বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
দশ বারাে বছর আগে সারা দেশে আলােড়ন
সৃষ্টি করেছিল যে ঘটনাটি সেটি হল দুই বােন
রিতা আর মিতার গৃহবন্দী হয়ে থাকার। শুধুই
কি তারা বাসা থেকে বের হতেন না? নাকি ছিল
আরও অন্যকিছু? কি এমন হয়েছিল সে বাসায়
যার কারণে ভূতের বাড়ির তকমা লেগেছিল?
মিরপুর ছয় নম্বর সেকশনের সি ব্লকের নয় নম্বর
রােডের এক নম্বর বাড়ি। দুই পাশে রাস্তা। আর
দুই পাশে বহুতল অ্যাপার্টমেন্ট। ওই বাড়ি থেকে
উদ্ধার হয়েছিলেন প্রকৌশলী মিতা ও তার
চিকিৎসক বােন রীতা। এখন আর ওই বাড়িতে
থাকে না তারা । জঙ্গলাকীর্ণ হয়ে পরিত্যক্ত
পড়ে আছে কোটি টাকার বাড়িটি। কিন্তু এক
সময় এই বাড়িতেই নাকি ঘটত নানা ভুতুড়ে
ঘটনা। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকেই নাকি
বৃদ্ধ মাকে নিয়েই এই বাসায় দিন রাত পার
করতেন রিতা আর মিতা। বাসা থেকে নাকি
বের হতেন না তারা। একদিন অদ্ভুত কিছু নজরে
পরে প্রতিবেশীদের। তারা বলেন, একদিন
মাঝরাতের দিকে নাকি এই দুই বােনকে মাটি
খুঁড়তে দেখা যায়। দেখে যেন মনে হয়েছিল
কোন কবর খুঁড়ছেন তারা। এলাকাবাসী সাথে।
সাথে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আসার পর
জানা গেল, তাদের মা মারা গিয়েছেন এবং বৃদ্ধ
মাকে তারা নিজেই কবর দিতে চেয়েছিলেন
বলে মাটি খুঁড়ছিলেন। অনেকে বলেন সেই
থেকে নাকি তাদের বাড়িতে ঘটতে শুরু করে
নানাবিধ
ভুতুড়ে
ঘটনা। রিতা মিতা অলৌকিক উপায়ে তাদের মাকে
ফিরে পেতে নাকি করে
যাচ্ছিল নানা জাদু আর তপস্যা। অনেকে এটাও
বলে মাঝরাতে নাকি রিতা-মিতার মাকেও হেটে
বেড়াতে দেখা যায়। যে কবরটা খোঁড়া হচ্ছিল সে
কবরের আশেপাশে নাকি তাকে দেখা গিয়েছে
অনেক। রিতা-মিতাও নাকি কখনও অস্বীকার
করেনি তাদের মায়ের উপস্থিতি। একবার এমন
ঘটেছিল, এই ভুতুড়ে বাড়ির পাশের বিল্ডিং এ
থাকা এক বাসিন্দা এমন কিছু দেখেছিলেন
যা সারা এলাকায় সৃষ্টি করেছিল ভূতের
আতঙ্ক। রাত ছিল নাকি ৩ টা, তিনি বারান্দায়
গিয়েছিলেন বাতাস খেতে, তখনই দেখতে
পারেন কবরের জন্য করে রাখা গর্তে কি যেন
বসে আছে কালাে কাপড় জড়ানাে...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now