বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Omar (০ পয়েন্ট)

X ট্যাক্সিচালক যখন গ্যাং স্টার, ((গল্পের নাম পরিবর্তন করা হলো,,)) Writer--Md. Omar Part--09 বাসায় এসে শুয়ে পড়লাম,, শরীর ক্লান্ত থাকায় ঘুম আসতে দেরি হলোনা,, হঠাৎ ফোনের শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল,, মোবাইল হাতে নিয়ে দেখলাম সমিক ফোন দিয়েছে,, আমি--হ্যা সামিক বলো,, সমিক--স্যার আপনি কোথায়,,? আমি--বাসায় ঘুমাচ্ছি,, সমিক--স্যার আজকে রাত ৯টার দিকে অস্ত্র চালান হবে,,খবর নিয়ে জানতে পারলাম কুক্ষাত সন্ত্রাসী আজমল অস্ত্র গুলি কিনছে,, আমি--কী বল, কোন রোড দিয়ে চালান হবে,, সমিক--এলিফেন্ড রোড,, আমি--ওকে আমি আসতেছি,, তারপর ফোন কেটে দিলাম,, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম ৫ টা বেজে গেছে,,, তারপর উঠে ফ্রেশ হয়ে গাড়ি নিয়ে সুজা চলে গেলাম আস্তানায়,, সমিক--স্যার আপনি এসেছেন,,? আমি--সবাইকে এখানে ডাকো,, তারপর সমিক সবাইকে ডাকলো,, আমি--সবাই শোন,,আজ এলিফেন্ট রোড দিয়ে অস্ত্র পাচার হবে,,৯ টার দিকে,,,সবাই গিয়ে ওখানে অবস্থান করো,,একটা অস্ত্র ও যাতে নিয়ে যেতে না পারে,, সবাই--ওকে স্যার,, আমি----আরে সবাই যার যার রাইফেল মনে করে নিয়ে যাবে,,বলা তো যায় না,,ওরা যদি এটেক্ট করে,, --ওকে স্যার,, আমি--তোমরা সন্ধ্যার পর বেড়িয়ে পড়,, এখন তোমরা যাও,, আমি--সমিক তুমি থাকো,, তারপর সমিক বাদে সবাই চলে গেল,, আমি সমিক কে সবকিছু বুঝিয়ে দিলাম, কিভাবে কি করতে হবে,, সন্ধ্যা হলেই ওরা সবাই বেরিয়ে পড়লো,,, আমি বসে বসে পয়সা ঘুরাচ্ছি,, যত সময় যেতে লাগলো,, আমার টেনশন বাড়তে লাগলো,, বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছি,, ঘড়ির কাঁটা যখন ১০ টা ছুঁই ছুঁই তখন সমিকের ফোন আসলো, আমি সাথে সাথে রিসিভ করলাম,, আমি---হ্যা সমিক,,বলো ঐ দিকের কি খবর, সমিক--মিশন সাকসেস ফুল স্যার,,আমরা সব অস্ত্র যব্দ করেছি,, আমি--বেরি গুড,,(খুশি হয়ে) সমিক--কিন্তু,, আমি--কিন্তু কি,, সমিক--ওদের সাথে গুলাগুলি যে আমাদের একজন কর্মী আহত হয়েছে,,হাতে গুলি লেগেছে,, আমি---তাকে এমার্জেন্সি হাসপাতালে পাঠাও কুইক,, সমিক--হ্যা সার পাঠিয়ে দিয়েছি,, আমি--ওকে এখন তোমরা অস্ত্র গুলো নিয়ে চলে আসো,, সমিক--ওকে স্যার,, আমি একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম,,এক ঘন্টা পর ওরা চলে আসলো,, একে একে সব অস্মের বাক্স আমার সামনে রাখা হলো,, আমি একটা বাক্স খুললাম,, এমা সবগুলো AK47 একটা হাতে নিয়ে হু হু করে হাসতে লাগলাম,, আর বলতে লাগলাম,, আমি--আমার এলাকায় কোন সন্ত্রাসী কে ভালোভাবে চলতে দিবো না,,,সব পাপের সম্ভ্রাজ্য ধ্বংস করবো,,,, আমি---যাও এগুলো সব গোডাউনে রেখে আসো,, তারপর সবাই রেস্ট নাও,, আমি বাসায় গেলাম,, ---ওকে স্যার,,(সবাই) তারপর আমি বাসায় চলে আসলাম,,, এসে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম,,,, তারপর দিলাম এক ঘুম,,, এভাবে সুখে শান্তিতে আমার দিন কাটতে লাগলো,, কিন্তু মা বাবার কথা খুব করে মনে পড়ে,, তখন মা বাবার ছবি টা বের করে ছবির সাথে কথা বলি,, একদিন বসে বসে টিভি দেখতেছি,,এমন ফোন বেজে উঠল,, ফোন হাতে নিয়ে দেখি লামিয়া কল দিয়েছে,, ফোন রিসিভ করলাম,, লামিয়া--কেমন আছো,, আমি--ভালো