বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিশন অফ রিভেন্জ(শেষ পর্ব)

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X ৭ম পর্ব/শেষ পর্ব প্রায় ১মাসের সফর শেষ করে আসলেন অফিসার রবিন এবং আকাশ। দুজনই খুব ক্লান্ত। প্রথমে দু-দিন বিশ্রাম নিবেন। তারপর আবার কাজে জয়েন করবেন। . ২দিন পর ২জনই অফিসে আসলেন। একে অপরের মুখামুখি হতেই দুজনই হাল্কা একটু মুচকি হাসি দিলেন। হাসির মঝে একটু রহস্যও আছে। :-আকাশ!! যাও সিভিল ড্রেস পরে আসো!! (অফিসার রবিন) :-ওকে স্যার! (আকাশ) আকাশ ১০মিনিটের মধ্যে ড্রেস পরিবর্তন করে আসে।  :-স্যার!! আমরা এখন কোথায় যাবো?? (আকাশ) :- (রসিকতা করে) আমাদের এত্তো বুদ্ধিমান,মাষ্টার ব্রেইনেড মানুষটার সাথে দেখা করে নিজেদের সুভাগ্যবান করতে হবে তো!!(অফিসার রবিন) অফিসার রবিন কথাটি বলেই হেসে দিলেন সাথে আকাশও একটু হাসলেন। এতো বড় একটা মামলা সামাধান করতে পেরে দুজনের মনেই খুশিতে নাচছে। :-কিন্তু স্যার!! বড় অফিসারদেরকে বলবেন না??? (আকাশ) :-হুম বলব! খুনিকে একেবারে সামনে নিয়ে। অহ আসুন! আসুন! মিঃ রবিন এবং মিঃ আকাশ! জানতাম আপনারা আসবেন! আমি আপনাদের জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। পুলিশ তো আর কখনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আসে না! আসে যখন ন্যায়ের জন্য অন্যায় করা হয়। তবে বলুন কি খাবেন??? চা-বিস্কুট??? বা কফি???? :-লিজা!!! :-জ্বী বাবা!! :- ৩কাপ কফি দিয়ে যা!! :-দিচ্ছি!! ২মিনিট অপেক্ষা করো!! :-তাহলে এখানে ২জনেই আছেন!! আমাদের আর কষ্ট করতে হবে না।(অফিসার রবিন) এরই মধ্যে লিজা কফি দিয়ে গেল। কফিতে চুমুক দিতে দিতে অফিসার রবিন বলল :-আসলে আপনি খুব সম্মানিত মানুষ তাই আপনাকে অসম্মানিত করতে চাচ্ছি না। আপনি তো বুঝতেই পারছেন আমরা সব জেনে গেছি। তো আর লুকানোর কি দরকার। (অফিসার রবিন) :- হুম আপনি ঠিকই বলেছেন লুকানোর কি দরকার। হঠাৎ লিজা রবিন আর আকাশের উপর ক্লোরোফরম স্প্রে করল। তারা দুইজন ঢলে পড়ল। ২ঘন্টা পর ২জনেরই জ্ঞান ফিরলো তারা নিজেদের অন্য একটা রুমে আবিষ্কার করলেন। তাদের হাত পা বাধা আর মুখ ওড়না দিয়ে বাধা।তারা আওয়াজ করার চেস্টা করল পারলো না।তারপর তারা দেখলো সামনেই লিজা আর তার বাবা বসা। :-অফিসার!! আমি দুঃখিত আপনাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য। আসলে ভালোভাবে বললে হয় তো আপনি আমার কথা শুনতেন না। তাই খারাপটা বেছে নিতে হলো। তবে নিশ্চিন্তে থাকুন। আপনার কর্তব্য আপনি পালন করতে পারবেন। প্রথমে আপনাকে ২টা কাহিনি শুনাই। কাহিনি১:- দেশের একজন নামকরা ব্যবসায়ী। তার একটা মেয়ে ছিল। তার কোন কিছুর অভাব না থাকা সত্ত্বেও তার মেয়েটি আত্নহত্যা করে এমনকি ব্যবসায়ীটি তার মেয়ের কোন আবদারই অপূর্ণ রাখতেন না। তবুও মেয়েটি আত্নহত্যা করলো। কিন্তু কেন জানেন??? জানেন না। শুনুন তাহলে! সেই মেয়েটি একটি ছেলে খুব ভালবাসত কিন্তু ছেলেটি ভাল ছিল না। ছেলেটি এরকম অনেক মেয়ের সাথেই ভালবাসার