বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পর্ব ১
পুরো বিছানা লাল হয়ে আছে। যেন কেউ বিছানাটা রক্ত দিয়ে ধোয়ে রেখেছে। বিছানার মাঝে ২৫/২৬ বছর বয়সের একটা ছেলে পড়ে আছে। ছেলেটির ডান হাতে ১টা রিভলবার। একটা বুলেট পড়ে আছে বিছানার বাম দিকে। দেখে বুঝা যাচ্ছে বুলেটটি ছেলেটির ডান দিক দিয়ে ঢুকে বাম দিক দিয়ে বের হয়ে গেছে।
পুলিশ তদন্ত করার জন্য লাশ নিয়ে গেছে।
অফিসার রবিন প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলেন ছেলেটির নাম জিসান। এই বাসায় সে একাই থাকে। এখনো বিয়ে করেনি। মা-বাবাও কেউ নেই। একটা এনজিওতে চাকরি করে।
ঘর,লাশ ইত্যাদি দেখে মনে হচ্ছে। এইটা খুন নয় আত্নহত্যা। ঘর তল্লাশি করেও অফিসার রবিন তেমন কিছুই পেলেন না।
অফিসার রবিন জিসানের অফিসে যায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য।
অফিসার রবিন জিসানের কলিগদের জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন। জিসান খুব ভালো। কারো সাথে ঝগড়া তো দূরের কথা কখনো বড় গলাতেও কথা বলেনি।
.
আজ সারা দিন খুব পরিশ্রম হয়েছে। তাই অফিসার রবিন দ্রুত বাসায় ফিরে গেলেন।
অফিসার রবিনের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার তাকে দেখেই বুঝতে পারলেন যে আজ সে খুব ক্লান্ত। তাই রাবেয়া আক্তার অফিসার রবিনকে এক গ্লাস শরবত বানিয়ে দিলেন। অফিসার রবিন ফ্রেশ হয়ে শরবতটা খেয়ে বিছানায় শরীর এলিয়ে দিলেন। এবং ভাবতে লাগতেন তিনি তার ৫বছরের ক্যারিয়ারে অনেক আত্নহত্যার মামলা দেখেছেন। কিন্তু এরকম অদ্ভুত মামলা এর আগে কখনো দেখেননি। আত্নহত্যা করেছে কিন্তু তার কোন কারণ নেই। কিন্তু ছেলেটা এতো অল্প বয়সে কেনই বা আত্নহত্যা করলো। অফিসার রবিন সাত-পাচ ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলেন।
অফিসার রবিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই নাস্তা করে অফিসে চলে গেলেন।
অফিসে এসেই দেখতে পেলেন তার টেবিলের উপর লাশের পোস্টমর্টেম ও বন্দুকের ফরেন্সিক রিপোর্ট রাখা।
তিনি এক কাপ চা চেয়ে রিপোর্ট গুলো দেখার জন্য হাতে নিলেন। কিন্তু রিপোর্ট বলছে যে জিসান আত্নহত্যা করেছে এবং বন্দুকটিও তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা। কিন্তু তার মনে হচ্ছে এইটা খুন।
অফিসার রবিন তার সিনিয়র অফিসাদের কাছে রিপোর্টগুলো নিয়ে গেলেন। তারা দেখে বললেন মামলা বন্ধ করে দিতে। অফিসার রবিন চাচ্ছিলেন না মামলাটা বন্ধ করতে কারণ তার কাছে এইটা খুন মনে হচ্ছে তাই তিনি অফিসারদের কাছে মামলা চালু রাখার জন্য অনুরোধ করলেন। কিন্তু তারা অফিসার রবিনের অনুরোধ রাখেননি। তাই অফিসার রবিন বাধ্য হয়েই মামলাটা বন্ধ করে দিয়েছেন।
দুপুর ২টা
কামরুল সাহেবের মোবাইলে মেসেজ আসলো "স্যার!! মিশন 7 কম্প্লিটেড............."
মেসেজটি দেখে কামরুল সাহেবে একটি দীর্ঘ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন.............
.
.
চলবে.........(to be continue)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now