) আর দেরি না করে ওকে কোলে তুলে নিয়ে গাড়িতে বসালাম,, ফুল স্পিডে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে চলে আসলাম,, তারপর ওকে আবার কোলে তুলে নিয়ে হাসপাতালে ভিতরে ঢুকলাম,, কয়েকজন ডাক্তার আর নাস বসে ছিলো,,ওরা আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন,, ডাঃ--আরে স্যার আপনি এত রাতে,, আমি---এখন কথা বলার সময় নেই,,আগে আমার স্ত্রিকে ঠিক করে দেন,, ডাঃ--ওকে দূখছি স্যার,, তারপর তাকে ওটিতে ঢুকানো হলো,, কিছুক্ষণ পর ডাক্তার বের হলো আমি--ডাঃ ও কেমন আছে,, ডঃ--মাতায় আগাত পেয়েছে,,তাই অজ্ঞান হয়ে গেছে,, আমি ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে দিছি,,কাল সকালেই জ্ঞান ফিরবে,, আমি--আমি কি ভিতরে যেতে পারি,,? ডাঃ--হ্যা,, তারপর আমি ভিতরে ঢুকলাম,, ভিতরে ঢুকে দেখলাম লিমা ঘুমিয়ে আছে,,, কি মায়াবী চেহারা,,, মাথায় বেন্ডিজ করা,, আমি গিয়ে একটা টুল টেনে ওর মাথার পাশে বসলাম,, ওর হাত ধরে মায়াবী মুখটার দিকে একফলকে তাকিয়ে থাকলাম,, আমি-----এই পাগলি তুমাকে আর কষ্ট দিবো না,, খুব ভালোবাসবো,,,আমাকে ক্ষমা করে দাও,, কখন যে ওর হাতের উপর ঘুমিয়ে গেলাম টেরই পেলাম না,, কে যেন আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,,তাই ঘুম ভেঙ্গে গেল, মাথা তুলে দেখলাম,,লিমা জেগে গেছে,,, আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,, আমি--এই তোমার ঘুম কখন ভেঙ্গেছে,,?. লিমা--কিছুক্ষন আগে,, আমি--আমাকে ডাকবে না,,? লিমা--তুমি ঘুমাচ্ছো তাই ডাকি নাই,,আর তোমার মায়াবী মুখটার দিকে তাকিয়ে থাকতে আমার খুব ভালো লাগছিল,, আমি--আমি তোমাকে এতদিন অনেক কষ্ট দিয়েছি,,আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও,,আর কখনো কষ্ট দিবো না,,(হাত ধরে) লিমা--তুমি যা করছো,, একদম ঠিক করেছ,, আমার মতো মেয়ের এটাই প্রাপ্য,,, আমার জন্য তুমার দুইটা বছর কষ্টে কেটেছে,,মা বাবা। থেকে দূরে থেকেছো,,(কান্না করে) আমি-----এই পাগলি কান্না করতেছো কেন,, লিমা--আমাকে তুমি মাফ করে দাও,, তোমাকে মিস করতে করতে কখন যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলি আমি নিজেও জানতাম না,,ঐ বিয়েটাকে আমার কোন মত ছিলোনা,, তোমার অপেক্ষায় ছিলাম,, তোমার কথাও বা মাকে বলতে পারি নাই,, কোন মুখেই বা বলবো,, আমার কারনেই তো তোমার জীবনে টা নষ্ট হয়ে গেছে,,, বিয়ের দিন যখন বরং আসবে না বলছে তখন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম,, পরে যখন তোমার সাথে আমার বিয়ে হলো নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছিলাম,, আল্লাহ আমার আশা পূরণ করেছে,,(কান্না করে) আমি--মাফ তো তোমাকে অনেক আগে করে দিছি,, আমার পাগলি টিকে খুব ভালবাসবো,, লিমা--একটু বুকে জড়িয়ে নাও না,, তারপর আমি ওকে বুকের সাথে মিশিয়ে নিলাম,, আমি--আচ্ছা আমি ডঃ কে ঢেকে আনি,,(ছেড়ে দিয়ে)এই বলে বেড়িয়ে গেলাম কিছুক্ষণ পর ডাক্তার কে সাথে নিয়ে ঢুকলাম,, ডাঃ--ওনাকে চাইলে আজকেই নিয়ে যেতে পারবেন,, আমি---ধন্যবাদ ডাঃ,, তারপর ডাঃ চলে গেল,, আমি গিয়ে আবার ওর পাশে বসলাম,,ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম,, কিছুক্ষণ পর নার্স আসলো,, ---স্যির ভেড়ামা কে এই সোফ টা খাইয়ে দেন,, আমি--হ্যা দিন আমায়,, আমার হাতে দিয়ে চলে গেল,, আমি ওকে খাইয়ে দিচ্ছি,,আর ও ছোট বাচ্চাদের মত খাচ্ছে,,, বিকালে ওকে বাসায় নিয়ে আসলাম,, বাসায় এসে ওকে খাটে শুইয়ে দিয়ে আমি নিচে চলে গেলাম,,ওর জন্য খাবার রান্না করতে,, কোন রকম রান্না করে বাসন এ করে নিয়ে আসলাম,, তারপর ওকে ডেকে খাইয়ে ওষুধ খাইয়ে দিলাম তারপর শুইয়ে দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম,, পাগলিটা ঘুমিয়ে গেছে তাই আমি একটু বাইরে বের হলাম,,, সন্ধ্যায় বাসায় আসলাম,, আসার সময় আমাদের জন্য রাতের খাবার নিয়ে আসলাম,, রুমে এসে দেখি ও জেগে গেছে,, লিমা--তুমি কোথায় গিয়েছিলে,,? আমি--একটু বাইরে গেলাম,, লিমা--ওও,, আমি---এখন কেমন লাগছে,,? লিমা--খুব ভালো,, এভাবে ওর সাথে খুনসুটি করতে করতে খাবারের টাইম হলে,, দুজনে খেয়ে নিলাম,, তারপর ওকে বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম,, এভাবে সুখে শান্তিতে আমার দিন কাটতে লাগলো,,,, পাগলিটা সত্যি আমাকে খুব ভালোবাসে,(আমাকে না ইশান‌ কে,,) একদিন,, চলবে,,,,---------- কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না,, চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now