অভিনয় করে বিছানার কাজ শেষ করে মেয়েদেরকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছি। কিন্তু ব্যবসায়ীর মেয়েটি তা মানতে পারে নি। বাবার কাছে সব খুলে বলেছে। ব্যবসায়ী বাবা, ছেলেটির পা অবদি ধরেছে তবুও ছেলেটি রাজি হয়নি। এই কষ্টে মেয়েটি আত্নহত্যা করে। কাহিনি২:- সেই ব্যবসায়ীটি নিজের মেয়েকে বাচাতে পারেননি। সেই শোক ভুলার আগেই তার মেয়ের বয়সি এক মেয়েকে আত্নহত্যার হাত থেকে বাচায়। পরে কারণ জানতে পারে যে তার মেয়ে যে কারণে আত্নহত্যা করেছে সে একই কারণে মেয়েটি আত্নহত্যা করতে চেয়েছিল। তখন ব্যবসায়ীটি মেয়েটিকে বুঝায় আত্নহত্যা করলেই সব কিছুর সমাধান হয়ে যায় না। এরকম আরো অনেক কিছু। মেয়েটি বুদ্ধিমান ছিল তাই সহজে বুঝে গেছে। তারপর এই মেয়েটির বাবাকে খবর দেয়া হয়। তখন এই প্রিন্সিপাল রিদওয়ান মাহারা মেয়ে লিজার কষ্ট শুনে সহ্য করতে পারেনি। মেয়ের পরিকল্পনা শুনে তিনিও রাজি হয়ে যান। তারঃপর থেকে শুরু হয় কামরুল,রিদওয়ান,লিজার মিশন অফ রিভেঞ্জ। তবে অফিসার এইবার যদি একই পরিকল্পনার খুনটা না করতাম তাহলে আপনি কিছুই করতে পারতেন না। কিন্তু মানতে হবে অফিসার ইউ আর ব্রিলিয়ান্ট। কি অফিসার!! আপনার চোখে পানি কেন???( রিদওয়ান সাহেব) লিজা রবিন আর আকাশের মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে দিল । :-কিন্তু প্রিন্সিপাল সাহেব!! আপনি যেখানে মানুষ গড়ে তুলেন সেখানে আপনি এই কাজটা কিভাবে করলেন। আপনারা পুলিশকে বললেই তো পারতেন!(অফিসার রবিন) :-অফিসার!! আমাদের দেশে ধর্শনের বিচারই হয় না আবার এটার বিচার! যদিও এইটা ধর্শনের থেকে বড় অপরাধ কিন্তু এইটা আপনাদের চোখে এটা কোন অপরাধই না। :-রিদওয়ান সাহেব! আপনাদের মিশনটাতে আমিও সহযোগিতা করবো। তবে খুন করে নয়। এইধরনের অপরধের কথা শুনলেই আমরা ছেলেটি বাধ্য করবো মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য। অফিসার রবিনের মোবাইলে ফোন আসলো! :-লিজা উনাদের বাধন খুলে দাও।(রিদওয়ান সাহেব) বাধন থেকে ছুটেই অফিসার রবিন ফোনটা ধরলেন। অপর পাশ থেকে বড় অফিসার অর্ডার করেছেন। সন্ধ্যার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট তার কাছে জমা দিতে। :-রিদওয়ান সাহেব!! এখন যে আমাদের দায়িত্ব আমাদের পালন করতে হবে। (অফিসার রবিন) :-অবশ্যই!! (রিদওয়ান সাহেব) :-আকাশ! লিজা আর রিদওয়ান সাহেবকে নিয়ে আসো। সন্ধ্যা! বড় অফিসারের সামনে অফিসার রবিন দাঁড়িয়ে আছেন। :-কি অফিসার রবিন!! আপনার মামলার কতদূর!! (বড় অফিসার) :-স্যার!! আই এম সরি। আসলে আপনারাই ঠিক ছিলেন। আমি ভুল। সরি স্যার! অফিসার রবিনকে তার জন্য সতর্ক করে দেয়া হলো। সামনে তিনি এরকম করলে তাকে বরখাস্ত করা হবে। কামরুল সাহেবের মোবাইলে মেসেজ আসল "স্যার!! মিশন ৮কম্পলিটেড & আদার মিশন্স উই উইল কম্পলিট বাই আনাদার ওয়ে। সমাপ্ত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মিশন অফ রিভেন্জ(শেষ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now