তুই,,? লামিয়া--ভালো,,আর শুন তোমাকে আমাদের সাথে যেতে হবে,, আমি--কোথায়,, লামিয়া--আমার এক আত্নীয়ের বিয়েতে,,তাই কাল কে আমরা সবাই দিনাজপুর যাচ্ছি,, নাম টা শুনার সাথে সাথে আমার বুক টা ধুক করে উঠলো,, আমি--নারে আমার যাওয়া হবে না,, অনেক কাজ পরে আছে,, লামিয়া--তুমি না গেলে সাইরা আর নিলা যাবেনা বলতেছে,,,তুমি যাচ্ছো এটা ফাইনাল,, এভাবে অনেকক্ষন জুরাজুড়ি করার পর রাজী হয়ে গেলাম,, লামিয়া--তুমি কাল সকালে আমাদের পাক আপ করে নিবে,, আমি--ওকে,, তারপর ফোন কেটে দিল,, কতদিন পর সেই চিরচেনা শহরে যাবো,,, ভাবতেই মনটা কেমন যানি করতেছে,,, আচ্ছা আমি কী মা বাবার সামনে যাবো,?,বাবা কি আমার উপর এখনো রাগ করে আছে,,?যানি না তারা কেমন আছে,,পিচ্চি বোন টা কত বড় হয়েছে কে জানে,, যাই হোক মা বাবার সামনে যাবো,,হয়তো ওরা আমার অপেক্ষায় বসে আছে,,, আমি সেই কবে রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছিলাম,, এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেলাম নিজেও জানিনা,, পরদিন কারো ফোনের শব্দে ঘুম এর ১২ টা বেজে গেল,, চোখ বন্ধ অবস্থায় ফোন রিসিভ করলাম,, আমি--হ্যালো কে,,? -----এই তুমি গাধার মত পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছো,,? আমি--কে আপনি,,?(এখনো ঘুম ঘুম ভাব,,) লামিয়া--মোবাইল এর দিকে তাকিয়ে দেখো,, আমি মোঃ এর দিকে তাকালাম,, আমি &-ও লামিয়া,, লামিয়া--ও লামিয়া না বলে তারাতাড়ি রেডি হয়ে আমার বাসার সামনে আসো,, আমি--কেন,,? লামিয়া--কাল কি বলছিলাম,, এরমধ্যেই ভুলে গেলে,, আমি--ও আচ্ছা আমি আসতেছি,, এই বলে ফোন কেটে, তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে হালকা কিছু খেয়ে নিলাম,, তারপর ব্যাগে কিছু কাপড় চোপড় নিয়ে রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়লাম,, কিছুক্ষণ পর লামিয়ার বাসার সামনে চলে আসলাম,, তিন পেত্নী দেখি দাঁড়িয়ে আছে,,, সাইরা--এই তোমার আসার সময় হলো, আমি--সরি,,, লামিয়া--তোমার গাড়ি টা এখানে পার্ক করে রাখো,, আমরা আমাদের গাড়ি করে যাবো,, আমি--আমি ড্রাইভ করতে পারবো,, লামিয়া--নাহ তোমার এতদুর ড্রাইভ করার দরকার নেই,, ড্রাইভার আংকেল গাড়ি বের করেন,, তারপর আমি গাড়ি টা ওদের বাসার সামনে পার্ক করে আমরা সবাই লামিয়া দের গাড়ি তে উঠলাম,, ফোন করে আমার কয়েকজন লোক কে দিনাজপুর চলে আসতে বললাম,, নিজের সেফটির জন্য, গাড়ি চলছে আপন মনে,, গাড়ি যত এগুচ্ছে তত আমার বুকের নক ফুটানি বেড়ে চলেছে,, আবার পুরানো সৃতিতে ডুব দিলাম,, এভাবে কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম টেরই পেলাম না,, হঠাৎ কারো ডাকে ঘুম ভাঙল,, আমি চোখ খুললাম,, লামিয়া--এসে গেছি,, এবার নামো,, আমি--হুম,, আমি গাড়ি থেকে যখন নামলাম তখন,, আমিতো,,,,,,,,,, চলবে,,,---------- গতকাল গল্প দিতে না পারার জন্য আমি সবার কাছে থেকে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি,, খুব ব্যাস্ত ছিলাম,, কাল সারারাত ঘুমাতে পারি নি,,আজ খুব ঘুম পাচ্ছে,, তাই কোন রকম লিখে দিলাম,,, ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে দিবেন,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক
→ মন্ত্রীর ছেলে যখন টেক্সিচালক

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now